Home Page

Id No...588

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Whole Country
Location :DHAKA

বিদায় নিলেন বার্নিকাট



বাংলাদেশে প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালন শেষে নিজ দেশে ফিরে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট। শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশে আসেন বার্নিকাট। আর বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়েই ৩৭ বছরের চাকরি জীবন থেকে অবসর নিতে চলেছেন তিনি। মাত্র কয়েক দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের ন্যাশনাল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন মার্শা বার্নিকাট। গত মঙ্গলবার বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বার্নিকাট বলেন, সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে চলা এক অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশকে দেখে যাচ্ছি। বাংলাদেশিদের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো সারল্য। এই মানুষগুলোর কথা চিরদিন মনে থাকবে। আমি যেখানেই যাব সেখানে বাংলাদেশের সফলতার কথা বলব। এই দেশ ছেড়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে। এজন্য আমি বাংলাদেশকে ‘গুড বাই’ না বলে বাংলায় বলতে চাই, ‘আবার দেখা হবে’। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ইতিমধ্যে আর্ল রবার্ট মিলারের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী ১৮ নভেম্বর তিনি ঢাকায় আসবেন বলে জানা গেছে।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...543

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Whole Country
Location :COX`S BAZAR

কক্সবাজারগামী বিমানের জরুরি অবতণের ছবি



হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারগামী ইউএস-বাংলার বিএস-১৪১ ফ্লাইটটিতে ত্রুটি দেখা দেয়ায় সেটি কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করতে না পেরে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে।ফ্লাইটির অবতরণের পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি দিচ্ছেন। ফ্লাইটটির ল্যান্ডিং গিয়ার নামছিল না বলে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) রুমকে জানিয়েছেন ফ্লাইটের পাইলট।বুধবার দুপুরে প্রথম চেষ্টায় ফ্লাইটটি কক্সবাজার বিমানবন্দরে নামতে না পেরে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ (নোস ল্যান্ডিং) করে। অবতরণের পর ফ্লাইটটিকে ফায়ার ব্রিগেডসহ বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীরা ঘিরে রেখেছে।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...410

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 selltoearn.com@gmail.com
News Type : Whole Country
Location :DHAKA

ঈদ স্পেশাল ট্রেন আজ থেকে



কাঠফাটা রোদ, ভাপসা গরম আবার মুষলধারে বৃষ্টিসহ নানা দুর্ভোগ-ভোগান্তিকে সঙ্গী করেই ঘরমুখো লাখো মানুষ ঢাকা ছাড়ছেন। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার অদম্য বাসনায় কোনো ভোগান্তি, শঙ্কা তাদের থামাতে পারেনি। তবুও যাত্রী ভোগান্তি কিছুটা কমাতে প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদ স্পেশাল ট্রেন (বিশেষ ট্রেন) চালু করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার সকাল পৌনে ৯টায় দেওয়ানগঞ্জের উদ্দেশে প্রথম বিশেষ ট্রেনটি ছেড়ে গেছে। এবারই প্রথমবারের মতো ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটেও চলবে বিশেষ ট্রেন। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল সোয়া ৯টায় কমলাপুর থেকে লালমনিরহাটের উদ্দেশে একটি এবং রাত ১২টা ৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে একটি বিশেষ ট্রেন। রাত ১০টা ৫০ মিনিটে পার্বতীপুরের উদ্দেশে একটি এবং রাত সোয়া ৯টায় রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে একটি বিশেষ ট্রেন। খুলনা রুট ছাড়া বাকি রুটগুলোর বিশেষ ট্রেন ঈদের পর সাতদিন চলাচল করবে। ট্রেনগুলো ক্ষেত্র বিশেষে কয়েকটি স্টেশনে থামবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে রেলওয়ের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী বলেন, যাত্রীদের যাতে দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সেজন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে সব সময় ঈদ স্পেশাল সার্ভিস চালু করে। ১০ জুন থেকে স্পেশাল ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে, যা এখনও চলমান। ঈদের পর সাতদিন ধরে এই ট্রেন চলবে। এসব ট্রেনের ফিরতি টিকিট নিজ নিজ স্টেশনে পাওয়া যাবে বলেও জানান তিনি।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...381

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Whole Country
Location :GAZIPUR

সিলিন্ডার গ্যাসের আগুনে পিতাপুত্রসহ আহত ৪



গাজীপুর দর্পণ রিপোর্ট : গাজীপুরের কালিয়াকের উপজেলার সফিপুরে রান্না করার সিলিন্ডার গ্যাসের আগুনে পিতাপুত্রসহ চারজন দগ্ধ হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- রাশেদুল হাসান ওরফে রাসেল (২৮), তার শিশু ছেলে রাকিব হাসান রাফি (৬), স্থানীয় দোকানের দুই কর্মচারী দুলাল চন্দ্র (৫০) এবং মনির হোসেন (৩৮)। স্থানীয়রা জানান, রাশেদ সফিপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার সাইদুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় মাহমুদ ডেনিম কারখানায় শ্রমিক পদে কাজ করেন। রান্নার জন্য মঙ্গলবার তিনি সফিপুর বাজার থেকে গ্যাস সিলিন্ডার ওই ভাড়া বাড়িতে নেন। কিন্তু তা তিনি জ্বালাতে পারে নি। পরে বুধবার ওই দোকান থেকে দুজন কর্মচারি বাসায় আনেন। গ্যাসের চূলা জ্বালানোর চেষ্টা করার এক পর্যায়ে সকাল ১১টার দিকে গ্যাস লিকেজ হয়ে তাতে আগুন ধরে যায়। এতে সেখানে থাকা রাশেদুলসহ ওই ৪ জন দগ্ধ হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই বাচ্চু মিয়া জানান, আগুনে রাসেলের শরীরের ১৭ শতাংশ, রাকির হাসানের ১১ শতাংশ, দুলাল চন্দ্র ও মনির হোসেনের ১০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছে।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...379

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Whole Country
Location :CHATTOGRAM

সাংবাদিক লাঞ্ছিত করায় ২ ট্রাফিক সার্জেন্ট ক্লোজড



চট্টগ্রাম: নগরের আগ্রাবাদের বাদামতল মোড়ে স্যাটেলাইট টেলিভিশন নিউজটোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপারসন আহাদুল ইসলাম বাবুকে লাঞ্ছিত করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. মশিউর রহমান ও তার সহযোগীরা। শুক্রবার (৮ জুন) বিকাল সাড়ে ৬টায় আগাবাদ বাদামতলী মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ক্যামেরা পারসন আহাদুল ইসলাম বাবু ও গাড়ির চালক আজিম উদ্দিনকে বাঁচাতে গিয়ে সার্জেন্ট মো. মশিউর রহমানের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছে নিউজটোয়েন্টিফোরের স্টাফ রিপোর্টার নয়ন বড়ুয়া জয়। সাংবাদিক নয়ন বড়ুয়া জয় বাংলানিউজকে বলেন, আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ে সার্জেন্ট মো. মশিউর রহমান আকস্মিকভাবে এসে আমাদের গাড়ির চালককে নামিয়ে মারধর শুরু করেন। ক্যামেরা বের করায় আমাদের ক্যামেরাপারসন আহাদুল ইসলাম বাবুকেও বেদম মারধর ও গালিগালাজ করে এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। আমি তাদের বাঁচাতে গেলে আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মো. মশিউর রহমান ও সাখাওয়াত এবং তাদের সহযোগীরা।

ঘটনাস্থলে সাংবাদিক নেতারা সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার খবর শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সাবেক সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও মোস্তাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) যুগ্ম মহাসচিব তপন চক্রবর্তী , সিইউজের সাবেক সহ সভাপতি নিরূপম দাশগুপ্ত, সিইউজের নির্বাহী সদস্য উত্তম সেনগুপ্ত, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লতিফা আনসারী রুনা, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, টিভি ক্যামরা পারসন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শফিক আহমেদ সাজিব, সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম বাবুসহ সাংবাদিক নেতা ও কর্মরত সাংবাদিকরা। ঘটনাস্থলে ট্রাফিক পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সাংবাদিক নেতারা ঘটনাস্থলে জড়ো হওয়ার পরপর ছুটে আসেন ট্রাফিক পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) ফাতিহা ইয়াছমিন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর-পশ্চিম) ছত্রধর ত্রিপুরা, ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত‍া একেএম মহিউদ্দিন সেলিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা সাংবাদিক নেতাদের জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত সার্জেন্ট মো. মশিউর রহমান ও সাখাওয়াতকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্লোজড করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ সময়: ২০১০ ঘণ্টা, জুন ০৮, ২০১৮ এসকে/টিসি

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...349

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Whole Country
Location :SIRAJGANJ

সিরাজগঞ্জে বাস-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ৪



বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সায়দাবাদ পুনর্বাসনের ফেঞ্চিগেইট এলাকায় বাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে ৪ বাসযাত্রী নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত ১৯ যাত্রী আহত হয়েছেন। হতাহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার রাত পৌনে ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে কাভার্ডভ্যান চালক আরিফের নাম পাওয়া গেলেও হতাহত আর কারও পরিচয় জানা যায়নি। বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ শহীদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে গাইবান্ধাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস ওই কাভার্ডভ্যানকে ওভারটেক করার সময় দুটি যানবাহনই উল্টে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান এক নারীসহ ৩ বাসযাত্রী এবং আহত হন অন্তত ২০ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যায়। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনকও বলে জানান ওসি।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...348

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Whole Country
Location :DHAKA

রাজধানীতে ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে



ঈদকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন কেনাকাটার জায়গা নিউমার্কেট। সর্বস্তরের মানুষের পদচারণায় সাইন্সল্যাব এলাকা থেকে শুরু করে নীলক্ষেত-নিউমার্কেট এলাকার মার্কেটগুলোর ভেতরে সর্বত্র মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। কেননা সাশ্রয়ী মূল্যে পছন্দসই পণ্য কিনতে নিউমার্কেটের কদর রয়েছে। গতকাল শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় এ ভিড়ের মাত্রা বেড়েছে বলে জানিয়েছে বিক্রেতারাসহ আগত আসা ক্রেতারা। শুধুমাত্র ঢাকার নয়, ঢাকার আশপাশের গাজীপুর, সাভার এমনকি মানিকগঞ্জ থেকে অনেকে পরিবার নিয়ে এসেছেন ঈদের কেনাকাটা করতে। ঢাকার বাইরের মানুষদের পদচারণাই বেশি লক্ষ্য করা গেছে। কড়া রোদের তাপদাহ না থাকায় কিছুটা স্বস্তি নিয়ে মার্কেটে ঘুরতে দেখা গেছে ক্রেতাদের।

মানিকগঞ্জ থেকে নিউমার্কেটে পুরো পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছেন শফিকুল বাহার। বাস থেকে বলাকা সিনেমা হলের সামনে নেমেই তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করছেন কোনোদিক থেকে শুরু করবেন? উত্তরে গাউছিয়া থেকে কেনাকাটা শুরু করার সায় দিয়ে এগিয়ে যান। কথা বলতে চাইলে শফিকুল বলেন, অনেক আগে থেকেই টার্গেট করে রেখেছিলাম আজকে ঈদের শপিং করতে আসবো। কারণ আমি ব্যবসায়ী। ঈদের আগে সময় পাবো না। তাছাড়া গাবতলীর জ্যাম শুরু হওয়ার আগে কেনাকাটা সেরে নেওয়াও একটি লক্ষ্য। নিউমার্কেট এলাকায় একসঙ্গে সবই সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায় তাই ঈদের শপিংটার জন্য এই জায়গাটাই শ্রেয়।

এদিকে নিউমার্কেট এলাকার বাইরের ভিড়ের জন্য ট্রাফিক কন্ট্রোল করতে গিয়েও হিমসিম খেতে হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশকে। কখনও ঘটে যাচ্ছে বিচ্ছিন্ন ছোট ছোট দুর্ঘটনা। তেমনই হঠাৎ করে একটি প্রাইভেটকার একজন পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে চলে গেছে। মাথা ফেটে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ সদস্যরা নিয়ে গেলো হাসপাতালে। তৎক্ষণাৎ এরকম সেবা দিতে নিউ সুপার মার্কেটের উল্টো পাশে রয়েছে পুলিশ কন্ট্রোল রুম। এই এলাকার নিরাপত্তার বিষয়ে নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আতিকুর রহমান জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে এই এলাকায় অনেক মানুষ আসেন কেনাকাটা করতে। এ সময় ভিড়ের মধ্যে অনেক সময় ছিনতাইসহ বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটে। সে ব্যাপারে আগত ক্রেতাদের পুরোপুরি নিশ্চিন্ত রাখতে আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য এ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছি। আশা করি এবার কোনো দুর্ঘটনার খবর শোনা যাবে না। অতিরিক্ত গাড়ি বিশেষ করে প্রাইভেটকারের চাপের জন্য ট্রাফিক পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নিউমার্কেটের বাইরের পরিস্থিতির সঙ্গে ভেতরের পরিস্থিতির কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে। ভেতরে কোথাও অনেক ভিড় আবার কোথাও একেবারে চাপ কম লক্ষ্য করা গেছে। এর কারণ হিসেবে রফিক ট্রেডার্সের বিক্রেতা রবিন বলেন, ঢাকা শহরের মানুষ পুরোপুরি এখনও আসা শুরু করেনি।

আর তারা না এলে নিউমার্কেটে উপচেপড়া ভিড় দেখা যাবে না। এখনকার বেশিরভাগ ক্রেতা ঢাকার বাইরের। এর একমাত্র কারণ এখনও তেমন কেউ বেতন পায়নি। তবে অন্যান্য দিনের চেয়ে বা গত শুক্রবারের চেয়ে চাপ বেশি। তবে চাপ আরও বাড়বে আর দুই তিনদিন পর থেকে। মার্কেটে নারীদের পোশাক সামগ্রী শাড়ি, থ্রি-পিস, শিশুদের পোশাক, থান কাপড়ের দোকান, জুয়েলারি শপ, ব্যাগ, স্যান্ডেল-জুতা, শিশুদের খেলনাসহ ঘর সাজানোর বিভিন্ন পণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহার্য পণ্যের সমাহার। আছে দর্জির দোকান। এছাড়া নিউমার্কেট এলাকার বাইরে সাইন্সল্যাব হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত ফুটপাত জুড়ে রয়েছে হকারদের দৌরাত্ম্য। তবে হকারদের ব্যবসাও জমে ওঠেনি বলে জানিয়েছেন তারা। কাঁধে করে ব্যাগ বিক্রি করছিলেন সুমন। কাঁধে করে ব্যাগ বিক্রি করছিলেন সুমন। তিনি জনান, এহনও বেচা-বিক্রি শুরু হয় নাই। মাইনষে বেতন পাইলে আইবো। এহন খালি ছুটির দিনে আগের চেয়ে ভালা বিক্রি হয়। বেশি কথা বলার সময় নাই জানিয়ে আবারও এক ব্যাগ ২শ টাকা বলে হাকডাক দিতে দিতে আবার এগিয়ে গেলো তিনি।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...327

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Whole Country
Location :GAZIPUR

গাজীপুর শহরে ভিক্ষাবৃত্তি বাড়ছে



গাজীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি বাড়ছে। সামাজিক নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন কর্মসূচি না থাকায় ভিক্ষুকের ভিক্ষাবৃত্তি জাতীয় জীবনে অন্তরায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে। শহরের সরকারি বেসরকারি অফিসের বারান্দা, রাস্তা, মসজিদ ও দোকান সহ এমন কোন জায়গা নেই যেখানে ভিক্ষুক দেখা যায় না। অন্ধ, পঙ্গু, বোবা, রুগ্ন এবং বিভিন্ন ধরণের ভিক্ষুক দেখা যায়। তারা ভিক্ষা করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকার অঙ্গভঙ্গি, চিৎকার, গান, ছলনা, প্রতারণা ও প্রবঞ্চনার আশ্রয় নেয়। জীবন যতই কঠিন হচ্ছে ভিক্ষুকের ভিক্ষাবৃত্তির ধরণ ততই পাল্টাচ্ছে। এদের মধ্যে প্রকৃত ভিক্ষুক, কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট ভিক্ষুক, মৌসুমী ভিক্ষুক, উত্তরাধিকারী ভিক্ষুক, অভাবী ভিক্ষুক, কর্মবিমূখ ভিক্ষুক ও ব্যবসায়ী ভিক্ষুক সহ বহু ধরণের ভিক্ষুক দেখা যায়।

গাজীপুর শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শত শত ভিক্ষুক জনবহুল এলাকায় ভিক্ষার জন্য অর্থ প্রার্থনা করছে। ভিক্ষা করে জীবনধারণ করতে সাহায্য চাওয়ার ঘটনায় সাধারন মানুষ বিরক্ত হতে দেখা গেছে। বিনা পরিশ্রমে মানুষের করুণা ও দয়া হাত পেতে গ্রহণ করে জীবিকা অর্জণ যেন পেশায় পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন সরকারী অফিসের বারান্দায় ও অফিসের প্রবেশ পথে, মসজিদের সামনে এবং চায়ের ষ্ট্রল বা দোকানের আশপাশে ভিক্ষুকরা সাহায্য প্রার্থনা করছেন। গাজীপুর শহরের রেলক্রসিংয়ের যানজটে আটকে থাকা প্রাইভেটকার ও রিক্সায় ভিক্ষা করতে দেখা যায় অনেক ভিক্ষুকদের। নাছরবান্দা এসব ভিক্ষুকদের পীড়াপিঁড়িতে মানুষ বিরক্ত। তবে জেলায় কি পরিমান ভিক্ষুক আছে এ তথ্য গুলো সরকারি সংস্থার কাছে নেই।

গত শুক্রবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন মসজিদে জুমার নামাজের পর প্রায় অর্ধশত ভিক্ষুককে মসজিদের সামনে ভিক্ষুকরা সাহায্য প্রার্থনা করতে দেখা গেছে। নারী, শিশু ও বয়স্ক দু:স্থ্য মানুষদের ভিক্ষার জন্য হাত বাড়িয়ে রাখকে দেখা গেছে। এদের মধ্যে পঙ্গু ও রোগাক্রান্ত অসহায় মানুষরাও মুসল্লিদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছেন। নামাজ শেষে কথা হয় গাজীপুর শহরের বাসিন্দা জিল্লুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, ইদানিং গাজীপুর শহরে ভিক্ষুকের সংখ্যা বেড়ে গেছে। ভিক্ষুককে সাহায্য দেয়ার জন্য পকেটে হাত দিলে মূহুর্তেই আশপাশ থেকে ভিক্ষুকরা ঝড়ো হয়। এটি একটি জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে, ভিক্ষাভিত্তি বন্ধ করতে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কার্যক্রম চালু করা দরকার বলে মত দেন তিনি। সিটি কর্পোরেশন মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব মাও: কাউসার আহমাদ হাবিবী জানান, ধর্মীয় দৃষ্টিতে ভিক্ষাবৃত্তি নিষেদ। এটি সন্মানের পেশা নয়। সুজন গাজীপুর জেলা সভাপতি অধ্যাপক মুকুল কুমার মল্লিক এবিষয়ে বলেন, দরিদ্র মানুষরা ভিক্ষা করে। তবে কিছু মানুষ অতিরিক্ত আয় রোজগারের জন্যও ভিক্ষাবৃত্তি করে থাকে। মসজিদে আসা ধনীরা সোয়াবের আশায় দান করে থাকেন। আদালত চত্তরে অনেক ভিক্ষুক দেখা যায়, বিচার প্রার্থীরা ন্যায় বিচার পাওয়ার আসায় মুক্তহস্তে ভিক্ষুকদের দান করে থাকেন। হাত পেতে ভিক্ষা নেয়া সন্মানের পেশা নয়। ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে মসজিদের ইমাম কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা সচেতনতা সৃষ্টি করতে বয়ান করতে পারেন। এছাড়া ভিক্ষাবৃত্তির কুফল তুলে ধরে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে প্রচারনা চালাতে পারে। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর জেলা সমাজসেবা বিভাগকে ভিক্ষুক পুনর্বাসনের জন্য জরিপ কার্যক্রম চালাতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে গাজীপুর জেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করার পদক্ষেপ হিসেবে মসজিদকেন্দ্রিক প্রচারণা চালাতে এবং বাস্তবায়নে গুরুত¦সহকারে কার্যকর ভুমিকা রাখতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন গাজীপুরের উপ পরিচালককে দায়িত্ব দিয়েছেন। জেলা প্রশাসন সুত্র জানায়, গাজীপুরকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন গাজীপুরের উপ পরিচালক মো: মহিউদ্দিন গাজীপুরে ভিক্ষাবৃত্তি বেড়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি নিরুৎসাহীত করতে জেলার মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষকদের বলা হয়েছে। তবে ফান্ড না থাকায় মসজিদে মসজিদে ব্যানার ও লিফলেট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গাজীপুর সমাজসেবা উপ পরিচালক শঙ্কর সরণ সাহা এ প্রতিবেদককে বলেন, জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভার এরকম কোনো সিদ্ধান্তের কথা আমার জানা নেই। ইউনিয়ন পরিষদ জরিপ করার কথা। খোঁজ নিয়ে এবিষয়ে পরে আপনাকে জানাতে পারবো।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...324

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Whole Country
Location :DHAKA

ইসলাম পরিবারের দিকে কোন দৃষ্টিতে দেখে? পুরুষ, নারী ও শিশুদের ভূমিকাকে কিভাবে দেখে?



ইসলামে পরিবার গঠন, নিয়ন্ত্রণ ও সংরক্ষণ সম্পর্কে জানার আগে আসুন আমরা একটু জেনে নিই ইসলাম পূর্ব যুগে পরিবার ব্যবস্থা কেমন ছিল এবং আধুনিক পাশ্চাত্যে পরিবার ব্যবস্থা কেমন?

ইসলাম পূর্বযুগে পরিবার ব্যবস্থা অত্যাচার ও অবিচারের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। সেখানে সব অধিকার ছিল পুরুষদের। আরেকটু বিশুদ্ধভাবে বললে: সব অধিকার ছিল প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষদের। স্ত্রী কিংবা মেয়ে ছিল অত্যাচারিত ও লাঞ্ছিত। এর উদাহরণ হচ্ছে- যদি কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে জীবিত রেখে মারা যেত তখন এ স্বামীর অন্য স্ত্রীর সন্তানেরা এ নারীকে বিয়ে করতে পারত এবং এ নারীর উপর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারত কিংবা এ নারীকে অন্য কোথাও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া থেকে বাধা দিতে পারত। শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষেরা উত্তরাধিকার সম্পত্তি পেত; নারী ও শিশুরা কোন অংশ পেত না। নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ছিল দুর্নাম ও অবমাননাকর; সে নারী মা হোক, মেয়ে হোক, কিংবা বোন হোক। কারণ নারীরা বন্দি হওয়ার সম্ভাবনা থাকত। কোন নারী বন্দি হলে সেটা ছিল তার পরিবারের জন্য দুর্নাম ও অবমাননাকর। এ কারণে মানুষ তার দুগ্ধপোষ্য মেয়ে শিশুকে জীবন্ত কবর দিত। আল্লাহ্‌ তাআলা এ প্রসঙ্গে বলেন: “তাদের কাউকে যখন কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয় তখন তার মুখমণ্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণায় ক্লিষ্ট হয়। তাকে যে সুসংবাদ দেয়া হয়, তার গ্লানির কারণে সে নিজ সম্প্রদায় হতে আত্মগোপন করে। সে চিন্তা করে হীনতা সত্ত্বেও কি তাকে রেখে দেবে, নাকি মাটিতে পুঁতে ফেলবে। সাবধান! তারা যা সিদ্ধান্ত করে তা কত নিকৃষ্ট!”[সূরা নাহল, আয়াত: ৫৮]

বৃহৎ অর্থে পরিবার বলতে বুঝাত- গোত্র; এ গোত্র গড়ে উঠত একের উপর অন্যে বিজয় লাভ করার মাধ্যমে; এমনকি সে বিজয় অন্যায়ভাবে হলেও। ইসলাম আগমন করার পর এসব অন্যায়কে মুছে দিয়ে ন্যায়ের ভিত্তি স্থাপন করে। প্রত্যেককে তার প্রাপ্য অধিকার প্রদান করে। এমন কি দুগ্ধপোষ্য শিশুকে তার অধিকার প্রদান করে। অকালপ্রসূত ভ্রূণের অধিকারও নিশ্চিত করে; ভ্রূণের প্রতি সম্মানপ্রদর্শন ও ভ্রুণের জানাযার নামায আদায় করার মাধ্যমে।

বর্তমানে কেউ যদি পাশ্চাত্যের পরিবারগুলোর দিকে নজর দেয় তাহলে দেখবে পাবে পরিবারগুলোর অবস্থা নড়বড়ে ও নাজুক। পিতামাতা সন্তানদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। না চিন্তার জগতে, আর না চারিত্রিক ক্ষেত্রে। ছেলে: সে যেখানে ইচ্ছা সেখানে যাবে, যা ইচ্ছা তাই করবে। অনুরূপ অবস্থা মেয়ের ক্ষেত্রেও। স্বাধীনতা ও অধিকারের নামে মেয়ে যার সাথে ইচ্ছা তার সাথে আড্ডা দিবে, যার সাথে ইচ্ছা তার সাথে ঘুমাবে। ফলাফল কী? ফলাফল হচ্ছে- নড়বড়ে পরিবার, বিয়ে বহির্ভূত শিশুদের জন্ম, (বয়স্ক) পিতামাতার সেবাযত্মহীন জীবনযাপন। জনৈক জ্ঞানী লোক বলেছেন: যদি আপনি এ সমাজের আসল চিত্র দেখতে চান তাহলে জেলখানায় গিয়ে দেখুন, হাসপাতালে যান , কিংবা ওল্ড হোমগুলো ভিজিট করুন। সন্তানেরা তাদের পিতামাতাকে উৎসব ও উপলক্ষ ছাড়া চিনে না।

দেখা যাচ্ছে, অমুসলিমদের কাছে পরিবার প্রথা ভগ্নপ্রায়। ইসলাম আগমন করার পর পরিবারের ভিত মজবুত করা, পরিবারকে ক্ষতিকারক সবকিছু থেকে হেফাযত করা এবং পারিবারিক বন্ধনকে মজবুত রাখার ওপর অত্যন্ত গুরুত্ব আরোপ করেছে। এর সাথে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে:

ইসলাম নারীকে মা হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, বোন হিসেবে মর্যাদাবান করেছে। মা হিসেবে নারীকে মর্যাদাবান করেছে। দলিল হচ্ছে আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: “এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে এসে বলল: ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌! আমার সদ্ব্যবহার পাওয়ার বেশি অধিকার কার? তিনি বললেন: তোমার মায়ের। লোকটি বলল: এরপর কার? তিনি বললেন: তোমার মায়ের। লোকটি বলল: এরপর কার? তিনি বললেন: তোমার মায়ের। লোকটি বলল: এরপর কার? তিনি বললেন: তোমার পিতার।”[সহিহ বুখারী (৫৬২৬) ও সহিহ মুসলিম (২৫৪৮)]

ইসলাম মেয়ে হিসেবেও নারীকে সম্মানিত করেছে: আবু সাঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তির তিনজন মেয়ে, কিংবা তিনজন বোন কিংবা দুইজন মেয়ে বা দুইজন বোন রয়েছে, সে যদি এদের সাথে ভাল ব্যবহার করে এবং এদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌কে ভয় করে চলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”[সহিহ ইবনে হিব্বান (২/১৯০)]

ইসলাম স্ত্রী হিসেবেও নারীকে সম্মানিত করেছে: আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম যে তার পরিবারের কাছে উত্তম। আমি আমার পরিবারের কাছে উত্তম।”[সুনানে তিরমিযি (৩৮৯৫), ইমাম তিরমিযি হাদিসটিকে হাসান বলেছেন]

ইসলাম নারীকে মিরাছ ও অন্যান্য অধিকার প্রদান করেছে। ইসলাম অনেক বিষয়ে নারীকে পুরুষের সমান অধিকার দিয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “নারীরা পুরুষদের মত (আখলাক ও প্রকৃতির ক্ষেত্রে)”।[সুনানে আবু দাউদ (২৩৬) কর্তৃক আয়েশা (রাঃ) এর হাদিস, আলবানী সহিহ আবু দাউদ গ্রন্থে (২১৬) হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন]

ইসলাম নারীর ব্যাপারে ওসিয়ত করেছে, নারীকে স্বামী নির্বাচন করার স্বাধীনতা দিয়েছে। সন্তান প্রতিপালনের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের বড় অংশ নারীর উপর অর্পন করেছে।

ইসলাম পিতামাতার ওপর সন্তান লালনপালনের গুরু দায়িত্ব আরোপ করেছেন:

আব্দুল্লাহ্‌ বিন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন যে, “তোমরা প্রত্যেকে দায়িত্বশীল। প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। শাসক দায়িত্বশীল; তাকে তার অধীনস্থদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হবে। পুরুষ তার পরিবারে দায়িত্বশীল; তাকে তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। স্ত্রী তার স্বামীর ঘরের দায়িত্বশীল। তাকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কাজের লোক তার মালিকের সম্পদের দায়িত্বশীল। তাকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তিনি আরও বলেন: আমি এ কথাগুলো রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি।[সহিহ বুখারী (৮৫৩) ও সহিহ মুসলিম (১৮২৯)]

ইসলাম পিতা-মাতাকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা, তাদের সেবাযত্ম করা এবং মৃত্যু অবধি তাদের আনুগত্য করার নীতি প্রতিষ্ঠা করার প্রয়াশ চালিয়েছে। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন: “আর আপনার রব আদেশ দিয়েছেন তিনি ছাড়া অন্য কারো ইবাদত না করতে ও মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে। তারা একজন বা উভয়ই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদেরকে ‘উফ’ বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না। তাদের সাথে সম্মানসূচক কথা বল।”[সূরা বনী ইসরাইল, আয়াত: ২৩]

ইসলাম পরিবারের ইজ্জত, সম্মান, পুতঃপবিত্রতা ও বংশ ধারা সুরক্ষা করেছে। ইসলাম বিয়ে করার প্রতি উৎসাহ জাগিয়েছে। কিন্তু, নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশাতে বাধা দিয়েছে। ইসলাম পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। পিতা-মাতার দায়িত্ব হচ্ছে— লালনপালন, ইসলামী প্রতিপালন। সন্তানদের দায়িত্ব হচ্ছে পিতামাতার কথা শুনা ও আনুগত্য করা এবং ভালোবাসা ও সম্মানের ভিত্তিতে পিতামাতার অধিকারগুলো সংরক্ষণ করা। ইসলামে পারিবারিক এ মজবুতির সবচেয়ে বড় সাক্ষ্য হচ্ছে ইসলামের শত্রুদের সাক্ষ্যবাণী।

আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------

Id No...323

Name : Selltoearn.com
E-mail :1 selltoearnmoney@gmail.com
E-maail :2 info@selltoearn.com
News Type : Whole Country
Location :DHAKA

রাজধানীসহ সারা দেশে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৯



রাজধানীসহ সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযানকালে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নয়জন নিহত হয়েছেন। রোববার দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত বন্দুকযুদ্ধে রাজধানীর মিরপুরে একজন, কুমিল্লায় দুজন, পিরোজপুরে দুজন, সাতক্ষীরায় দুজন, চাদঁপুরের ফরিদগঞ্জে একজন, ঝিনাইদহে একজন, নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহতরা মাদক ব্যবসায়ী। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর: রাজধানী : মিরপুরে ডিবি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ অজ্ঞাত পরিচয়ে (৫০) এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে নিহত ওই ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী। রূপনগর থানার এসআই মিজানুর জানান, রূপনগরে সরকারী কর্মচারীদের জন্য নির্মাণাধীন ভবনে মাদক কেনাবেচা হচ্ছে-এমন খবর পেয়ে ডিবি (পশ্চিম) বিভাগের একটি দল দিবাগত রাত ৩টার দিকে সেখানে অভিযান চালায়। মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালায়। ডিবিও পাল্টা গুলি চালালে একপর্যায়ে তারা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ৪টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা ও ১টি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। কুমিল্লা : কুমিল্লায় পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এনামুল হক (দোলন) ভূইয়া (৩৫) এবং নুরু নামের (৫৫) দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত দুজন মাদক ব্যবসায়ী। রোববার দিবাগত রাতে জেলার দেবিদ্বার উপজেলা পশ্চিম ভিংলাবাড়ি এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা এলাকায় এ দুটি ঘটনা ঘটে। দেবিদ্বারে নিহত দোলন উপজেলার ভিংলাবাড়ি (মির্জানগর) গ্রামের মৃত আবদুল্লাহ ভূইয়ার ছেলে এবং সদর দক্ষিণে নিহত নুরু উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে। দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক উদ্ধার করতে পুলিশের একটি দল উপজেলার পশ্চিম ভিংলাবাড়ি এলাকায় গোমতী বাঁধে অবস্থান নেয়। সেখানে মাদক ব্যবসায়ী দোলনসহ তার সহযোগীরা পৌঁছলে তাদের আটকের চেষ্টা করা হয়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী দোলনসহ তার ওপর সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষায় ২৩ রাউন্ড শাটগানের গুলি চালায়। এতে দোলন গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে দোলনের মৃত্যু হয়। ওই অভিযানে এসআই যুবরাজ বিশ্বাস, পুলিশ সদস্য গনেশ, মনির ও রাজ্জাক আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি পাইপগান, ১০ কেজি গাঁজা ও ১০০ পিস ইয়াবা। নিহত দোলনের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার ও মুরাদনগর থানায় ১২টি মাদকের মামলা রয়েছে। অপর দিকে সদর দক্ষিণ থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, মাদক বিরোধী অভিযানকালে উপজেলার সীমান্তবর্তী গলিয়ারা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী নুরু ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও গুলি চালালে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ হয় নুরু। তাকে গুরুতর আবস্থায় উদ্ধারের পর কুমেক হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক নুরুকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় ২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে। নিহত নুরু স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ে তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে ১১টি মাদক ও একটি অস্ত্র মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি। পিরোজপুর: পিরোজপুরে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ওহিদুজ্জামান (৩৫) ও মিজানুর রহমান (৩৪) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। নিহত মাদক ব্যবসায়ী ওহিদুজ্জামান নেছারাবাদ উপজেলার দক্ষিণ কৌরিখাড়া গ্রামের মৃত আ. রহমানের ছেলে । পিরোজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিএম আবুল কালাম আজাদ জানান, রোববার দুপুরে পিরোজপুর পৌরসভার উত্তর কৃষ্ণ নগর এলাকা থেকে ওহিদুজ্জামানকে পিরোজপুর ডিবি পুলিশের একটি দল গ্রেফতার করে। তার দেয়া তথ্যানুযায়ী রাত পৌনে ১টার দিকে সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নের টোনা ব্রিজ সংলগ্ন কৈবর্তখালী গ্রামে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে গেলে ওহিদুজ্জামানের সঙ্গীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এসময় অহিদুজ্জামানকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে তারা। পরে ডিবি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে ডিবি পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। এসময় মাদক ব্যবসায়ী ওহিদুজ্জামান পালাতে গেলে গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এসময় ডিবি পুলিশের এএসআই আল-আমিন ও ডিবি পুলিশ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, ৫ রাউন্ড গুলি, দুটি বগি দা, ১৭৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫০ গ্রাম গাঁজা, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদক, সন্ত্রাসী, অস্ত্র মামলাসহ মোট ৮টি মামলা রয়েছে। মঠবাড়িয়া থানার ওসি গোলাম ছরোয়ার জানান, রোববার দিবাগত রাতে মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। রাত পৌনে ২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর ডাকাতেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। দুই পক্ষের গোলাগুলিতে মিজানুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন। এ সময় মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল আমিন, উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম, তসলিমুর রহমান ও নূর আমিন, সহকারী উপপরিদর্শক ইয়ার আলী ও আবুল হাসান আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দেড় কেজি গাঁজা, ৫৫ পিচ ইয়াবা বড়ি ও চারটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও মাদকের ছয়টি মামলা রয়েছে। সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার বাঁকালে অজ্ঞাত পরিচয় দুই ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি তারা মাদক ব্যবসায়ী। মাদক ভাগাভাগি নিয়ে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলি করে নিহত হয়েছে ওই দুজন। সোমবার ভোরে সাতক্ষীরা ভোমরা সড়কের বাঁকালের আগুনপুর গ্রামে রাস্তার পাশ থেকে ওই লাশ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ। সদর থানার উপপরিদর্শক প্রবীর কুমার দাস জানান, ভোরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। লাশ দুটির দেহে একটি করে গুলির চিহ্ন রয়েছে। তাদের পরনে ছিল লুঙ্গি ও গেঞ্জি। মাত্র ১০ গজের ব্যবধানে পড়ে থাকা লাশ দুটির পরিচয় জানাতে পারেনি কেউ। তিনি বলেন, পাশেই পাওয়া গেছে একটি ওয়ান শুটারগান ও ১০৫ বোতল ফেনসিডিল। এ ছাড়া মদের খালি বোতলও পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা মাদকের ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। নিজেদের মধ্যে গোলাগুলির এক পর্যায়ে দুজন নিহত হন। ময়না তদন্তের জন্য লাশ দুটি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর): চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে পিচ্চি হান্নানের সহযোগী ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আবু সাঈদ বাদশা ওরফে লাল বাদশা (৪৫) নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। সোমবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নে বৈচাতরী এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বাদশা একই উপজেলার ১০নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব গোবিন্দপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ ছৈয়ালের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় ৭টি, চাঁদপুর সদরে ২টি, চট্টগ্রামে ১টিসহ ১০টি মাদক মামলা রয়েছে। ফরিদগঞ্জ থানার ওসি শাহ্ আলম জানান, রাত ১০টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে লাল বাদশাকে তার বাড়ির সামনে থেকে মাদক বিক্রির সময় ১১১ পিছ ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে পুলিশের একটি দল অভিযানে বের হয়। গুপ্টি ইউনিয়নের চাঁদপুর সেচ প্রকল্প বাঁধেরর বৈচাতরী এলাকায় গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের ওপর হামলা ও গুলি চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয় আবু সাঈদ ওরফে লাল বাদশা। আহত অবস্থায় তাকে ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাদশাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ নিহতের কাছ থেকে ১১১ পিছ ইয়াবা এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, ৩টি ককটেল, ৪ রাউন্ডগুলি উদ্ধার করে। ঘটনার সময় পুলিশের এএসআই বাবুল, সুমন, সুমন চৌধুরী, কনস্টেবল আশরাফ ও দেলোয়ার আহত হন। ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় মাদক ব্যবসায়ীদের দুই গ্রুপের মধ্যে কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হয়েছেন। রোববার রাত সোয়া ১টার দিকে উপজেলার জাড়গ্রামের শ্মশান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি জেলা শহরের পাগলাকানাই সড়কের মৃত মোহম্মদ আলীর ছেলে ফারুক আহম্মেদ বলে দাবি করেছে তার ছোট ভাই ফরিদ আহম্মেদ। মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুইদল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলিতে নিহতের এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ। তিনি বলেছেন, রাতে গোলাগুলির খবর পেয়ে টহল পুলিশের একটি দল সেখানে যায় এবং রাতেই নিহত ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি দাবি করেন, নিহত ব্যক্তি একজন মাদক ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল,ম্যাগজিনসহ ২ রাউন্ড গুলি, আধা কেজি গাঁজা ও ২০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

Source: Plz, click here to show
--------------------------------
Next 10 Records

স্বাধীনকথা মিডিয়া

Kaliakair, Gazipur, Dhaka, Bangladesh.
http://www.selltoearn.com

প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

E-mail:selltoearnmoney@gmail.com

উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

কারিগরি সহযোগীতায় :
হেমাস আইটি http://www.selltoearn.com

E-mail: info@selltoearn.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত স্বাধীনকথা মিডিয়া