Home Page

Offer Id: 919
Company Name: Selltoearn.com
Contact No.: 01823660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: IT/Telecommunication
Location: Anywhere in Bangladesh
Offer Title: DRESS SEO কি ? মানুষ কিভাবে আপনার লেখা/পোস্টটি খুব সহজে দেখবে??

Offer Details:

DRESS SEO কি ? মানুষ কিভাবে আপনার লেখা/পোস্টটি খুব সহজে দেখবে??

DRESS SEO কি ? মানুষ কিভাবে আপনার লেখা/পোস্টটি খুব সহজে দেখবে??

DRESS SEO এর সম্পূর্ণ মানে হল-
D=Direct Address Wise Website Browsing/SMS/Leaflet/Visiting Card etc.
R=Referral Website Browsing/Display Ads via Website Browsing
E=Email Via Website Browsing
S=Social Site Via Website Browsing
S=Search Engine Via Website Browsing
সুতরাং এই DRESS SEO হল একটি আংশিক Off page SEO (Search Engine Optimization) আপনার কোন পোস্ট/লেখা অথবা ভিডিও যদি আপনি অনলাইনে প্রচার করে থাকেন এবং যদি আপনি চান তা অনেক মানুষ দেখুক তাহলে উপরের DRESS SEO পদ্ধতিটি আপনাকে অনুসরণ করতে হবে।

Direct Method:

1. অর্থাৎ সেই পোস্ট/লেখাটিকে আরও প্রমোট করার জন্য আপনাকে প্রিন্ট মিডিয়ার সাহায্য নিতে হবে। টিভি/রেডিও/মাইকিং (সাউন্ড) মিডিয়ার সাহায্যেও আপনি আপনার ওয়েবসাইট বা ওয়েব এড্রেসের ব্যাপারে প্রমোশন করতে পারেন।

Referral Method/Display Ads Method:

2. আপনি চাইলে ব্যাকলিং ক্রিয়েট করা এবং অন্য কোন স্বনামধন্য ওয়েব সাইটের সাহায্যে আপনার ওয়েব এড্রেসের লিংক একটি বেনার এড অথবা ডিসপ্লে এডের মাধ্যমে আপনার ওয়েব এড্রেসের ট্রাফিক বাড়াতে পারেন।

Email Method:

3. ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে কাস্টমারের কাছে আপনার বিজনেস প্রোপোজাল পাঠিয়ে আপনি আপনার ওয়েব এড্রেসের ট্রাফিক বাড়াতে পারেন।

Social Site Method:

4. সামাজিক যোগাযোগের জন্য অনেক সাইট রয়েছে যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন ইত্যাদি এখানে ফ্রি একাউন্ট খুলতে হবে।এবং সেখানে আপনার পোস্টটি শেয়ার করতে হবে তাহলে কাস্টমার ঐ লিংকের মাধ্যমে আপনার ওয়েব ঠিকানায় ভিজিট করবে।

Search Engine Method:

5. এই প্রক্রিয়াটি কিছুটা অন পেজ এসইও এর আওতাভুক্ত কেননা এখা্নে গুগল কিংবা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের কিছুটা নির্দেশনা অনুসারে আপনার ওয়েব পেজকে অপটিমাইজ বা সাজাতে হয়। যেমন: টাইটেল, মেটা টেগ, হেডার ওয়ান - হেডার সিক্স, গুগলের নিকট থেকে প্রাপ্ত সাইট ভেরিফিকেশন কোড ইত্যাদি। এই কাজগুলো সম্পাদন হলে গুগলে সার্চ করা মাত্রই আপনার ওয়েব ঠিকানাতে চলে আসবে কাস্টমার আর এভাবেই আপনি আপনার সাইটের ট্রাফিক বাড়াতে পারবেন।

নোট: সর্বোপরি একটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে যে, আপনার লেখা বা কনটেন্টটি যেন একটি ইউনিক বা ব্যাতিক্রমধর্মী হয় আর তা থেকে একজন ক্লায়েন্ট বা পাঠক যেন সম্পূর্ণ সমাধান পান তাহলে গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন আপনার লেখাটিকে তার প্রথম পেইজের সর্ব প্রথমে দেখাতে বাধ্য।

এবার আসা যাক কিভাবে গুগলের প্রথম পেজে নিজের সাইট বা ব্লগ নিয়ে আসবেন:

একজন প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বা ব্লগ লেখক মাত্রই তার স্বপ্ন থাকে যে, তার লিখা গুগলে সার্চ করলে প্রথম পেইজে দেখাক। কারণ একজন লেখকের স্বার্থকতা তার লিখা পড়া এবং সেটা থেকে টাকা ইনকাম করার উপর নির্ভর করে। বেশি মানুষ লিখা পড়বে অর্থাৎ যত বেশি ট্রাফিক হবে তার ওয়েবসাইট বা ব্লগে ততই ইনকাম। তাই স্বভাবতই মনে প্রশ্ন আসে কি কৌশল অবলম্বন করলে মানে কিভাবে লিখলে গুগলে প্রথম পেইজে ওয়েবসাইট বা ব্লগকে নিয়ে আসা যায়?

আর তাই কী-ওয়ার্ড রিসার্চের পর আমাদের আজকের আলোচনা সময় উপযোগী খুবিই গুরত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে আর তা হলো; কীভাবে গুগলের প্রথম পেইজে আপনি আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ নিয়ে আসবেন তা নিয়ে?

আপনার ওয়েবসাইট আছে কিংবা আপনি ব্লগ লিখেন কিন্তু আপনার লিখা কি করে গুগলে রেঙ্ক করাবেন তার কৌশল আপনার জানা নেই এটা অনেকটা ঢাল তলোয়ার ছাড়া যুদ্ধ করার মতন। তাহলে যুদ্ধে যাওয়া আর ওয়েবসাইট বা ব্লগ লিখা আপনার জন্যে একিই রকম। কারণ এখানে আপনার হার নিশ্চিত।

গুগলে র্যা ঙ্ক করার মাধ্যমেই আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ গুগলে প্রথম পেইজে আসে। যার ফলে একজন কাঙ্খিত ব্যক্তি ইন্টারনেট সার্চ করা মাত্রই গুগল তার প্রথম পেইজে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটি দেখবে। বিভিন্ন ধরণের সাইটের মধ্যে যেমনঃ গুগল, পিপীলিকা, আস্ক ডটকম, গিফি, লাইব্রেরিজ ডট আইও, বিং ইত্যাদি। তবে এদের মধ্যে গুগল হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন। তাই যারা লিখালিখি করেন বা নিজস্ব ওয়েবসাইট চালিয়ে টাকা ইনকাম করতে চান তাদের জন্যে গুগল হতে পারে একটা সেরা প্ল্যাটফর্ম।

এখন প্রশ্ন আসে গুগল কেন বা কী করে আপনার পেইজের লিখাকে প্রথমে নিয়ে আসবে ?

প্রতিযোগিতার এই বাজারে টিকে থাকতে হলে অন্যান্য মানুষ যা ভাবছে তার চেয়ে একটু ডিফারেন্ট অ্যাংগেলে ভাবতে হবে আপনাকে। স্রোতের উল্টো পথে হাটতে হবে আপনাকে, তাহলেই আপনি সফল হতে পারবেন। যেমনঃ গুগলে কীভাবে লিখলে পেইজ র্যাং কিংয়ে আসবে তার চেয়ে বেটার হয় যদি আপনি এভাবে ভাবেন যে,

গুগল কোন ধরণের লিখাকে ফার্স্ট পেইজে দেয়? কি কি বিষয় তারা দেখে?

গুগলে প্রথম পেইজে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ আসার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। আপনি ঠিক মত কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করেছেন কিনা, এসইও বেইজড কিনা, গুগল ফ্রেন্ডলি কিনা এগুলোর উপর। আমরা আজকে ধাপে ধাপে সবগুলো নিয়ে আলোচনা করব। যেই সব ওয়েবসাইট বা ব্লগের সাথে সার্চকৃত ব্যক্তির কী-ওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি রিলেভেন্ট হয় গুগল সাধারণত ওই সব লিখাকে ফার্স্ট পেইজে দেয়। অর্থাৎ যেই ব্যক্তি সার্চ করলো, তার সাথে

আপনার লিখার কী-ওয়ার্ড বেশি মিলে গেলে তখন গুগল ওই পেজকে ফার্স্টে রাখবে।

আবার যদি এমন হয় যে, সার্চকৃত ব্যক্তির কী-ওয়ার্ডের সাথে একমাত্র আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে লিখা থাকে অন্য কোন ওয়েবসাইট বা ব্লগে লিখা না থাকে তাহলেও গুগল আপনার পেইজ কে ফার্স্ট পেইজে দেখাবে।

তবে কম্পিটিটিভ এই বাজারে অনেকেই একিই টপিকে লিখে থাকে। তাহলে আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে সেই ক্ষেত্রে গুগল কোন ওয়েবসাইট বা ব্লগকে সর্ব প্রথমে নিয়ে আসে বা ফার্স্ট পেইজে দেখায়? এটা খুবিই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।

সেই ক্ষেত্রে গুগল একটা নির্দিষ্ট অ্যালগরিদমে কাজ করে। এই অ্যালগরিদমকে আবার কনট্রোল করে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার সাইটে ঠিকমত অপটিমাইজেশন করতে পারেন তাহলে গুগল নামক সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ আসার সম্ভাবনার হার বেশি থাকবে।

এখন প্রশ্ন আসে এই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? Or, What is SEO?

এসইও (SEO) সম্পর্কে আমাদের পূবের আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত বলা রয়েছে। তার পরও বলছি, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট বা ওয়েবপৃষ্ঠাকে অনুসন্ধান ইঞ্জিন ব্যবহারকারীদের

অনুসন্ধান ফলাফলের তালিকায় প্রথম দিকে দেখানোর চেষ্টা করা বা সর্বোচ্চকরন করা যাতে এটি অনুসন্ধান করলে ফলাফলে প্রায়শই দেখা যায়। তবে এই এসইও কোন একক কাজ নয় বরং একটি সমন্বিত পদ্ধতি বলা যায় কারণ বহুক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকে এটি।

সাধারণত একটি অনুসন্ধান ইঞ্জিনের ওয়েব স্ক্রলার বা সার্চ রোবট বা সার্চ স্পাইডার প্রায় সবসময় ওয়েবে থাকা একটি ওয়েবপৃষ্ঠা অন্য ওয়েবপৃষ্ঠায় ও একই ভাবে এক ওয়েবসাইট থেকে অন্য ওয়েবসাইটে ঘুরে বেড়ায়।

এই রোবট বা স্পাইডা্র বা স্ক্রলারসমূহ কাজ হলো বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে নিদির্ষ্ট শ্রেণীতে সজ্জিত করা, অতঃপর অনুসন্ধান ইঞ্জিন ব্যবহারকারীর খোজকৃত শব্দ বা শব্দগুচ্ছ মানে keyword অনুসারে অনুসন্ধান ইঞ্জিনের ফলাফল পাতায় প্রদর্শন করে। তবে এই ক্রলার বিভিন্ন বিষয়ের উপর গুরুত্ব প্রদান করে। বিষয় সমূহকে তিন ভাগে শ্রেণীবদ্ধ করা যায়।

১.পৃষ্ঠার মধ্যে, ২. প্রযুক্তিগত এবং ৩.পৃষ্ঠার বাইরে।

পৃষ্ঠার মধ্যে বা ওয়েবসাইটের ভিতরকার এসইওর বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল; পৃষ্ঠার ভিতরের এসইও কে অনলাইন এসইও বলা হয়। তার মানে অনলাইনে মাধ্যমে কি করে আপনার পেইজে সার্চ বাড়তে পারে। কি করে সবচেয়ে বেশি মানুষ আপনার লিখা পড়বে। ● যা লিখবেন সেই ওয়েবসাইটের শিরোনাম বা নাম
● ওয়েবসাইটের মোটা বিবরণ মানে বোল্ড করে দেওয়া
● ওয়েবসাইটের মোটা কিওয়ার্ড ট্যাগ অর্থাৎ বিশেষ লিখাগুলোকে আলাদা করে বোল্ড করা
● ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর শিরোনাম বা নাম
● ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর অল্ট ট্যাগ
● ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলোর ক্যাপশন
● ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পৃষ্ঠার মধ্যে অন্তঃসংযোগ
● ওয়েবসাইটের সাথে অন্য ওয়েবসাইটের বহিসংযোগ।
● সংযোগকৃত শব্দ ইত্যাদি

প্রযুক্তিগত এসইওর বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল;

প্রযুক্তিগত এসইও (SEO) আপনি যেই সাইটে লিখবেন সেই সাইটের গতি, মোবাইল-বান্ধব, ইনডেক্সিং, ক্রাউলাবিলিটি, সাইট আর্কিটেকচার মানে সাইটাকে আপনি ডেভেলআপ করেছেন, কাঠামোবদ্ধ উপাত্ত এবং নিরাপত্তা বিষয়গুলো খেয়াল করে থাকে।

পৃষ্ঠার বাহিরে বা ওয়েবসাইটের বাহিরের এসইওর বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল;

পৃষ্ঠার বাহিরের এসইও কে অফলাইন এসইও বলা হয়। তার মানে হলো আপনি আপনার ওয়েবসাইটের বা ব্লগের লিংক বিভিন্ন পেইজে বা গ্রুপে বা আপনার ফেইসবুকে শেয়ারের মাধ্যমে আপনি আপনার পেইজের রিচ বাড়াতে পারেন মানে আপনার পেইজে ট্রাফিক বাড়বে।

উপরের সবগুলো বিষয় নিশ্চিত করে ওয়েবসাইটকে অনুসন্ধান করে তা ইঞ্জিনের কাছে দৃষ্টিগোচর করার কাজটিই এসইও'র মূল কাজ পরিগণিত হয়। এছাড়াও ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন অনুসন্ধান ইঞ্জিনের কাছে সমর্পণ, বিভিন্ন সম্ভাবনাময় ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন স্থাপন বা আদান-প্রদান ইত্যাদির মাধ্যমেও এসইও কাজ করে থাকে।

সম্প্রতি অনুসন্ধান ইঞ্জিনগুলো যেকোন ওয়েবপৃষ্ঠা বা ওয়েবসাইটের সামাজিক প্লাটফর্মের ওপর গুরুত্ব দিয়ে র্যাং কিং প্রদান করছে। এক্ষেত্রে যে ওয়েবপৃষ্ঠা বা সাইটের সামাজিক প্লাটফর্ম যত উন্নত সে সাইটটি অনুসন্ধান ইঞ্জিনের প্রথম দিকে থাকার সম্ভবনা তত বেড়ে যায়, গুগল ওই ওয়েবসাইট বা ব্লগ গুলোকেই সামনে নিয়ে আসে।

এবারে keyword নিয়ে আলোচনা করা যাক। কী-ওয়ার্ড নিয়ে আমাদের পেইজে পূর্বেই সম্পূর্ণ একটি ব্লগ আপলোড করা রয়েছে, আপনি সেটি পড়লে পুরো ধারণা পেয়ে যাবেন। সংক্ষিপ্ত করে আমি এখানে আলোচনা করছি। লিখার আগে আমাদের টপিক সিলেক্ট করতে হয়। টপিক আপনি ইচ্ছেমত সিলেক্ট করতেই পারেন কিন্তু কেমন হয় যদি আপনি ইউজার কি চায় এর উপর ভিত্তি করে টপিক সিলেক্ট করেন তারপর লিখেন? ভাবছেন কি করে জানবেন ইউজার কি চায়?

ভয় নেই, Google Trends সহ আরও বেশ কিছু সাইট রয়েছে (আমাদের পূর্বের ব্লগে এর নাম দেওয়া আছে) যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারেন এই মুহূর্তে মানুষ কি বেশি সার্চ করে দেখছে। যেই শব্দ দিয়ে সার্চ করছে তাই কী-ওয়ার্ড (keyword), আর এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি হলো কী-ওয়ার্ড রিসার্চ (keyword research)।

গুগল অ্যানালিটিক্স ( what is google analytics)।

গুগলের একটি সেবা রয়েছে যেখানে কিনা আপনি আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ সম্পর্কিত বিভিন্ন ডেভেলপমেন্ট তথ্য পেয়ে থাকবেন অর্থাৎ আপনার পেইজকে উন্নত করার তথ্য পেয়ে থাকবেন একেই গুগল অ্যানালিটিক্স বলা হয়। ধরুণ আপনার ওয়েবসাইট বা লিখাতে সঠিক কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন, এসইও ব্যবহারও ঠিকমত করেছে তা স্বত্ত্বেও আপনার লিখা গুগলে প্রথম পেইজে আসছে না তখন গুগল অ্যানালিটিক্স আপনাকে সাহায্য করবে।

গুগল এনালিটিক্স হল এমন একটা প্লাটফর্ম যেটি ওয়েব থেকে ডেটা কালেকশন করে, অতঃপর সেই ডেটা সমুহকে রিপোর্ট আকারে প্রকাশ করে, যাতে যা যা সমস্যা আছে তা বোঝতে পারা যায় সহজেই।
এবার আপনি যদি আপনার ওয়েবপেইজের সমস্যা গুলো দেখতে চান বা আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইট ডেটাকে এনালিটিক্স রিপোর্ট আকারে পেতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে, গুগল অ্যানালিটিক্স সাহায্য করবে।

তবে সেই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই গুগল অ্যানালিটিক্স একটি একাউন্ট খুলতে হবে এবং ছোট্ট একটা ট্রাকিং কোড আপনার ওয়েব পেইজে যুক্ত করে নিতে হবে । এরপর গুগল অ্যানালিটিক্স এর কাজ হবে আপনার সাইট ভিজিট করা এবং ইন্সটল করা ঐ কোডটি সকল ইউজারের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে অ্যানালিটিক্স রিপোর্ট আকারে প্রদান করবে। যেমনঃ কি পরিমানে ট্রাফিক হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটে, বাউন্স রেট কত, কোন রিজিয়নের মানুষের বেশি দেখে আপনার লিখা, দেশ নাকি দেশের বাহিরের মানুষ বেশি দেখে আপনার লিখা ইত্যাদি।

এই উপরের সকল বিষয় গুলো গুরত্বের সাথে করার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে ইউজার ফ্রেন্ডলি করতে পারেন। ইউজার ফ্রেন্ডলি করার অর্থই হলো, যখনই কোন ইউজার এই একিই তথ্যের জন্যে গুগলে সার্চ করবে তখন তারা সহজেই আপনার লিখা পেয়ে যাবে অর্থাৎ পেতে কোন সমস্যা হবে না।

পরিশেষে…

আপনি তখনই লিখবেন যখন আপনি সেটা থেকে বেনিফিটেড হবেন। তার একজন ইউজার তখনই আপনার লিখা পড়বে যখন সে এখানে আপনার লিখা পড়ে উপকৃত হবেন। তাই তথ্য সমন্বিত লিখার পাশাপাশি আপনার উচিত আপনার ওয়েবসাইটকে মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্যে উপরের কৌশলগুলো যথাযথভাবে অবলম্বন করা। তা না হলে মানুষ আপনাকে কেয়া সুপের মত ইউটিউবে দেখে স্বরণ করবে, ব্যবহার আর করতে পারবে না। আর যদি কৌশলি হোন তাহলে লাক্সের মত ব্যবহার করে স্বরণ করবে। শুভকামনা রইলো।
Offer Source: Plz, click here to show



মিডিয়া এসটিএন**** info@selltoearn.com***

মিডিয়া এসটিএন

Kaliakair, Gazipur, Dhaka, Bangladesh.
https://www.selltoearn.com

প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

E-mail:selltoearnmoney@gmail.com

উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

কারিগরি সহযোগীতায় :
হেমাস আইটি http://www.selltoearn.com

E-mail: info@selltoearn.com

মিডিয়া এসটিএন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার মিডিয়া এসটিএন