Home Page

Id No...318

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Fire, Safety & Protection
Location :ABROAD

সাপের কামড়: কত ভয়ানক হুমকি?



ভারতে এক নারী সাপের কামড়ের শিকার হওয়ার পর ঐ নারীসহ তার তিন বছর বয়সী কন্যাসন্তানও মারা যান।

সাপের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বুঝতে না পেরে ঐ নারী তার সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে শুরু করেন। হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে মারা যান দুইজনই। এই খবরটি এমন একটি দিনে পাওয়া যায় যেদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সাপের দংশনের ঘটনাকে "বিশ্ব স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার" হিসেবে বিবেচনা করার ঘোষণা করে। প্রতিবছর ৮১ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষ সাপের কামড়ে মারা যায়, যার প্রায় অর্ধেক মৃত্যুর ঘটনাই ঘটে ভারতে। কতটা গুরুতর এই সমস্যা?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে প্রতিবছর প্রায় ৫০ লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হয়, যদিও সেসব ঘটনার অর্ধেকের কিছু বেশী ক্ষেত্রে আক্রমণ হওয়া ব্যক্তির শরীরে বিষ প্রবেশ করে। সাপের আক্রমণের শিকার হওয়ার পর সারাবিশ্বে লক্ষাধিক মানুষ অন্ধত্ব বা চিরস্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এসব ঘটনাকে গ্রীষ্মপ্রধান এলাকার সবচেয়ে উপেক্ষিত ব্যাধি বলে আখ্যা দিয়েছে। সাব-সাহারান আফ্রিকার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সবচেয়ে বেশী সাপের কামড়ের ঘটনা ঘটে। দরিদ্র গ্রামবাসীরা সাধারনত সাপের কামড়ের ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন। অনেক সময় প্রতিষেধক ও আধুনিক চিকিৎসার সুব্যবস্থা না থাকায় সনাতন পদ্ধতিতে চিকিৎসা করার কারণে দরিদ্র গ্রামবাসীদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেশী থাকে। সাপের আক্রমণের হার প্রবল এমন অনেক দেশেরই নিজেদের প্রতিষেধক তৈরীর ব্যবস্থা নেই। বিষক্রিয়ার প্রভাব দূর করতে বা কমাতে সাধারনত দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী সাপের আক্রমণ সংক্রান্ত বিষয়ে সব দেশে একই পদ্ধতিতে চিকিৎসা, প্রতিরোধ ও্র ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বিষাক্ত সাপ কামড় দিলে কি হয়? বিষাক্ত সাপকে সাধারনত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। স্থায়ী দাঁতসহ সাপের বিষে সাধারনত নিউরোটক্সিক বিষ থাকে যা স্নায়ুতে আঘাত করে ও শ্বাস-প্রশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

অন্যান্য প্রজাতির সাপের দাঁত লুকানো থাকে যা সাধারণত শিকার করার সময় বা শত্রুকে আক্রমণ করার সময় ব্যবহৃত হয়। এই ধরণের সাপের আক্রমণে চামড়ার টিস্যু ক্ষিতগ্রস্ত হয় ও শরীরে অভ্যন্তরীন রক্তপাত হয় থাকে। কোন সাপের বিষ সবচেয়ে বিষাক্ত? কোন সাপের বিষ সবচেয়ে বিষাক্ত ও কোন ধরণের সাপ মানুষের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর তা নির্ণয় করা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। মাটিতে বসবাস করা যে কোন সাপের মধ্যে সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ তাইপানের বসবাস অস্ট্রেলিয়ায়। বলা হয় এই সাপের এক ছোবলে যে পরিমাণ বিষ উদগীরণ হয় তা দিয়ে ১০০ জন মানুষ মারা যেতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এই প্রজাতির সাপের দংশনে কোনো মানুষ মারা গিয়েছে এমন খবর পাওয়া যায়নি। এই প্রজাতির সাপ সাধারনত লাজুক প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং দুর্গম জায়গায় বাস করে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় এর প্রতিষেধকও সহজলভ্য। সামুদ্রিক সাপও অত্যন্ত বিষাক্ত হয়। তবে মানুষের সংস্পর্শে কম আসার কারণে এই সাপের কামড়ের ঘটনা বিরল। অপেক্ষাকৃত কম বিষাক্ত কিন্তু অত্যন্ত বিদজনক ব্ল্যাক মাম্বা ও উপকূলীয় তাইপান (অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়) মানুষের জন্য বেশী ঝুঁকির কারণ। এই দুই ধরনের সাপই একই প্রজাতির এবং তাদের বিষ খুবই দ্রুত কাজ করে। সঠিক চিকিৎসা করা না হলে এই ধরণের সাপের কামড়ের শিকার ব্যক্তি আধা ঘন্টার কম সময়ে মৃত্যুবরণ করতে পারে। কোন সাপের কামড়ে সবচেয়ে বেশী মৃত্যু হয়? সাপের আক্রমণের সংখ্যা ও মৃত্যুহারের হিসেবে, অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের ভাইপার (বোরা সাপ) সবচেয়ে বেশী বিপদজনক। পশ্চিম আফ্রিকা ও ভারতীয় উপমহাদেশে এই ধরণের সাপ পাওয়া যায়। এরা সাধারণত অন্ধকারে আক্রমণ করে।

সাপের কামড়ে বিশ্বে প্রতিবছর মৃত্যুর ঘটনার অর্ধেকই ভারতে হয় বলে মনে করা হয়। ভারতে যে চার ধরণের সাপের আক্রমণে সবচেয়ে বেশী মানুষ মারা যায় তাদের মধ্যে এই ভাইপার বা বোরা সাপ অন্যতম।

শীর্ষ চার প্রজাতির বাকিগুলো হলো:

ইন্ডিয়ান ক্রেইৎ বা কালাচ সাপ: যদিও দিনের বেলা এরা সাধারণত আক্রমণ না করলেও রাতে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। দৈর্ঘ্যে এরা ১.৭৫ মিটার (৫ ফুট ৯ ইঞ্চি) পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। রাসেল1`স ভাইপার: ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার অনেক এলাকায় এই আক্রমণাত্মক সাপ দেখতে পাওয়া যায়। ইঁদুর প্রজাতির প্রাণী এদের প্রধান খাদ্য, তাই শহর ও গ্রামের লোকালয়ের কাছে এদের পাওয়া যায়। ভারতীয় কোবরা বা গোখরা সাপ: ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন এলাকায় এই সাপ পাওয়া যায়। এরা সাধারণত রাতে আক্রমণ করে থাকে। এই ধরণের সাপের কামড়ে দেহে অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ হয়। সাপ কামড়ালে কি করা উচিৎ? সাপের দংশনের শিকার হলে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের পরামর্শ অনুযায়ী যা করণীয় তা হোলো:

শান্ত থাকুন এবং অতিদ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন শরীরের যে স্থানে সাপ কামড়েছে সেটি যতটা কম সম্ভব নড়াচড়া করুন। ঘড়ি বা অলঙ্কার পড়ে থাকলে তা খুলে ফেলুন। কাপড়ের বাঁধ ঢিলে করুন, তবে খুলবেন না। নিম্নবর্তী কোনো পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করবেন না: কামড়ের স্থান থেকে চুষে বিষ বের করে আনার চেষ্টা করা কামড়ের স্থান আরো কেটে বা সেখান থেকে রক্তক্ষরণ করে বিষ বের করে আনার চেষ্টা করা বরফ, তাপ বা কোনো ধরনের রাসায়নিক কামড়ের স্থানে প্রয়োগ করা আক্রান্ত ব্যক্তিকে একা ফেলে যাওয়া কামড়ের স্থানের গিঁটের কাছে শক্ত করে বাঁধা। এর ফলে বিষ ছড়ানো বন্ধ হবে না এবং আক্রান্ত ব্যক্তি পঙ্গুও হতে পারেন।

বিষধর সাপ ধরা থেকেও বিরত থাকা উচিত। এমনকি মৃত সাপও সাবধানতার সাথে ধরা উচিৎ, কারণ সদ্যমৃত সাপের স্নায়ু মারা যাওয়ার কিছুক্ষণ পরও সতেজ থাকতে পারে এবং তখন তা দংশন পারে।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...118

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Fire, Safety & Protection
Location :DHAKA

কোটি টাকা চুরির অভিযোগ বানর-সাপের বিরুদ্ধে!



সাপ ঢাকা: ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’র মতো অবস্থা নাইজেরিয়ার পশু-পাখিদের। প্রথমে সাপ, তারপর বানর। একের পর এক অভিযোগ আনা হচ্ছে এসব প্রাণীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি দেশটির একজন কেরানি অভিযোগ করেছেন, একটি সাপ তার কাছ থেকে ৩৬ মিলিয়ন নিয়ারা খেয়ে ফেলেছে, বাংলাদেশি টাকায় তা প্রায় ৮০ লাখ টাকার সমপরিমাণ। এ ঘটনার পর নাইজেরিয়ার শিক্ষা অধিদপ্তরে কর্মরত ওই কেরানিকে বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি সংগ্রহ করা ছিল তার কাজ। সাপ অফিসে ঢুকে একসঙ্গে এতো শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফি খেয়ে যাবে, ব্যাপারটা যুক্তিসঙ্গত মনে হয়নি কর্তৃপক্ষের। তাছাড়া সাপের পেটে ৮০ লাখ টাকা ঢোকানোর মতো জায়গাও তো থাকা চাই! এ ঘটনার সপ্তাহ পেরোতে না পেরোতেই আবারও অভিযুক্ত হলো নাইজেরিয়ার পশুরা। এবারের অভিযোগ একদল বানরের প্রতি। অভিযোগকারী একজন সিনেটর। তিনি বলছেন, একদল বানর একটি ফার্ম হাউজ থেকে প্রায় ৭ কোটি নিয়ারা নিয়ে পালিয়েছে। বাংলাদেশি টাকায় তা প্রায় দেড় কোটি টাকার সমপরিমাণ। তার উপর অর্থ অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠলেই বানরের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। নাইজেরিয়ায় প্রাণীদের উপর দোষারোপের ঘটনা এগুলোই প্রথম নয়। গত বছর দেশটির প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি টানা তিন মাস নিজ বাসভবনে বসে দাপ্তরিক কাজ সারেন। কারণ, একদল ইঁদুর ক্ষতিগ্রস্ত করে গেছে তার অফিস। বাংলাদেশ সময়: ০০৫৭ ঘণ্টা, মার্চ ০৫, ২০১৮ এনএইচটি/এএ

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...77

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Fire, Safety & Protection
Location :DHAKA

স্মার্ট পোশাকের বাজার বাড়ছে



উন্নত বিশ্বে স্মার্ট পোশাকের বাজার বাড়ছে। ২০২৫ সালে প্রযুক্তিনির্ভর এসব পোশাকের বাজার ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে। সে জন্য তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অবস্থান পোক্ত করতে হলে উদ্যোক্তাদের স্মার্ট পোশাক উৎপাদনে যেতে হবে। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) গতকাল সোমবার আয়োজিত ফ্যাশন ও প্রযুক্তিবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘বাংলাদেশ ফ্যাশনোলজি সামিটে’ এসব কথা বলেন বক্তারা। একই সঙ্গে তাঁরা বলেছেন, পোশাক রপ্তানির বিশ্ব প্রতিযোগিতায় ভবিষ্যতে টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন খরচ কমাতে হবে। বাড়াতে হবে উৎপাদন সক্ষমতা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জ দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এতে পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তা, ব্র্যান্ড ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, দূতাবাস ও দাতা সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেন। সম্মেলনে চারটি সেমিনার হয়। এতে বক্তা হিসেবে ছিলেন জুকি করপোরেশন জাপানের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ার সুচি উতেনা, ইউনিভার্সাল রোবটসের প্রদীপ ডেভিড, লি অ্যান্ড ফাংয়ের নির্বাহী সহসভাপতি সুনীল শেকরমানি, আইবিএম রিসার্চের রিসার্চ সায়েন্টিস্ট ভিকাশ রয়কর, ইলেকট্রিক রানওয়ের প্রতিষ্ঠাতা আমেন্দা কসকো, ফ্যাশনরাড ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক মুচায়েন্তা কাফুন্দি প্রমুখ। দিনব্যাপী সম্মেলনের শেষ পর্বে স্মার্ট পোশাকের ফ্যাশন শো অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেদারল্যান্ডস, স্পেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও ভারতের ফ্যাশন ডিজাইনারদের প্রযুক্তিনির্ভর পোশাক প্রদর্শন করা হয়। এসবের মধ্যে এলইডি বাতিযুক্ত পোশাক ছিল। মানুষের কথা কিংবা শব্দের সঙ্গে সঙ্গে সেই বাতির রং পরিবর্তন হয়। আবার এলইডি বাতির এক জোড়া বিশেষ পোশাক ছিল। পোশাক দুটির মধ্যে দূরত্ব বাড়লে বাতির রং স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন হয়। এ ছাড়া থ্রি-ডি প্রিন্টসহ বিভিন্ন প্রযুক্তির পোশাক পরে মডেলরা র‍্যাম্পে হাঁটেন। অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ে আমরা ৫০-৬০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে চাই। তবে প্রযুক্তিনির্ভর ভ্যালু অ্যাডেড (দামি) পোশাক উৎপাদন ছাড়া সেই জায়গায় যাওয়া যাবে না। তাই দেশের উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি ব্র্যান্ড ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের এসব প্রযুক্তি ও পণ্যের সঙ্গে পরিচয় ঘটাতেই সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়েছে।’

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...76

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Fire, Safety & Protection
Location :DHAKA

Tk1600-cr needs for fire safety in 837 factories



DHAKA: After visiting 837 ready made garments (RMG) factories, US-based ‘Alliance for Bangladesh Workers Safety’ said that the factories do not have sufficient fire safety measures. It also said that around Tk1,600-crore need to be invested to install fire safety measures in those factories. Alliance managing director Mezbah Robin came up with observations in a press conference on Saturday. The conference was organized to brief media about three-day international expo on fire and building safety starting at Bangabandhu International Conference Center (BICC) in city on December 7. Mezbah Robin further said the Alliance visited 837 garments factories around the country but did not find any fire escape in any of them. “Moreover, the Alliance observed other errors related to building safety,” he added. He also said that in average, there is a need for $2.5-lakh (over 1.95-crore) to construct fire escape and other renovation works of each factory building. This means, the renovation of all 837 factories will require about Tk1,633-crore, he added. Robin added that 28 factories out of 837, have already applied to the banks for loan facilities. The Alliance top official also informed that a total of 36 brands, including 13 foreign, on building and fire safety will participate in the three-day expo at BICC. BDST: 2146 HRS, DEC 05, 2015 AS/SR

Source: Plz, click here to show
--------------------------------
Next 10 Records

স্বাধীনকথা মিডিয়া

Kaliakair, Gazipur, Dhaka, Bangladesh.
http://www.selltoearn.com

প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

E-mail:selltoearnmoney@gmail.com

উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

কারিগরি সহযোগীতায় :
হেমাস আইটি http://www.selltoearn.com

E-mail: info@selltoearn.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত স্বাধীনকথা মিডিয়া