Home Page

Id No...645

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :DHAKA

প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৬ মন্ত্রণালয়



সোমবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শপথ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের টেলিফোন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪৭ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদ শপথ নেবে।

রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন, পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন ২৪ জন, ১৯ জন হচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আর ৩ জন হচ্ছেন উপমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে থাকছে ছয়টি মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রীর অধীনে থাকা মন্ত্রণালয়গুলো হলো—মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন যারা
পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন ২৪ জন। তাঁরা হলেন আ ক ম মোজাম্মেল হক (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক) , ওবায়দুল কাদের (সড়ক পরিবহন ও সেতু), আব্দুর রাজ্জাক (কৃষি), আসাদুজ্জামান খান কামাল (স্বরাষ্ট্র), হাছান মাহমুদ (তথ্য), আনিসুল হক (আইন), আ হ ম মুস্তফা কামাল (অর্থ), তাজুল ইসলাম (স্থানীয় সরকার), দীপু মনি (শিক্ষা), এ কে আবদুল মোমেন (পররাষ্ট্র), এম এ মান্নান (পরিকল্পনা), নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (শিল্প), গোলাম দস্তগীর গাজী (বস্ত্র ও পাট), জাহিদ মালেক (স্বাস্থ্য), সাধন চন্দ্র মজুমদার (খাদ্য), টিপু মুনশি (বাণিজ্য), নুরুজ্জামান আহমেদ (সমাজকল্যাণ), শ ম রেজাউল করিম (গণপূর্ত), মো. শাহাব উদ্দিন (পরিবেশ ও বন), বীর বাহাদুর ঊশৈ সিং (পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক), সাইফুজ্জামান চৌধুরী (ভূমি), নুরুল ইসলাম সুজন (রেলপথ), ইয়াফেস ওসমান—টেকনোক্র্যাট (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), মোস্তাফা জব্বার—টেকনোক্র্যাট (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি)।

প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন
১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন—কামাল আহমেদ মজুমদার (শিল্প), ইমরান আহমেদ (প্রবাসীকল্যাণ), জাহিদ আহসান রাসেল (যুব ও ক্রীড়া), নসরুল হামিদ (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি), আশরাফ আলী খান খসরু (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ), মন্নুজান সুফিয়ান (শ্রম), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (নৌপরিবহন), জাকির হোসেন (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা), শাহরিয়ার আলম (পররাষ্ট্র), জুনায়েদ আহমেদ পলক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি), ফরহাদ হোসেন (জনপ্রশাসন), স্বপন ভট্টাচার্য (স্থানীয় সরকার), জাহিদ ফারুক (পানিসম্পদ), মো. মুরাদ হাসান (স্বাস্থ্য), শরীফ আহমেদ (সমাজকল্যাণ), কে এম খালিদ (সংস্কৃতি), এনামুর রহমান (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ), মাহবুব আলী (বিমান), শেখ মো. আবদুল্লাহ—টেকনোক্র্যাট (ধর্ম)।

উপমন্ত্রী ৩ জন
৩ উপমন্ত্রী হচ্ছেন—হাবিবুন নাহার (পরিবেশ), এ কে এম এনামুল হক শামীম (পানিসম্পদ), মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (শিক্ষা)।

সর্বশেষ মন্ত্রিসভার ২৫ মন্ত্রী, ৯ প্রতিমন্ত্রী ও ২ উপমন্ত্রী এবারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। আর আগের মন্ত্রিসভার জন প্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম গত ৩ জানুয়ারি মারা যান।

বাদ পড়াদের তালিকায় আছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন তিনি অবসর নিতে চান। এবারের সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থীও হননি। বাদ পড়াদের তালিকায় আরও রয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম, সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী মুহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পরিবেশ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, মৎসমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বিমানমন্ত্রী এ. কে. এম শাহজাহান কামাল ও ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান। মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি।

মন্ত্রীদের মধ্যে টেকনোক্রাট দুই মন্ত্রী নুরুল ইসলাম ও মতিউর রহমান ভোটের আগেই পদত্যাগ করেন।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক (চুন্নু), বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাবিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী।

বাদ পড়েছেন দুই উপমন্ত্রীও। এরা হলেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আরিফ খান জয়। আরিফ খান জয় নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি।

প্রসঙ্গত, নতুন মন্ত্রীসভায় জাতীয় পার্টির কেউ নেই। আগের মন্ত্রীসভায় দলটির তিনজন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রি ছিলেন। বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকার কারণে এবার তারা মন্ত্রিসভায় যোগ দেবে না বলে শপথের পরদিনই দলটির চেয়ারম্যান এরশাদ জানিয়েছেন।

মহাজোটের শরীক জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপির) কেউই মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। আগের মন্ত্রিসভায় জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন ও জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ছিলেন।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...644

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :DHAKA

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রী হচ্ছেন যাঁরা



সোমবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শপথ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের টেলিফোন করা হচ্ছে।

একটি সূত্রে জানা গেছে, কাল ৪৬ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদ শপথ নিতে পারে।

পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন ২৪ জন। তাঁরা হলেন আ ক ম মোজাম্মেল হক (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক) , ওবায়দুল কাদের (সড়ক পরিবহন ও সেতু), আব্দুর রাজ্জাক (কৃষি), আসাদুজ্জামান খান কামাল (স্বরাষ্ট্র), হাছান মাহমুদ (তথ্য), আনিসুল হক (আইন), আ হ ম মুস্তফা কামাল (অর্থ), তাজুল ইসলাম (স্থানীয় সরকার), দীপু মনি (শিক্ষা), এ কে আবদুল মোমেন (পররাষ্ট্র), এম এ মান্নান (পরিকল্পনা), নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (শিল্প), গোলাম দস্তগীর গাজী (বস্ত্র ও পাট), জাহিদ মালেক (স্বাস্থ্য), সাধন চন্দ্র মজুমদার (খাদ্য), টিপু মুনশি (বাণিজ্য), নুরুজ্জামান আহমেদ (সমাজকল্যাণ), শ ম রেজাউল করিম (গণপূর্ত), মো. শাহাব উদ্দিন (পরিবেশ ও বন), বীর বাহাদুর ঊশৈ সিং (পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক), সাইফুজ্জামান চৌধুরী (ভূমি), নুরুল ইসলাম সুজন (রেলপথ), ইয়াফেস ওসমান—টেকনোক্র্যাট (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), মোস্তাফা জব্বার—টেকনোক্র্যাট (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি)।

১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন—কামাল আহমেদ মজুমদার (শিল্প), ইমরান আহমেদ (প্রবাসীকল্যাণ), জাহিদ আহসান রাসেল (যুব ও ক্রীড়া), নসরুল হামিদ (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি), আশরাফ আলী খান খসরু (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ), মন্নুজান সুফিয়ান (শ্রম), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (নৌপরিবহন), জাকির হোসেন (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা), শাহরিয়ার আলম (পররাষ্ট্র), জুনায়েদ আহমেদ পলক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি), ফরহাদ হোসেন (জনপ্রশাসন), স্বপন ভট্টাচার্য (স্থানীয় সরকার), জাহিদ ফারুক (পানিসম্পদ), মো. মুরাদ হাসান (স্বাস্থ্য), শরীফ আহমেদ (সমাজকল্যাণ), কে এম খালিদ (সংস্কৃতি), এনামুর রহমান (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ), মাহবুব আলী (বিমান), শেখ মো. আবদুল্লাহ—টেকনোক্র্যাট (ধর্ম)।

৩ উপমন্ত্রী হচ্ছেন—হাবিবুন নাহার (পরিবেশ), এ কে এম এনামুল হক শামীম (পানিসম্পদ), মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (শিক্ষা)।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...641

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :DHAKA

শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির



একাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচনে বিপুল ভোট জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। সেই সঙ্গে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপ্রধান আবদুল হামিদ এই আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে এতথ্য জানিয়েছেন। আজ বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্র পৌঁচ্ছালে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু রয়েছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার এটাই প্রথম সাক্ষাৎ। এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সর্বশেষ বঙ্গভবনে গিয়েছিলেন তিনি। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ তিনিই পড়াবেন। প্রসঙ্গত, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঘোষিত ২৯৮টি আসনের মধ্যে নৌকা প্রতীকে মহাজোট পেয়েছে ২৮৮টি আসন। অন্যদিকে, ৭টি (বিএনপি ৫টি এবং গণফোরাম ২টি) আসন পেয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। এবং ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...631

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :DHAKA

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভোট চাইছেন রিয়াজ-ফেরদৌস



প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও ফেরদৌস। আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গেছেন চলচ্চিত্রের এই দুই তারকা। দৈনিক আমাদের সময়কে চিত্রনায়ক রিয়াজ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় থাকার উদ্দেশ্যেই আমরা রওনা হয়েছি। তবে আমাদের মূল উদ্দেশ্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করা। এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করব। এটা নিঃসন্দেহে আমার জন্য অনেক ভালো লাগার বিষয়। চলচ্চিত্র পরিবারের প্রতিনিধি হয়েই আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় আছি।’ চিত্রনায়ক ফেরদৌস বলেন, ‘আজ ও আগামীকাল দিনব্যাপী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় থাকব। বিভিন্ন মিটিং, পথসভায় অংশগ্রহণ করব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা যে, তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণায় আমাদেরকে সঙ্গে রেখেছেন। এটা চলচ্চিত্রের শিল্পী হিসেবে আমাদের জন্য গর্বের ও আনন্দের।’ এর আগে, গত সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতিসংঘের ৭৩তম অধিবেশনে সফর সঙ্গী হয়েছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও ফেরদৌস।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...630

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :GOPALGANJ

ভোটের প্রচারকাজের জন্য টুঙ্গিপাড়ার পথে প্রধানমন্ত্রী



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আজ সকালে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। এর মধ্য দিয়েই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারকাজ শুরু করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে নিজ নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন তিনি। রাতে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণের কথা রয়েছে শেখ হাসিনার। টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে রাত্রিযাপন করে পরদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে তাঁর নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে সঞ্চার হয়েছে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার। নির্বাচনী প্রচার ঘিরে মুখর হয়ে উঠেছে কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া উপজেলা। বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে কোটালীপাড়াকে। এরই মাঝে শেখ হাসিনার জনসভা সফল করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া জনসভার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, পুলিশসহ গোয়েন্দা সংস্থার কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এ পর্যন্ত ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন শেখ হাসিনা। আগামী নির্বাচনেও নৌকার দুর্ভেদ্য এ ঘাঁটি থেকে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ ও টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করবেন বলে প্রত্যাশা ভোটারদের।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...629

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :SYLHET

সিলেট থেকে ঐক্যফ্রন্টের প্রচার শুরু আজ



একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আজ বুধবার হজরত শাহজালাল (র) ও শাহপরানের (র) মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে সিলেট থেকে এ প্রচার শুরু হবে। গতকাল বিকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানান, ‘আগামীকাল বুধবার (আজ) সিলেটে হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহপরানের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করব। সব সময় তাই করা হয়। আমাদের নেত্রী যখন ছিলেন, উনিও তাই করতেন। আমরাও সেটা করব ইনশা আল্লাহ। আমরা আশা করছি, ড. কামাল হোসেন যাবেন, বিএনপির পক্ষ থেকে আমি (নজরুল ইসলাম খান) যাব। জেএসডির আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীও যাবেন। নজরুল ইসলাম খান জানান, সিলেটে মাজার জিয়ারতের পর তারা শহরে প্রচার করবেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা জানান, তারা মাজার জিয়ারতের পর সিলেটে অন্তত তিনটি পথসভায় বক্তব্য রাখবেন। আজ ঢাকা থেকে বিমানযোগে সিলেটের উদ্দেশে রওনা দেবেন ড. কামালসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। ড. কামাল সিলেটের কর্মসূচি শেষ করে বিমানে ঢাকায় ফিরবেন। তবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কোনো কোনো নেতার সড়কপথে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। যারা সড়কপথে আসবেন, তাদের বিভিন্ন পথসভায় বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...620

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :DHAKA

যেভাবে এল নৌকা, ধানের শীষ, লাঙ্গল



দরজায় কড়া নাড়ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আনুষ্ঠানিক প্রচারযুদ্ধ শুরু হলে প্রার্থীরা ছুটে যাবেন ভোটারদের দুয়ারে। ভালোবাসা, ভালো আশ্বাস আর ভালো কথায় ভোটারদের কাছে টানতে চাইবেন। কিন্তু ভোটাররা কি প্রার্থীকে দেখবেন, না দলীয় প্রতীক দেখে ব্যালট পেপারে সিল দেবেন? নাকি দুটোর হিসাবই মেলাবেন।

কোটি কোটি ভোটারের বিবেচনা যা-ই হোক না কেন, বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে ভোটের যুদ্ধ হয় মূলত আওয়ামী লীগের নৌকা, বিএনপির ধানের শীষ ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মধ্যে। তবে এই তিন প্রতীকে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেই পাকিস্তান আমল থেকে। জেনে নেওয়া যাক কীভাবে এল এসব প্রতীক।

নৌকা
আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, পাকিস্তান গণতন্ত্রী দল ও পাকিস্তান খেলাফত পার্টির সঙ্গে মিলে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠন করা হয়। শরিক হিসেবে যুক্তফ্রন্টে আরও ছিল মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি, বামপন্থী গণতন্ত্রী দলের নেতা ছিলেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ এবং মাহমুদ আলী সিলেটী। যুক্তফ্রন্ট নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রথমে ভোটের লড়াই শুরু করে ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে। সেই সময় যুক্তফ্রন্টের সবচেয়ে বড় শরিক দল ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ। ১৯৫৪ সালের ৮ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীরা ২২৩টি আসনে বিজয়ী হন। এর মধ্যে ১৪৩টি পেয়েছিল মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ, ৪৮টি পেয়েছিল শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক শ্রমিক পার্টি। নেজামী ইসলাম পার্টি জয়ী হয় ২২টি আসনে। এ ছাড়া গণতন্ত্রী দল ১৩টি এবং খেলাফত-ই-রাব্বানী দুটি আসনে জয়ী হয়।

যুক্তফ্রন্ট ভেঙে গেলে নৌকা প্রতীক পায় আওয়ামী লীগ। এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, আওয়ামী মুসলিম লীগ ছিল যুক্তফ্রন্টের মধ্যে সবচেয়ে বড় দল। প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনেও আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রার্থীরা বেশি আসনে জয়ী হন।

১৯৫৭ সালে ‘মুসলিম’ শব্দ বাদ দিয়ে জন্ম নেয় আওয়ামী লীগ এবং নৌকা প্রতীকও পায় দলটি। কিন্তু নৌকায় চড়ে নির্বাচন করতে আওয়ামী লীগকে অপেক্ষা করতে হয় আরও ১৩ বছর। পাকিস্তানে ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ পরিষদ নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নৌকা প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করে ১৬০টি আসনে জয়ী হয়। সেই থেকে নৌকায় চড়ে নির্বাচন করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।

তবে ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নৌকার আগে লাঙ্গল প্রতীক চেয়েছিল যুক্তফ্রন্ট। কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন লাঙ্গল প্রতীক যুক্তফ্রন্টকে দেয়নি। এর কারণ সম্পর্কে বিশিষ্ট সাংবাদিক তোয়াব খান বলেন, লাঙ্গল ছিল শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের অবিভক্ত ভারতের কৃষক প্রজা পার্টির। সে জন্য যুক্তফ্রন্ট পরে নৌকাকে প্রতীক হিসেবে বেছে নেয়।

কিন্তু নৌকা বেছে নেওয়ার কারণ কী? ইতিহাসবিদের কাছ থেকে জানা গেছে, নৌকা ছিল পূর্ববঙ্গের প্রতীক। বাংলায় নদীপথ ছাড়া চলাচলের উপায় ছিল না। নদীতে নৌকা মানেই পালতোলা নৌকা। নদী আর নৌকা নিয়েই গানচর্চা হতো পূর্ববঙ্গে। এই প্রতীকটা তাই ঐতিহ্যগতভাবে এই অঞ্চলের মানুষের মননে গাঁথা হয়ে গেছে।

ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন প্রথম আলোকে বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের যাঁরা তখন ছিলেন, যেমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব, তাজউদ্দীন, মাওলানা ভাসানী— তাঁরা কিন্তু গ্রামের থেকে এসেছেন। আর গ্রামীণ জীবনের অংশ তো নৌকাই। এসব কারণে হয়তো তাঁরা নৌকাকে বেছে নিয়েছেন।

ধানের শীষ
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ধানের শীষ প্রতীক ব্যবহার করা হয় ১৯৭৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। দেশের দ্বিতীয় এই সংসদ নির্বাচনে জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতীক ছিল এটি। তবে ধানের শীষ প্রতীকে পাকিস্তান আমলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। পরবর্তী সময় ধানের শীষকে প্রতীক হিসেবে বেছে নেয় যুক্তফ্রন্ট থেকে বের হয়ে যাওয়া মাওলানা ভাসানীর ন্যাপ। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদের ন্যাপের আরেকটি অংশের প্রতীক ছিল কুঁড়েঘর। ভাসানী ন্যাপের বড় একটি অংশের যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে ১৯৭৮ সালে বিএনপির জন্ম হয়। এই অংশটির নেতৃত্ব ছিলেন মশিউর রহমান যাদু মিয়া।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলবিষয়ক গবেষক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ভাসানী ন্যাপের বড় অংশ যখন মশিউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিতে মিশে যায়, তখন বিএনপি ধানের শীষ প্রতীক নেয়। ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে মুসলিম লীগের শাহ আজিজও যোগ দেন। তবে যাদু মিয়ারাই বড় অংশ ছিলেন, তাঁরাই তাঁদের প্রতীক নিয়ে বিএনপিতে ঢুকে পড়লেন। জিয়াউর রহমান হয়তো তখন ধানের শীষ পছন্দ করেছিলেন।

অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন বলেন, জিয়াউর রহমান যখন বিএনপি করলেন, তখন তাঁর মনে হয়েছে নৌকার মতো তাঁকেও একটি সর্বজনীন প্রতীক বেছে নিতে হবে। সে জন্য নৌকার মতো ধানের ছড়াকে বেছে নিলেন। তবে ধান না করে ধানের শীষ নিলেন। ধানের শীষের মধ্যে একটি পোয়েটিক ভাব থাকে।

লাঙ্গল
উপমহাদেশের রাজনৈতিক বিবর্তনের ধারায় পড়েছিল লাঙ্গল। শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের অবিভক্ত ভারতের কৃষক প্রজা পার্টির লাঙ্গল ধরে ফেলে আতাউর রহমান খানের জাতীয় লীগ। পাকিস্তানে ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে তাঁর দল লাঙ্গল প্রতীকে অংশ নেয়। এইচ এম এরশাদের শাসনামলে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন আতাউর রহমান খান। তাঁর কাছ থেকে লাঙ্গল প্রতীকটি জাতীয় পার্টির জন্য পছন্দ করে ফেলেন এরশাদ।

আসলে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সব দলই নিজেদের গণমানুষের দল হিসেবে পরিচিত করাতে চায়। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিও তেমনই মনে করে। এ প্রসঙ্গে সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের আগে প্রতীকগুলো ওপেন ছিল। আইন ছিল আগে এলে আগে প্রতীক পাবেন। তারপরও অলিখিত নিয়ম ছিল এই দলকে ওই প্রতীক দিতে হবে। কিন্তু আইন অনুযায়ী এই প্রতীকগুলো অন্য দল চাইত, তাহলে নির্বাচন কমিশন সেটি দিতে বাধ্য থাকত। তবে বড় তিনটি দলের প্রতীকে একটি মিনিং আছে। তা হলো এরা পিপলস পার্টি, এলিট পার্টি নয়।

তাই এটা বলাই যায়, গ্রামের ভোটকে মাথায় রেখেই প্রতীক হিসেবে নৌকা, ধানের শীষ ও লাঙ্গলকে বেছে নেওয়া হয়েছে। মহিউদ্দিন আহমেদের মতে, তখনকার প্রেক্ষাপটে বেশির ভাগ ভোটার ছিলেন গ্রামীণ। গ্রামের মানুষ যেগুলোকে চেনে, ভুলে যাবে না, মনে রাখবে, যেগুলো গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে, সেগুলোকেই প্রতীক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। নৌকা, ধানের শীষ, লাঙ্গল প্রতীক তারই প্রমাণ।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...613

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :DHAKA

মনোনয়ন বঞ্চিত আ’লীগের আলোচিত তারকারা



রোববার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এ চিঠি দেওয়া শুরু হয়। এরইমধ্যে নির্বাচনের টিকিট পেয়েছেন বেশ কয়েকজন তারকা। এরমধ্যে প্রথমবার নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছেন চিত্রনায়ক ফারুক (ঢাকা-১৭), পুনরায় মনোনয়ন পেয়েছেন আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-৩) ও মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২)। এদিকে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে বঞ্চিত হয়েছেন অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী (ঢাকা-১৭), রোকেয়া প্রাচী (ফেনী-৩), তারিন জাহান (ঢাকা-১০), চিত্রনায়ক শাকিল খান (বাগেরহাট-৩), ডিপজল (ঢাকা-১৪), শমী কায়সার (ফেনী-৩), জ্যোতিকা জ্যোতি (ময়মনসিংহ-৩)। মনোনয়ন প্রসঙ্গে রোকেয়া প্রাচী বাংলানিউজকে বলেন, যে-ই মনোনয়ন পান না কেনো, আমি নৌকার হয়ে মাঠে থাকবো।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...611

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :DHAKA

কোন আসনে আওয়ামী লীগের কে মনোনয়ন পেলেন



সারা দেশে এখন বইছে নির্বাচনের হাওয়া। দলগুলোর মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর থেকেই অপেক্ষা ছিল ৩০০ আসনে কে দলের টিকিট পাচ্ছেন তা জানার। কোন দল আগে তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা দেবে তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা ছিল। অবশেষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগই প্রথম মনোনয়ন প্রাপ্তদের চিঠি দেয়া শুরু করল। কোন আসনে আওয়ামী লীগের কে মনোনয়ন পেলেন

আসন মনোনয়নপ্রাপ্তের নাম

ঢাকা-১ সালমান এফ রহমান ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু ঢাকা-৫ হাবিবুর রহমান মোল্লা/ কাজী মনিরুল ইসলাম মনু ঢাকা-৭ হাজী মোহাম্মদ সেলিম/ হাজী আবুল হাসনাত ঢাকা-১০ ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ঢাকা-১১ এ কে এম রহমতউল্লাহ ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল ঢাকা-১৩ সাদেক খান ঢাকা-১৪ আসলামুল হক ঢাকা-১৮ সাহারা খাতুন গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল গাজীপুর-৩ ইকবাল হোসেন সবুজ গাজীপুর-৪ শিমিন হোসেন রিমি গাজীপুর-৫ মেহের আফরোজ চুমকি কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম/ মসিউর রহমান হুমায়ুন কিশোরগঞ্জ-২ পুলিশের সাবেক আইজি নূর মোহাম্মদ কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা টাঙ্গাইল-১ ড. আব্দুর রাজ্জাক নরসিংদী-৩ জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন ফরিদপুর-১ মঞ্জুর হোসেন বুলবুল ফরিদপুর-৪ কাজী জাফরুল্লাহ মাদারীপুর-২ শাজাহান খান মাদারীপুর-৩ ড. আবদুস সোবহান গোলাপ মুন্সীগঞ্জ-৩ মৃণাল কান্তি দাস শরীয়তপুর-১ মো. ইকবাল হোসেন শরীয়তপুর-২ এনামুল হক শামীম চট্টগ্রাম-৯ ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আনিসুল হক কুমিল্লা-৫ আব্দুল মতিন খসরু কুমিল্লা-৭ অধ্যাপক আলী আশরাফ কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক চাঁদপুর-৩ ডাক্তার দীপু মনি নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের বান্দরবান (একটিই আসন) বীর বাহাদুর লক্ষীপুর-৩ এ কে এম শাহজাহান কামাল রাজশাহী-৪ এনামুল হক নাটোর-৩ জুনায়েদ আহমেদ পলক নাটোর-৪ আব্দুল কুদ্দুস পাবনা-১ মো. শামসুল হক টুকু সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম সিরাজগঞ্জ-৩ ডা. আব্দুল আজিজ খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস খুলনা-২ শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল খুলনা-৪ আব্দুস সালাম মুর্শেদী খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ খুলনা-৬ আকতারুজ্জামান বাবু কুষ্টিয়া-৩ মাহবুব-উল আলম হানিফ চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দার সেলুন চুয়াডাঙ্গা-২ আলী আজগর টগর ঝিনাইদহ-৪ মো. আনোয়ারুল আজীম (আনার) নড়াইল-২ মাশরাফি বিন মর্তুজা মাগুরা-১ সাইফুজ্জামান শিখর যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক সাতক্ষীরা-৪ এস এম জগলুল হায়দার বাগেরহাট-২ শেখ তন্ময় বরিশাল-১ আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ বরিশাল-৪ পঙ্কজ দেবনাথ বরিশাল-৫ জেবুন্নেসা আফরোজ/ কর্নেল জাহেদ ফারুক পটুয়াখালী-৩ এস এম শাহজাদা সাজু/ আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন ভোলা-২ আলী আজম ভোলা-৩ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন পিরোজপুর-১ শ ম রেজাউল করিম ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু ময়মনসিংহ-১০ ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল শেরপুর-৩ এ কে এম ফজলুল হক রংপুর-৬ শেখ হাসিনা লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জামালপুর-৫ ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর/ রেজাউল করিম হিরা গাইবান্ধা-২ মাহবুব আরা গিনি নেত্রকোনা-৩ অসীম কুমার উকিল

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...600

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-mail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Political
Location :DHAKA

ভোট ৩০ ডিসেম্বর ॥ পুনর্তফসিলের প্রজ্ঞাপন জারি



মনোনয়নপত্র দাখিল শেষ ২৮ নবেম্বর
বাছাই ২ ডিসেম্বর
প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষ ৯ ডিসেম্বর

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজনৈতিক দলগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ৭ দিন পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর রবিবার করা হয়েছে। একই সঙ্গে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ৯ দিন পিছিয়ে ২৮ নবেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার এক অনুষ্ঠানে নির্বাচন পেছানোর পুনর্তফসিলের সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা।

এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভোটের তারিখ পেছানোর সিদ্ধান্ত জানানোর পর কমিশন থেকে পুনর্তফসিলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত পুনর্তফসিলের প্রজ্ঞাপনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৮ নবেম্বর বুধবার নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ২ ডিসেম্বর রবিবার। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর রবিবার। নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর রবিবার। এতে বলা হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর দফা ১ অনুসারে নির্বাচনের তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। পুনর্তফসিলে প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রচারের সুযোগ পাচ্ছে ২১ দিন।

এর আগে গত ৮ নবেম্বর জাতির উদ্দেশে দেয়া টেলিভিশন ভাষণে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। প্রথম তফসিলে তিনি ২৩ ডিসেম্বর রবিবার একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। ওই তফসিলে মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয় ১৯ নবেম্বর, বাছাই ২২ নবেম্বর এবং প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ধরা হয় ২৯ নবেম্বর।

এদিকে কমিশনের ভোটের তারিখ পেছানোর এই সিদ্ধান্তকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ইসিকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনের তারিখ এক সপ্তাহ পেছানোর সিদ্ধান্তকে আওয়ামী লীগ সমর্থন করে। এই সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার শুধু নির্বাচন কমিশনের। এখানে আওয়ামী লীগের কিছু করার নেই। অপর দিকে নির্বাচনের তারিখ ৭ দিন পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করে পুনর্তফসিল দেয়ায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। সোমবার এক বিবৃতে বলেন, প্রধান নির্বাচন কআমাদের প্রস্তাব গ্রহণ করায় খুহয়ে। এদিকে সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি বলেছে, ইসির পুনর্তফসিলে কোন সমস্যা দেখছে না তারা।

এদিকে ইসির নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে বিএনপি বা ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে কোন আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়নি। তবে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, কমিশন সরকারী নির্দেশ পালন করছে। অপর দিকে জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব বলেছেন, নির্বাচন ৭ দিন পেছানোর মধ্যে তারা ষড়যন্ত্র দেখছেন। তারা এখনও নির্বাচন একমাস পেছানোর দাবিতে অনড় রয়েছেন।

যদিও ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে তফসিল ঘোষণার আগেই নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার দাবি করে আসছিল। এছাড়া বিকল্পধারার নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকেও তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেয়ার দাবি করা হয়। তফসিল ঘোষণার আগেই ঐক্যফ্রন্টের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তখন সাংবাদিকদের বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচন পরিচালনায় সংবিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ ইসির নেই। তাই তফসিল পেছানোর সুযোগ নেই ইসির। তবে রাজনেতিক দলগুলো একমত হলেও নির্বাচন দু’একদিন পিছিয়ে দেয়া যেতে পারে। এর আগে তিনি তফসিল ঘোষণায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে দেশে গণতন্ত্রকে সচল রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার বিবাদ মিটিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।

যদিও প্রথম তফসিল ঘোষণার পর ঐক্যফ্রন্ট এবং বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়। কিন্তু হঠাৎই দৃশ্যপট পাল্টে যেতে থাকে রবিবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একটি সিদ্ধান্তে। তারা ওইদিন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনও একমাস পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানান। ঐক্যফ্রন্টের পাশাপাশি বিকল্পধারার নেতৃত্বোধীন যুক্তফ্রন্টও ইসিকে চিঠি দিয়ে নির্বাচন এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেয়ার দাবি তোলে। জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে নির্বাচন পেছানোর এই দাবিতে বিরোধিতা করেনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট এবং এইচএম এরশাদের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোট। দলগুলোর নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার দাবির প্রেক্ষিতে রবিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন এ বিষয়ে সোমবার ইসির সিদ্ধান্ত জানানো হবে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএম মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি নির্বাচন ৭ দিন পিছিয়ে দেয়ার কমিশনের সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে সকালে নির্বাচন কমিশনের এক বৈঠকে পুনর্তফসিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই বৈঠকে নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর রবিবার এবং মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ২৮ ডিসেম্বর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

যদিও প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা পুনর্তফসিলের নির্বাচন ১ সপ্তাহ পিছিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তবে তার এই সিদ্ধান্তে এখনও খুশি হতে পারেনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ভোট গ্রহণের তারিখ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর করার পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ঐক্যফ্রন্ট তফসিল এক মাস পেছানোর দাবিতেই অনড় থাকবে। এ বিষয়ে তারা পরবর্তী কর্মসূচী দেবে। তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের একদিন পরেই ইংরেজী নববর্ষ। ওই সময় দেশে কোন কূটনীতিক ও বিদেশী পর্যবেক্ষক থাকবেন না। সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নির্বাচন বানচাল করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএম প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা ভোটের তারিখ পিছিয়ে ৩০ ডিসেম্বর করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে আরও বলেন, স্বস্তির বিষয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে কমিশন সোমবার এ বিষয়ে বৈঠকে বসেছিল। সভার সিদ্ধান্ত অনুযয়ী পুনঃতর্ফসিলে ভোট ৩০ ডিসেম্বর করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ২৮ নবেম্বর করা হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের নির্দেশ ॥ এদিকে একাদশ জতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আচরণবিধি প্রতিপালনে মাঠ পর্যয়ে নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসি এই নির্দেশনায় প্রতিটি উপজেলায় একজন, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রতি তিন থেকে চারটি ওয়ার্ডের জন্য একজন, সিটি কর্পোরেশন ছাড়া জেলা সদরে প্রতি পৌর এলাকায় এক থেকে দুইজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া পাবর্ত্য এলাকায় তিন থেকে চারটি উপজেলার জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। সোমবার ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় ভোটগ্রহণের পরদিন পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রাখার কথাও বলা হয়েছে।

এদিকে অপর এক নির্দেশনায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুমতি ছাড়া কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলি না করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে চিঠি দিয়েছে ইসি। শুক্রবার এ চিঠি মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাঠানো হয়। এছাড়া একই দিন স্বাক্ষরিত অপর এক চিঠিতে আগামী ১৫ নবেম্বরের মধ্যে বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনায় প্রচারসামগ্রী অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে ইসি। অন্যথায় এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------
Next 10 Records

Media STN

Kaliakair, Gazipur, Dhaka, Bangladesh.
http://www.selltoearn.com

প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

E-mail:selltoearnmoney@gmail.com

উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

কারিগরি সহযোগীতায় :
হেমাস আইটি http://www.selltoearn.com

E-mail: info@selltoearn.com

সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার Media STN