Home Page

Id No...603

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Culture & Literature
Location :DHAKA

দ. এশিয়ায় প্রথম গণহত্যা-নির্যাতন জাদুঘর হচ্ছে বাংলাদেশে



ঢাকা:
মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশেই সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালের গণহত্যা-নির্যাতন নিয়ে আর্কাইভ ও জাদুঘর নির্মাণ করবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। ৩৩ হাজার ৫৯০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনে ছয়তলা বিশিষ্ট জাদুঘর নির্মাণে মোট ব্যয় হবে ২৮ কোটি ১৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের জুন মেয়াদে এটি নির্মিত হবে। মুক্তিযুদ্ধের সকল ইতিহাস ঠাঁই পাবে এই ভবনে। যুদ্ধকালে ঘটে যাওয়া গণহত্যা-নির্যাতন, বধ্যভূমি, গণকবর ও নানামুখী নির্যাতনের দুষ্প্রাপ্য ও অমূল্য উপকরণ সংগ্রহ করা হবে এখানে। মুক্তিযুদ্ধের মর্মকথা দেশি ও বিদেশি দর্শনার্থীদের সামনে উপস্থাপন করতেই এই জাদুঘর নির্মাণ করা হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, ভবনে থাকবে তিন হাজার ১০০ বর্গ মিটারের ২৪০ আসন বিশিষ্ট একুয়াস্টিক কাজসহ একটি মাল্টি পারপাস হল ও একটি লাইব্রেরি আর্কাইভ। এছাড়া একটি বিশাল পাম্প হাউসসহ থাকছে ১৫ হাজার বর্গ মিটারের একটি আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার। জাদুঘরের দ্বিতীয় তলায় এক হাজার ৬৫০, তৃতীয় তলায় দুই হাজার ৩০০ ও চতুর্থ তলায় এক হাজার ৭৩০ বর্গ মিটার আয়তন বিশিষ্ট একটি করে মোট তিনটি প্রদর্শনী গ্যালারি থাকবে। এছাড়া ৮৩০ বর্গমিটার আয়তনের একটি গ্রন্থাগার ও ডিজিটাল আর্কাইভ থাকবে। তিনটি ডিওরোমা, কিউসেক, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, লাইটিং-সাউন্ড, এসি ও লিফট কেনা হবে। সেইসঙ্গে একটি ম্যুরালসহ মাইক্রোবাসও কেনা হবে। এ বিষয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) আব্দুল মান্নান ইলিয়াস বাংলানিউজকে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম ‘গণহত্যা-নির্যাতন’ জাদুঘর হচ্ছে আমাদের দেশে। সকল প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। মুক্তিযুদ্ধের সকল ইতিহাস এই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে। আমরা ঢাকার মধ্যে জমি খুঁজছি। তবে আগারগাঁও অথবা শিল্পকলার পেছনের স্থানে এই জাদুঘর নির্মিত হবে বলে আশা করছি। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান বিষয় গণহত্যা। দেশের আনাচে-কানাচে অসংখ্য বধ্যভূমি ও গণকবর। নির্যাতনের শিকার বহু নারী এখনও লোমহর্ষক স্মৃতি রোমন্থন করেন। বর্তমানে গণহত্যার বৃত্তান্ত, বধ্যভূমি ও গণকবরের কথা, এমনকি নির্যাতনের কথা বিজয়ের গৌরব-ভাষ্যে উপেক্ষিত থেকে গেছে। যার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। আর এই গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে উপেক্ষিত সেই ইতিহাস দেশে-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হবে। গণহত্যা, বধ্যভূমি ও গণকবর সংক্রান্ত দলিল, নথিপত্র, ছবি সংরক্ষণের কোনো বিশেষায়িত আর্কাইভ বাংলাদেশে নেই। সে কারণে জাদুঘরের সঙ্গে একটি আর্কাইভ, গ্রন্থাগার গড়ে তোলা হবে। এছাড়া যুদ্ধে গণহত্যা-নির্যাতন সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য যেসব দেশে গণহত্যা জাদুঘর রয়েছে সেসবে জাদুঘরের পক্ষ থেকে শিক্ষা সফরেও পাঠানো হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে মুক্তিযুদ্ধকালে ঘটে যাওয়া গণহত্যা-নির্যাতন, বধ্যভূমি, গণকবর ও নানামুখী নির্যাতনের তথ্য ও উপকরণ দেশে-বিদেশে প্রদর্শন করা যাবে। মুক্তিযুদ্ধ, গণহত্যা ও নির্যাতন সংক্রান্ত ছয় হাজারেরও বেশি আলোকচিত্র সংরক্ষণ হবে এখানে। এছাড়া আড়াই হাজারের সঙ্গে চিহ্নিত বধ্যভূমিগুলো নির্দিষ্ট করতে স্মারক মানচিত্র তৈরি করা হবে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতে আর্ট ক্যাম্প করে গণহত্যা-নির্যাতনের ওপর ৩২টি শিল্পকর্মসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিতদের আদালতের রায়ের কপিও এখানে প্রদর্শন করা হবে। দুই হাজার গ্রন্থ ও নানা শ্রেণির মানুষের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ এবং গণহত্যা নিদর্শনগুলোও সংরক্ষণ করা হবে জাদুঘরে। শিল্পকর্ম এবং একাত্তরের শহীদ বৃদ্ধিজীবীদের স্মারক চিহ্নগুলো সংগ্রহ করা হবে এতে। বিশেষ করে শহীদুল্লাহ কায়সারের ডায়েরি, ডা. আলিমের ডাক্তারি যন্ত্রপাতি, সেলিনা পারভীনের শাড়ি, মুনীর চৌধুরীর পাঞ্জাবি কিংবা সিরাজউদ্দিন আহমদের পরিধেয় কাপড়।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...552

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Culture & Literature
Location :DHAKA

এবারই প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার থাকছে না !



অনলাইন ডেস্ক ॥ চলতি বছরের ১ অক্টোবর চিকিৎসাবিদ্যা বা মেডিসিনে পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে নোবেল পুরস্কারের সিজন শুরু হবে। কিন্তু ১৯৪৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার চালু হওয়ার পর এই প্রথম এ বছর এই ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেয়া হবে না। খবর ভয়েস অব আমেরিকার। সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দিয়ে থাকে সুইডিশ অ্যাকাডেমি। কিন্তু সংস্থাটির ভেতর যৌন কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠার পর গেল মে মাসে তারা জানায়, এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে না। সুইডিশ অ্যাকাডেমি জানিয়েছে, এর পরিবর্তে আগামী বছর ২০১৮ ও ২০১৯ সালের জন্য দুজন সাহিত্যে নোবেল জয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। অ্যাকাডেমির স্থায়ী সচিব অ্যান্ডার্স ওলসন বলেন, সাহিত্যে পরবর্তী নোবেল জয়ীকে বাছাই করার আগে আমাদের মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য সময় প্রয়োজন। সাহিত্য জগতের বেশিরভাগই সুইডিশ অ্যাকাডেমির এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছে। এদিকে সুইডেনের কালচারাল সোসাইটি চলতি বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের বিকল্প একটি অ্যাওয়ার্ড দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তারা তাদের তথাকথিত ‘নিউ অ্যাকাডেমি প্রাইজ’-র জন্য চারজন সম্ভাব্য বিজয়ী নামও প্রকাশ করেছে। আগামী ১২ অক্টোবর বিজয়ীর নাম প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। কেন এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেয়া হচ্ছে না? এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার না দেয়ার মূলে রয়েছেন সুইডিশ অ্যাকাডেমির ফটোগ্রাফার জ্য-ক্লড আর্নল্ট। তিনি সুইডিশ অ্যাকাডেমির সদস্য ও লেখিকা ক্যাটরিনা ফ্রসটেনসনের স্বামী। এই আর্নল্টের বিরুদ্ধে অন্তত ১৮ জন নারী ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন। এরমধ্যে কিছু ঘটনা সুইডিশ অ্যাকাডেমির মালিকানাধীন স্থাপনা ও সম্পত্তির ভেতর ঘটেছে। আর্নল্ট ও ফ্রসটেনসন স্টকহোমে একটি সংস্থা চালিয়ে থাকেন। আর সেটির অর্থায়ন করেছে সুইডিশ অ্যাকাডেমি। গেল সপ্তাহে স্টকহোমের একটি আদালতে আর্নল্টের ধর্ষণ মামলা শেষ হয়েছে। এখন আদালতের রায়ের অপেক্ষা। যদিও আর্নল্ট তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এছাড়া সাহিত্যে নোবেল জয়ীর নাম ফাঁস করে দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে আর্নল্টের বিরুদ্ধে। তবে ওই কেলেঙ্কারি ফাঁস হওয়ার পর ফ্রসটেনসন ও আর্নল্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয় সুইডিশ অ্যাকাডেমির সদস্যরা। এর ফলে অ্যাকাডেমির সদস্যদের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয়। এমনকি অ্যাকাডেমির সদস্যরা একে অপরকে অপমানও করেন। এদিকে ফ্রসটেনসনকে তার পদ থেকে অপসারণ করা হবে না অ্যাকাডেমির এমন সিদ্ধান্তে সংস্থাটির ১৮ সদস্যদের মধ্যে তিনজন পদত্যাগ করেন। অ্যাকাডেমির স্থায়ী সচিবও প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেন। পরে ফ্রসটেনসন নিজেও অ্যাকাডেমি ছেড়ে যান। অন্যদিকে ওই কেলেঙ্কারির পর সুইডিশ সোসাইটির ১০০ জন গুরুত্বপূর্ণ কালচারাল সদস্য নিউ অ্যাকাডেমি প্রাইজ নামে একটি অ্যাওয়ার্ড চালু করে। তবে এখানে কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন প্রক্রিয়া সুইডিশ অ্যাকাডেমির মতো গোপন নয়, বরং উন্মুক্ত। উল্লেখ্য, রসায়ন, পদার্থ, চিকিৎসা, সাহিত্য, অর্থনীতি ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়ে থাকে। ১৯৪৯ সালে প্রথমবার সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়। গেল বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান জাপানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সাহিত্যিক কাজুও ইশিগুরো।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...66

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Culture & Literature
Location :DHAKA

বইমেলায় বাড়ছে ডিজিটাল বই



বইমেলায় ই-বই/ছবি: সুমন শেখ অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে: কেমন হতো যদি আপনার ছোট্ট সোনামণির বইয়ের বর্ণমালা ও ছবিগুলো তার সামনে জীবন্ত হয়ে উঠতো? যদি তার পছন্দের গল্প, ছোটগল্প, উপন্যাস, কবিতাসহ বিভিন্ন লেখা অবসরে অডিওতে শুনতে পারতো তাহলে পড়ালেখা হতো কতই না আনন্দময়। সোনামণিদের এই আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে এবারের বইমেলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম নিয়ে এসেছে একটি মোবাইল অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের এ অ্যাপটি চালু করে বইয়ের পাতার সামনে নির্দিষ্ট অক্ষর বা ছবির সামনে ধরলেই অক্ষরগুলো কথা বলবে, ছবিগুলো হবে প্রাণবন্ত। একইভাবে এটুআই পরিচালিত ওয়েবসাইটে konnect.edu.bd লগইন করে ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সাইবার সতর্কতা, এসডিজি, স্বাস্থ্যকথা, বয়োঃসন্ধি, ব্রন, জেন্ডার ভাবনা, মানসিক চাপ, কুইজ, কমিকসসহ বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারবেন। একইসঙ্গে সেখানে শিশু-কিশোর, বিজ্ঞান, সাহিত্যসহ অসংখ্য বই বিনামূল্যে পড়তে পারেন। রয়েছে পছন্দের বিভিন্ন চলচ্চিত্র দেখার সুযোগও। এটুআইয়ের এই ওয়েবসাইট বর্তমান প্রজন্মের প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বইমেলার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৫/০৬ নম্বর স্টলে শিক্ষার্থীদের ভিড় চোখে পড়র মতো। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মেলার ২৫তম দিন বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এই ওয়েবসাইটে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৮শ ৬৯ জন। তবে প্রতিনিয়ত এই সংখ্যা বাড়ছে বলে বাংলানিউজকে জানান স্টলের দায়িত্বে থাকা পল্লব কুমার সিংহ। এদিকে চলতি দশকে প্রযুক্তির উন্নয়নে অনেক পরিবর্তন এসেছে পাঠকের বই পড়ার অভ্যাসে। এখন মানুষ ছাপা বইয়ের চেয়ে ই-বুকে বেশি অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন। পাঠকের হাতে থাকা স্মার্টফোন, ট্যাব ও কম্পিউটার ব্যবহার করে সহজেই যে কোনো ধরনের বই পড়তে পারছেন তারা। বইমেলায় পাঠকের এমন চাহিদার কথা ভেবেই এসেছে ডিজিটাল এ পড়ার মাধ্যম। যা মেলায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------
Next 10 Records

স্বাধীনকথা মিডিয়া

Kaliakair, Gazipur, Dhaka, Bangladesh.
http://www.selltoearn.com

প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

E-mail:selltoearnmoney@gmail.com

উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

কারিগরি সহযোগীতায় :
হেমাস আইটি http://www.selltoearn.com

E-mail: info@selltoearn.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত স্বাধীনকথা মিডিয়া