Home Page

Selltoearn.com Latest Offer
Offer Id: 917
Company Name: Selltoearn.com
Contact No.: 01823660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: Education/Training
Location: Anywhere in Bangladesh
Offer Title: বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষাঅর্জন করার অভিনব ব্যবস্থা করলো বিবিসি । বিবিসি সিভিলাইজেশন্স এআর কি ? ঘরে বসে উপভোগ করুন 3D আকারে প্রদর্শিত পৃথিবীর সকল বিষ্ময়কর স্থাপনা ও প্রতিকৃতি ।

Offer Details:

বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষাঅর্জন করার অভিনব ব্যবস্থা করলো বিবিসি । বিবিসি সিভিলাইজেশন্স এআর কি ? ঘরে বসে উপভোগ করুন 3D আকারে প্রদর্শিত পৃথিবীর সকল বিষ্ময়কর স্থাপনা ও প্রতিকৃতি ।

বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষাঅর্জন করার অভিনব ব্যবস্থা করলো বিবিসি । বিবিসি সিভিলাইজেশন্স এআর কি ? ঘরে বসে উপভোগ করুন 3D আকারে প্রদর্শিত পৃথিবীর সকল বিষ্ময়কর স্থাপনা ও প্রতিকৃতি ।

আপনার স্মার্ট ফোনের প্লে স্টোরে গিয়ে এই লেখা দিয়ে সার্চ করুন: bbc civilisations ar

যে এ্যাপসটি পাবেন তা ইনস্টল করুন আপনার মোবাইলে। আর তার পরই উপভোগ করতে পারবেন এবং সেই সাথে শিক্ষা অর্জনও করতে পারবেন United Kingdom দেশটির BBC (British Broadcasting Corporation) কর্তৃক তৈরীকৃত একটি খুবই প্রয়োজনীয় এ্যাপস্ BBC Civilisations ar (BBC কর্তৃক তৈরীকৃত সভ্যতার একটি Augmented Reality (উদ্দীপিত বাস্তবতা) অর্থাৎ খুবই নিঁখুত এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন প্রদর্শনী যা কিনা অধিকাংশ মিউজিয়ামগুলোতে রয়েছে। মানুষ এখন ঘরে বসেই এই নিঁখুত প্রদর্শনীগুলো আরও কাছ থেকে উপভোগ করতে পারবে।

২০১৮ সালের স্প্রিং এর শেষের দিকে বিবিসি এই এ্যাপটির যাত্রা শুরু করে। তার পর থেকে সমগ্র পৃথিবীতে এই এ্যাপসটি ব্যবহার ব্যপকভাবে বেড়ে যায়। ইউজারগণ খুবই আগ্রহের সাথে খুব সহজে এ্যাপসিটি তাদের স্মার্ট ফোনে ব্যবহার করতে পারেন।এখন পর্যন্ত এই এ্যাপসটি ১ লক্ষেরও অধিক ডাউনলোড হয়েছে।

বর্তমানে এই এ্যাপসটিতে আপনি পাবেন ৫টি সেকশনে ৪১টি স্থাপনা ও প্রতিকৃতির প্রদর্শনী। তবে সময়ের সাথে সাথে এর সংখ্যা ও পরিধি বৃদ্ধি পাবে। আর একটি মজার বিষয় হল আপনি অফলাইনেও অথার্ৎ কোন ডাটা (এমবি) খরচ না করেও এটি আপনার মোবাইলে চালাতে পারবেন এবং শিক্ষা অর্জণ করতে পারবেন।যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ৩০ টি জাদুঘরের সাথে এবং নেক্সাস স্টুডিও nexusstudios.com এর সহযোগীতা বিবিসি এই এ্যাপসের যাত্রা শুরু করে। এই এ্যাপসি এক্স-রে ফিচার নামের একটি ফিচার নিয়ে এসেছে যেখানে কোন প্রাণি বা কোন স্থাপনার অভ্যন্তরের অংশ পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

এবং এটি ধারনা করা যায় যে, ভবিষ্যতে এর আরও অনেক উন্নত ফিচার আসবে যা ইউজার অরিএন্টেড অর্থাৎ যার কিছু কার্যক্রম ইউজারদে হাতে অর্পন করা যেতে পারে। বর্তমান যুগ হচ্ছে প্রযুক্তির যুগ। এই যুগে মানুষ খুব অল্প সময়ের মধ্যে খুব দ্রুত অনেক বেশি কার্য সম্পাদন করতে পারেন প্রযুক্তি ব্যবহার করে।তাই প্রযুক্তির এই দুনিয়ায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আরও অনেক অভিনব এ্যাপস্ তৈরী করছে যা মানব সভ্যতার জন্য অতিব প্রয়োজনীয়। ঠিক তেমনি আরও কিছু প্রয়োজনীয় এ্যাপস্ এবং শিক্ষামূলক ওয়েবসাইটের ঠিকান নিচে দেয়া হল:

https://www.selltoearn.com/website/education.php
https://www.selltoearn.com/website/it.php
https://www.selltoearn.com/website/arts.php
https://www.selltoearn.com/website/religion.php
https://www.selltoearn.com/website/design.php
https://www.selltoearn.com/facetube/English/eng.html
https://www.selltoearn.com/facetube/latest/lat.html

বিবিসি সিভিলাইজেশন্স এআর হতে পারে বিশ্বখ্যাত মিউজিয়ামগুলোকে গৃহবন্দী করার অভিনব উপায়:

ধরুন, আপনি আপনার এনড্রয়েড ফোনটি দিয়েই ব্রিটিশ মিউজিয়ামের অসাধারন সব শিল্পকর্ম দেখছেন। কিন্তু এগুলোকে গুগল ইমেজের একটি দ্বিমাত্রিক ছবি হিসেবে দেখছেন না।বরং আপনার ঘরেরই কোন একটি টেবিলের উপর রাখা ত্রিমাত্রিক একটি মডেল হিসেবে দেখছেন! শুধু তাই না, এগুলোকে নেড়ে চেড়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এমনকি ভিতরের কলকব্জা খুলে নিয়ে দেখছেন। যেটা বাস্তবিক জগতে করা আমাদের মত সাধারন মানুষের জন্য করা একেবারেই সম্ভব ছিল না। কিন্তু “বিবিসি সিভিলাইজেশন এআর”- এই অসাধারন অগমেন্টেড রিয়েলিটি প্রযুক্তিবিশিষ্ট এপ্লিকেশনটি সেই সুবিধাগুলোই পৌছে দেবে আপনার কাছে। “অগমেন্টেড রিয়েলিটি” এই বিষয়টির সাথে আমরা তেমন পরিচিত না হলেও এর ব্যবহার কিন্তু আমরা কম বেশি সবাই করেছি। ছবি এডিটিং করতে গিয়ে তাতে বিভিন্ন অবজেক্ট যুক্ত করছি কিংবা স্ন্যাপচ্যাটে বিভিন্ন ইফেক্টে বিভিন্ন অবজেক্ট যুক্ত করে বা পরিবর্তন করে আমরা ছবি তুলেছি। আবার জিপিএস ব্যবহার করে আমাদের অবস্থানের আশেপাশের বিভিন্ন রেস্ট্যুরেন্ট বা দোকানপাট এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে জেনেছি। এসবগুলোই অগমেন্টেড রিয়েলিটি নামক প্রযুক্তিটির সুফল। আজকে অগমেন্টেড রিয়েলিটি নয় বরং এরই একটি অভিনব এপ্লিকেশন বিবিসি সিভিলাইজেশন্স এরআর নিয়ে কথা বলব।

এনড্রয়েড ফোনের জন্য গুগল প্লে স্টোর থেকে নিচের এ লিঙ্ক থেকে এ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে পারবেন। বিবিসি সিভিলাইজেশন্স এআর এপ্লিকেশন লিঙ্কঃ

https://play.google.com/store/apps/details?id=uk.co.bbc.civilisations

অগমেন্টেড রিয়েলিটির সমস্ত বৈশিষ্ট্যই এর মধ্যে বিদ্যমান। এর ফিচারগুলোও চমৎকার।বিশ্বখ্যাত শিল্পকর্মগুলো একদিকে যেমন উপভোগ করা যায় আরেকদিকে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। এমনকি মিউজিয়াম পরিদর্শনের অনুভূতি দিতে এখানে ম্যাজিক স্পটলাইট বলে একটি অপশন আছে যেখানে অডিও শুনতে পারবেন শিল্পকর্মগুলো সম্পর্কে। এক্স রে একটি অভিনব ফিচার যেখানে শিল্পকর্মের ভিতরের অংশ দেখতে পারবেন। অনেকেরই মিউজিয়াম সাইন্স নিয়ে প্রচন্ড কৌতুহল থাকে আর এ এপটি তাদের জন্য একটি বড় মাপের সুযোগ তাদের কৌতুহল মিটাবার। নেক্সাস স্টুডিও এই এপটি ইউনিট ওয়ারের সহায়তায় প্রস্তুত করেছে। ইউনিট ওয়্যার বর্তমানে অগমেন্টেড রিয়েলিটি এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রস্তুতিতে মার্কেটপ্লেসে বেশ ভালো একটি অবস্থানে আছে। বিবিসির অন্যতম দুই সিজনবিশিষ্ট ডকুমেন্টারি ফিল্ম বিবিসি সিভিলাইজেশন্স থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই সাধারন মানুষের কাছে এর উপযোগিতা বাড়াতে এ এআর এপটি তৈরি করা হয়েছে। বিবিসির প্রথম এআর সফটওয়্যার বিবিসি সিভিলাইজেশন্স এআর প্রস্তুতির নেপথ্যে আছে লন্ডনের ৩০টিরও বেশি জাদুঘর। এছাড়া বিবিসি আর এন্ড ডি, বিবিসি আর্টস এগুলোতো আছেই।

এটা তৈরি করার জন্য ২৮০টিরও বেশি শিল্পকর্ম বা মিউজিয়াম অবজেক্ট সংগ্রহ করা হয় সারাবিশ্বের ৫০টিরও বেশি মিউজিয়াম থেকে। সবশেষে মোট ৪০টি শিল্পকর্ম বাছাই করা হয় এ এপটি বানানোর জন্য। বিভিন্ন পরিমাপ করে এগুলোর ত্রিমাত্রিক স্ক্যান শেষে বিভিন্ন সেন্সরি যুক্ত করে বাজারজাত করা হয় এ এপটি।

এই এপের অন্তর্ভূক্ত কতগুলো চমৎকার শিল্পকর্ম হলো- Mummy in Egyptian Coffin, Corinthian Helmet, The Kiss by Rodin, Rosetta Stone ইত্যাদি।

যেহেতু এআর প্রযুক্তিটির প্রতিদিনই একটু করে আপডেটেড হচ্ছে সেহেতু এই এপটিও এখনো চলমান পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আশা করা যায় এই এপটি আরো চমৎকার কিছু মানুষকে উপহার দেবে এবং বিশ্বকে ঘরে বসে আরো নিঁখুতভাবে জানার পথকে আরো সুগম করবে। পরবর্তীতে আরো কিছু চমৎকার টেকনোলজি নিয়ে লিখব। সে পর্যন্ত সাথে থাকুন।


Offer Source: Plz, click here to show
Offer Id: 916
Company Name: Selltoearn.com
Contact No.: 01823-660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: IT/Telecommunication
Location: Anywhere in Bangladesh
Offer Title: What is Pegasus || আপনার কম্পিউটার, লেপটপ, মোবাইল কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন ||

Offer Details:

What is Pegasus || আপনার কম্পিউটার, লেপটপ, মোবাইল কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন ||

What is Pegasus

আপনার কম্পিউটার, লেপটপ, মোবাইল কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন

What is Pegasus ||

পেগাসাস কি ?

পেগাসাস শব্দটা এসেছে গ্রিক মিথোলজি থেকে। যার অর্থ দাঁড়ায় সাদা রঙের ঘোড়া যার পাখা আছে, তাকে ডাকা হয় পেগাসাস। কিন্তু নেট দুনিয়ার বর্তমানে বহুল আলোচিত আজকের এই পেগাসাস এসেছে একটি স্পাইওয়ার হিসেবে। এটি এমন একটি মারাত্নক সফটওয়্যার, যেটা আপনার ফোনে যদি কেউ ভরে দিয়ে থাকে তাহলে আপনার ফোনে রাখা সব তথ্য চলে যাবে সেই অন্যের হাতে। আপনি জানতেও পারবেন না!

এই স্পাইওয়ার ফোনে থাকলে আমাদের কি ক্ষতি করতে পারবে?

এই স্পাইওয়ার মোবাইলে ঢুকে আপনার কথা রেকর্ড করতে পারবে, জিপিএস ট্র্যাক করে আপনার লোকেশন জানতে পারবে, গোপনে আপনার ক্যামেরা অন করতে পারবে, মেসেজ পড়তে পারবে, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দেখতে পারবে, সব পাসওয়ার্ড জেনে নিতে পারবে। মোটকথা আপনার সবকিছুই চলে যাবে তার হাতে। সে কারণেই পেগাসাসকে বলা হচ্ছে দুনিয়ার সবচেয়ে খতরনাক বা ভয়ানক সফটওয়্যার। ইন্টারনেট দুনিয়ায় এর থেকে বড় কেলেঙ্কারি আর আসেনি কখনো। কিন্তু অনেক লোকের এখনও অজানা কী হচ্ছে নেট দুনিয়ায়! কী এই পেগাসাস স্ক্যাম? ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো তার মোবাইল পরিবর্তন করে ফেলেছেন এই স্পাইওয়ারের কারণে। এই কেলেঙ্কারিতে তার নাম উঠে এসেছে শিকার হিসেবে। বিশ্বের অনেক দেশে এখন এই পেগাসাস স্ক্যাম নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

কিন্তু বাংলাদেশে এখনও পেগাসাস নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য নেই! সম্ভবত আমরা অনেকে বিগত কয়েক বছরে ফোন ফাঁসের ঘটনায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এতটা অভ্যস্ত হয়েছি যে ফোন ফাঁস যেন কোনও ব্যাপারই না। যেমন এই মুহূর্তে রাজধানী ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপালের সঙ্গে এক অভিভাবকের ফোন ফাঁস নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা প্রিন্সিপাল ম্যাডাম একজন শিক্ষক হয়ে কীভাবে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করেছেন সেটা নিয়ে চিন্তায় আছি। কিন্তু সরল বিশ্বাসে তিনি একজন অভিভাবক নেতার সঙ্গে ফোনে আলাপ করছেন, সেই লোক সেটা রেকর্ড করে খণ্ডিত আকারে বাজারে ছেড়ে দিয়েছে এবং এক রিপোর্টে দেখলাম গর্বভরে স্বীকারও করছেন। কিন্তু সেই লোকের কী সাজা হওয়া উচিত কেউ একবারও চিন্তা করছি না, উচ্চারণও করিনি। সোশ্যাল মিডিয়ার দুর্বলতা হচ্ছে এটিই– আপনাকে গড্ডালিকা প্রবাহে যেতে উদ্বুদ্ধ করবে, এককেন্দ্রিক চিন্তা করতে শেখাবে। এখানে সবাই ঘুরে ভাইরাল আর ট্রেন্ডের পেছনে।

আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রতিদিন এখন শিরোনাম হিসেবে দখল করে আছে পেগাসাস কেলেঙ্কারি। কারণ, সেখানকার প্রায় ৩০০ সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, আমলা এবং রাজনীতিবিদের নাম উঠে এসেছে এই পেগাসাস কাণ্ডে। পেগাসাস দিয়ে এদের কারও ওপর গোয়েন্দাগিরি করা হয়েছে, কারও ওপর গোয়েন্দাগিরির চেষ্টা হয়েছে এবং কেউ কেউ সম্ভাব্য টার্গেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। প্রশ্ন আসে পেগাসাস আপনার ফোনে আসবে কী করে? আপনার বাঁচার উপায় কী? আপনার কি পদক্ষেপই বা নেওয়া উচিত এই ব্যাপারে?
আগে আমরা দেখতাম এ জাতীয় স্পাইওয়্যার ফোনে বা পিসিতে পাঠানো হতো ম্যাসেঞ্জার বা ইমেইলে কোনও লিংক পাঠিয়ে। সেখানে ক্লিক করলেই সক্রিয় হয়ে যেত। কিন্তু এখন আর সেটা দরকার নেই। আপনার ফোন নম্বর জানা থাকলেই যথেষ্ট। আপনাকে একটা ফোন করবে কিংবা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দেবে। ফোন না ধরলেও এটা কাজ করবে। তাতেই সম্ভব পেগাসাস আপনার ফোনে সক্রিয় হয়ে যাওয়া।

বাঁচতে পারবেন কীভাবে?

বাঁচার উপায় নেই। যদি ফোন নম্বর একান্ত লোকদের দিয়ে থাকেন আর লোকেশন হাইড করার জন্য ভিপিএন ব্যবহার করে থাকেন- হালকা রক্ষা পাবেন। তবে গ্যারান্টি নেই।

এই সফটওয়্যার কারা বানিয়েছেন?

এই পেগাসাস সফটওয়্যারটি বানিয়েছে একটি ইসরায়েলি কোম্পানি-এনএসও। যেটি তার তিন মালিকের নামের অদ্যক্ষর। কিনতে আনুমানিক ৪ কোটি টাকার মতো খরচ পড়বে, আর প্রতি ১০ জনের ফোনে ইনস্টল করতে ৫ কোটি করে গুনতে হতে পারে। প্রশ্ন আসে এমন সফটওয়্যার বানানোর কী দরকার ছিল?

এনএসও দাবি করছে তারা পেগাসাস সৃষ্টি করেছে যাতে করে সরকারি গোয়েন্দা বিভাগ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এটা ব্যবহার করে জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে পারে। মেক্সিকো সরকার দাবি করছে যে তারা এই পেগাসাস ব্যবহার করে সেখানকার ড্রাগ লর্ড এল চাপোকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে এই ধরনের স্পাইওয়্যার থাকলে দুনিয়াটা অনেক সুন্দর করা যেত।

কিন্তু আপনার ভাবনা ভুল। দুনিয়া কাঁপানো কোনও বড় টেরোরিস্টের নাম ফাঁস হওয়া তালিকায় পাবেন না। ভালো কাজের প্রযুক্তি ব্যবহারের চেয়ে অপব্যবহার বেশি হয়- সেটি আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। যে মেক্সিকোর উদাহরণ দিলাম সেই মেক্সিকোর একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মেক্সিকো সরকার এটি ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই মেক্সিকান সাংবাদিক সরকারের কিছু আর্থিক কেলেঙ্কারি ফাঁস করে দিয়েছিল। এখানেই শেষ নয়। এরপর ওই সাংবাদিক খুন হয়েছেন।

আবার দেখেন সৌদি নাগরিক ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাশোগি কাহিনিটাও ঘটেছিল এই পেগাসাস ব্যবহার করে। সৌদি যুবরাজ পেগাসাস ব্যবহার করেছেন জামাল খাশোগির হবু স্ত্রীর ফোনে, খাশোগির মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই তার হবু স্ত্রীর ফোন হ্যাক করে এই স্পাইওয়্যার প্রবেশ করানো হয়েছিল। সে কারণেই তারা জামালের গতিবিধি

পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছিলেন। সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আরও আগেও এসেছিল, তিনি অ্যামাজন চিফ জেফ বেজোসের ফোন হ্যাক করেছিলেন। এটাও পেগাসাস কাহিনি। বর্তমান সময়ে পেগাসাস কলঙ্ক ফাঁসের কাজটি করেছে ফ্রান্সভিত্তিক একটি এনজিও ‘ফরবিডেন স্টোরিজ’। তারা টেকনিক্যাল সাপোর্ট নিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল থেকে।
তারা ৫০ হাজার ফোন নম্বর তালিকাভুক্ত করে বলেছে যে এসব নম্বর সেসব সাংবাদিক, পলিটিক্যাল লিডার, আমলা এবং অ্যাকটিভিস্টসহ বিশ্বের নানা জনের, যাদের কারও কারও ফোনে পেগাসাস প্রবেশ করানো হয়েছে, হওয়ার চেষ্টা হয়েছে বা তারাই টার্গেট।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৭টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান কোলাবরেশনের মাধ্যমে এই লেটেস্ট ঘটনা ফাঁস হয় অতি সম্প্রতি। এসব মিডিয়ার মধ্যে রয়েছে রয়টার্স, ওয়াশিংটন পোস্ট, জার্মানির ডিসাইড, ফ্রান্সের লে মন্ডে, ইসরায়েলের হারেটজ, মেক্সিকোর প্রোকেসো, হাঙ্গেরির ডিরেক্ট থার্টিসিক্স। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এটি প্রকাশে সহায়তা করেছে এবং কানাডাভিত্তিক দ্য সিটিজেন ল্যাব স্বাধীন সংস্থা হিসেবে তা রিভিউ করে মতামত দিয়েছে, যে পদ্ধতিতে এই ইনভেস্টিগেশন হয়েছে, পেগাসাস স্পাইওয়্যার আইডেন্টিফাই করার ক্ষেত্রে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যে ফরেনসিক মেথড ব্যবহার করেছে, সেটা সঠিক ছিল। ফরবিডেন স্টোরিজ ১১টি দেশে এনএসও’র ক্লায়েন্টকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করেছে।

এসব দেশের মধ্যে রয়েছে, সৌদি আরব, বাহারাইন, ইউএই, আজারবাইজান, কাজাকিস্তান, টোগো, রুয়ান্ডা, মরক্কো, মেক্সিকো, হাঙ্গেরি ও ইন্ডিয়া। ডেমোক্র্যাসি ইনডেক্স অনুযায়ী এসব দেশের মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি উন্নত নয় এবং সবচেয়ে উন্নত যে দেশটি এখানে আছে সেটি হচ্ছে ইন্ডিয়া। তার র্যাংকিং ৫৩ আর সবচেয়ে খারাপ সৌদি আরবের, তার র্যাংকিং ১৫৬। যে ৫০ হাজার লোককে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল তাদের মধ্য থেকে এক হাজারকে ইতোমধ্যে আইডেন্টিফাই করা হয়েছে এবং তাদের অনেকের ফোন ফরেনসিক এক্সামিনেশনের জন্য দেওয়া হয়েছিল এবং সবক’টিতেই পেগাসাসের অস্তিত্ব প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ভারতের ৩০০ জনের নাম এসেছে পেগাসাস লিস্টে। তার মধ্যে বিরোধী কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সিবিআই প্রধান, প্রধান বিচারপতি, ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের নামও এসেছে। রাফায়েল কেলেঙ্কারিতে বিজেপি সরকারের নড়বড়ে অবস্থা ছিল। এই মামলার রায়ের আগে প্রধান বিচারপতির রঞ্জন গগৈর বিরুদ্ধে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের অভিযোগ এনেছিল এক নারী। তার ফোনেও পেগাসাস দেওয়া হয়েছিল। রঞ্জন গগৈ ওই কেলেঙ্কারির কয়েক মাস পর রাফায়েল মামলায় বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিয়েছিল। তাহলে ভারতে পেগাসাস কেলেঙ্কারির পেছনে কে আছে সেটা স্পষ্ট ভারতীয়দের কাছে।

দৈনিক ভাস্কর পত্রিকা পেগাসাস নিয়ে একটা বড় প্রতিবেদন তৈরি করেছিল। ক’দিন পরে তাদের অফিসে ইনকাম ট্যাক্স কর্তারা হানা দিয়েছে। এই স্ক্যান্ডেলের ইনভেস্টিগেশন হওয়া উচিত বলে ভারতের স্বাধীন মিডিয়াগুলো মত প্রকাশ করছে কিন্তু সরকার এটাকে উপেক্ষা করে যাচ্ছে। অবশ্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার তদন্ত করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। হাঙ্গেরি, ইসরায়েল, ফ্রান্স তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে। মোদির সমর্থকরা প্রচার করছে যে উন্নয়নের গতি থামিয়ে দেওয়ার জন্য এটা মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। এই অন্ধদের বুঝাবে কে ‘তোদের’ উন্নয়নের গতি থামানোর ষড়যন্ত্রের কারণে তাহলে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকেও ফোন বদল করতে হচ্ছে!
Offer Source: Plz, click here to show
Offer Id: 915
Company Name: Selltoearn.com
Contact No.: 01823660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: IT/Telecommunication
Location: Anywhere in Bangladesh
Offer Title: বিশ্বের শীর্ষ সার্চ ইঞ্জিনগুলোর নাম কি ? সার্চ ইঞ্জিন বা গুগল কিভাবে সার্চ করে?

Offer Details:

বিশ্বের শীর্ষ সার্চ ইঞ্জিনগুলোর নাম কি ? সার্চ ইঞ্জিন বা গুগল কিভাবে সার্চ করে?

বিশ্বের শীর্ষ সার্চ ইঞ্জিনগুলোর নাম কি ? সার্চ ইঞ্জিন বা গুগল কিভাবে সার্চ করে?

সমগ্র পৃথিবীতে বর্তমানে সর্বমোট ওয়েবসাইটের সংখ্যা ১৮৮,৩৫,৩১,৯৯৯ (এক শত আটাশি কোটি পঁয়ত্রিশ লক্ষ একত্রিশ হাজার নয়শত নিরানব্বই) টি (সূত্র: internetlivestats.com) । এবং বর্তমানে প্রতি এক সেকেন্ডে আরও ২-৩ টি করে ওয়েব সাইট সৃষ্টি হচ্ছে। ভিন্ন ভিন্ন এই ওয়েব সাইটগুলো কিংবা অন্যান্য ওয়েব সাইটগুলোও ইউজারদের কিছু সাব ডোমেইন বা সাব ওয়েব সাইট ফ্রিতে দিয়ে থাকে এই সাইট গুলো ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রদান করে থাকে। পৃথিবীর এই সমস্ত ওয়েবসাইট গুলোর এড্রেস বা ঠিকানা্ একজন মানুষের মুখস্ত রাখা সম্ভব না তাই মানুষ ঐ ওয়েব সাইটের নাম মুখস্ত না রেখে তার কাঙ্খিত তথ্যের জন্য বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সার্চ দিয়ে তার কাঙ্খিত তথ্য খুঁজে নিতে পারে। আবার যদি কেও সঠিকভাবে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিতে না পারে তবে অনেক সময় তার সঠিক বা কাঙ্খিত তথ্য খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়। তাই চলুন জানা যাক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সার্চ ইঞ্জিনগুলো কি কি? এবং এই সার্চ ইঞ্জিনগুলো কিভাবে আপনার কাঙ্খিত তথ্য খুঁজে এনে দিবে আপনার নিকট আলাদিনের ম্যাজিক ল্যাম্পের মত।এবং সেই সাথে জেনে নিব যেভাবে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করতে হয়।

বিশ্বের শীর্ষ সার্চ ইঞ্জিনগুলোর নাম হল:

1. google.com (লেখা/ইমেজ/নিউজ কিংবা ভিডিও সহ সকল উপায়ে) সারা বিশ্বের মানুষ প্রতি ১ দিনে 2. youtube.com (শুধুমাত্র ভিডিও বা অডিও আকারে) 3. bing.com 4. baidu.com 5. yahoo.com 6. myway.com নিম্নে আরও কিছু ওয়েব সাইটের নাম দেয় হল যেগুলো সামাজিক বা অন্যান্য কাজের জন্য ব্যবহৃত হলেও তা সার্চ ইঞ্জিনের মত তথ্য অন্বেষণে ব্যবহার করা যায়: 1. Ask.com 2. quora.com 3. Mysearch.com 4. Monstercrawler.com 5. Facebook.com 6. Reddit.com 7. Amazon.com 8. Twitter.com 9. Instagram.com 10. Netflix.com 11. Linkedin.com 12. Espn.com 13. msn.com

এবার আসা যাক সার্চ ইঞ্জিন বা অন্যান্য সার্চ সম্পর্কিত সাইটগুলো কিভাবে কাজ করে ?

সর্ব প্রথমেই যে বিষটি আমরা উল্লেখ করবো তা হল ইন্ডেক্স এর কি ওয়ার্ড।বিষয়টি সম্ভবত বোধগম্য হল না। আর একটি পরিষ্কার করে বলি। প্রথমেই বলা যাক কি ওয়ার্ড সম্পর্কে। ইংরেজি key words যার বাংলা অর্থ হল প্রধান শব্দ বা শব্দগুচ্ছ। অর্থাৎ যে সমস্ত প্রধান প্রধান শব্দ বা শব্দগুচ্ছ দ্বারা মানুষ সার্চ ইঞ্জিনের নিকট হতে খুঁজে অর্থাৎ যে টাইটেল বা শিরোনাম দিয়ে মানুষ গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে সেই সমস্ত টাইটেল বা শিরোনামকেই কি ওয়ার্ড বলে। এখন কি ওয়ার্ড হতে পারে এক শব্দের বা একের অধিক শব্দের। যদি সেই টাইটেলটি এক, দুই বা তিন শব্দের মধ্যে হয় তবে এটিকে বলা হয় শর্ট টেইল কি ওয়ার্ডস্ এবং যদি এক, দুই বা তিন শব্দের বেশি হয় তবে এটিকে বলে লং টেইল কি ওয়ার্ডস্।

এবার আসা যাক ইন্ডেক্স কি? ইন্ডেক্স একটি ইংরেজি শব্দ যার আভিধানিক অর্থ হল সূচক, নির্ঘন্ট বা সূচিপত্র।www (world wide web) এর জনক টিম বার্নাস্ লি তার প্রথম তৈরী ওয়েবসাইট এর পর থেকে এখন পর্যন্ত যতগুলো ওয়েবসাইট তৈরী করেছেন তার একটি তালিকা ইন্ডেক্স আকারে সাজিয়ে রেখেছেন। এই সাজানেরা ক্রমানুসারকেই ইন্ডেক্স বলে এবং এই ইন্ডেক্স এমনভাবে তৈরী যেখানে একটি নাম কখনই ডাবল বা দুই বার হবে না। যেমন আমাদের ওয়েবসাইটের নাম (www.selltoearn.com) যেটি পৃথিবীতে কেবলমাত্র একটিই রয়েছে। তবে হতে পারে শেষের অংশে .net, .org,.co, .bd ইত্যাদি তবে .com দ্বারা আর হবে না।আর selltoearn.com হতে পারে একটি শর্ট টেইল কি ওয়ার্ড যা ইউনিক বা অদ্বিতীয়। ঠিক এমনি ভাবে ওয়েব সাইটের নাম ব্যতিত কতিপয় শব্দগুচ্ছ নিয়েও একটি ব্যাপকবৃস্তিত ইন্ডেক্স ও খুবই কমপ্লেক্স ইন্ডেক্সিং হতে পারে যেকোন ঐ সমস্ত ওয়েব সাইটের মধ্যে অন্তভূক্ত বা লিপিবদ্ধ থাকে। আর এই সমস্ত অটোমেটেড ইন্ডেক্সিং থেকে গুগল বা সার্চ ইঞ্জিনগুলো অধিক ট্রাফিকসম্পন্ন পেজগুলোকে একটি রবোটিক্স সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যে খুঁজে নিয়ে এসে আমাদের সামনে হাজির করে।আর এটা তখন আমরা দেখে খুবই আনন্দ পাই এবং উপকৃত হই।সার্চ ইঞ্জিনগুলো অনেক শক্তিশালি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে থাকে।যেমন গুগল যে সফ্টওয়্যারগুলো বা এলগোরিদম ব্যবহার করে সার্চের জন্য এবং অন্যান্য কার্য সম্পাদন করার জন্য তা হল:

1. robots.txt
2. panda
3. Penguin
4. Humming Bird
5. google crawler

আরেকটি বিষয় যেটির উপর কথা না বললেই নয় তা হল নিশ(niche)যার আভিধানিক অর্থ হল কুলুঙ্গি, যথাযোগ্য স্থান বা উপযুক্ততা। একটি ওয়েব সাইটের নাম নির্বাচন করাকেই নিশ (niche) বলা হয়। কাজের সাথে সামঞ্জস্য রেখে যথাযথভাবে উপযুক্ত নাম নির্বাচন করলে ব্যবসায়িকভাবে এবং গুগল সার্চিং এর ক্ষেত্রে ভাল ফল পাওয়া যায়।এর পর আসি ওয়েব পেজ এর বিষয়ে। যেকোন ওয়েব সাইটের প্রথম পেজের নাম যাই থাকুক না কেন কিংবা এর টাইটেল যাই থাকুক না কেন এটির হোম পেজ এর নাম বাধ্যতামূলকভাবে index.php/index.html অর্থাৎ index ব্যবহার করতেই হবে। পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই ইনডেক্সকেই গুগল বা সার্চ ইঞ্জিনগুলো clawl করে বা নিখঁতভাবে প্রক্রিয়াকরণ করে তথ্যকে নিয়ে আসে।কিন্তু হোম পেজ ব্যতিত ডাইরেক্টরি পেজ বা অন্যান্য পেজে index ব্যবহার না করাই ভাল।এর কারণ হল ঐ পেজের নির্দিষ্টি নাম থাকলে গুগল খুব দ্রুত তা খুঁজে আনতে পারে।তবে উল্লেখ্য যে, যেকোন ওয়েব পেজের মধ্যে টাইটেল হিসেবে অবশ্যই উক্ত পেজের প্রধান শিরোনামটি লিখতে হবে আর এটিই হল key words মানে প্রধান শব্দ বা শব্দগুচ্ছ (শিরোনাম হিসেবে)। গুগল বা সার্চ ইঞ্জিনগুলো এই

টাইটেল এর ভিতরে থাকা শিরোনামটিকে কেন্দ্র করে তাদের সার্চ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।সুতরা আমরা বলতে পারি এই টাইটেল এর ভিতরে অবস্থান করা শিরোনাম index এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় sub-index হিসেবে। এই টাইটেল কোড, গুগল এনালিটিক্স স্কৃপ্ট, গুগল সার্চ কনসোল, গুগল সাইট ভেরিফিকেশন, মেটা টেক্সট, ইয়ান্ডেক্স, নরটন, মেটা ডেসক্রিপশন, এমএস ভেলিডেট ইত্যাদি ব্যবহৃত হয় অন পেজ এসইও এর জন্য। এখান আমরা বলতে পারি On page SEO কি ? SEO (Search Engine Optimization)হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে একটি ওয়েব পেজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রেরণ করার উপায় অর্থাৎ গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন কর্তৃক প্রেরিত নির্দেশনা যা অনুসরণ করলে খুব সহজের ঐ সার্চ ইঞ্জিগুলো উক্ত ওয়েব পেজকে আরও বেশি সহজে ও দ্রুত খুঁজে বের করে সামনে নিয়ে আসতে পারে।
এছাড়াও robots.txt গুগলের একটি ফাইল যা ওয়েব সাইটের ডাইরেক্টরিতে আপলোড করলে ঐ ফাইলের মাধ্যমে গুগল আরও দ্রুত আপনার লেখিলেখি বা অন্যান্য কনটেন্ট খুঁজে নিয়ে আসতে পারে।

SEO দুই প্রকার যথা:

1. On Page SEO (নির্দিষ্ট ওয়েব পেজের মধ্যে যে কার্যক্রম করা হয় তাই)
2. Off Page SEO (নির্দিষ্ট ওয়েব পেজের বাইরে অন্য কোন লিংকের মাধ্যমে উক্ত ওয়েব পেজে ভিজিটর এনে ট্রাফিক বাড়ানোর প্রক্রিয়া হল Off page SEO)
আশা করছি উপরের আলোচনায় অন্তত কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন গুগল বা সার্চ ইঞ্জিনগুলো কিভাবে কাজ করে।

এবার আলোচনা করা যাক শিরোনাম কি দেবা বা কি ওয়ার্ড এর জন্য রিসার্চ করবো কিভাবে ? কিংবা কোন শিরোনাম দিয়ে সার্চ করলে খুঁব সহজেই আমাদের কাঙ্খিত পেজটি খুব সহজেই খুঁজে পাব?

নিচের এই টাইটেল বা শিরোনাম দিয়ে আপনার গুগল ব্রাউজার থেকে একটু সার্চ দিনতো:

তর্ক-বিতর্ক ও যুক্তি-খন্ডনের টিপস্

এবার আপনি দেখতে পাবেন আমাদের এই লিংকটি আসবে:

https://www.selltoearn.com/facetube/previous/h61.html
আর এভাবেই গুগল আপনার লেখা/বা কনটেন্টকে প্রথম পেজের সর্ব প্রথমে নিয়ে আসবে। আবার যদি নিশ (Niche) নেম যেমন selltoearn দিয়ে সার্চ করেন তবে আমাদের ওয়েবসাইটের নামটি প্রথম পেজের সর্ব প্রথমে দেখা যাবে। এটি হল শর্ট টেইল কি ওয়ার্ড। আর…

তর্ক-বিতর্ক ও যুক্তি-খন্ডনের টিপস্

এই টাইটেল টি হল লং টেইল কি ওয়ার্ড। অতএব, এখন আমরা বলতে পারি যে যেটে কি ওয়ার্ড তারই অন্যান্য নাম হল নিশ (niche), title (শিরোনাম), এবং ইন্ডেক্সিং।

ওয়েব পেজ এর এসইও করা এবং সর্বোত্তম শিরোনাম নির্বাচন করার প্রক্রিয়া:

কীওয়ার্ড রিসার্চকে বর্তমানে ইন্টারনেট জগৎ এর হৃৎপিন্ড বলা হয়। অর্থাৎ আপনি লিখালিখি করেন কিন্তু আপনি কীওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে জানেন না এটা অনেকটা এই রকম যে আপনি কাউকে কিছু গিফট করবেন কিন্তু তার পছন্দ সম্পর্কেই আপনার জানা নেই। ফলে তাকে গিফট দেওয়ার চেষ্টা আপনার ব্যর্থ হতে পারে।তার মানে আপনি লিখবেন একটা নির্দিষ্ট অডিয়েন্সকে টার্গেট করে তাই তাদের সার্চ কীওয়ার্ড আপনারা জানাটা অত্যাবশকীয়।বর্তমান সময়ে যারাই ব্লগ কিংবা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের জন্যে কনটেন্ট লিখে থাকেন তারা খুব ভালো করেই জানেন কীওয়ার্ড রিসার্চ কি এবং এটা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ব্লগ বা ওয়েবসাইটে লিখার জন্যে। তাই আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় কীওয়ার্ড রিসার্চ কী এবং এর গুরুত্ব।যারা ইতিমধ্যে ওয়েবসাইট বা ব্লগ পরিচালনা করেন তারা জানেন কীওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে। কীওয়ার্ড রিসার্চের মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে ট্রাফিক বা ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন। মানে বেশি সংখ্যক মানুষ আপনার লিখা দেখবে। তাহলে বুঝতেই পারছেন, কীওয়ার্ড রিসার্চ কতটা গুরুত্বপূর্ণ আপনার লিখার জন্যে।

কীওয়ার্ড রিসার্চ কী?

সাধারণভাবে কীওয়ার্ড রিসার্চ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার লিখাতে গুগলের রেঙ্ক করাতে পারবেন এবং আপনার লিখাতে ট্রাফিক বা ভিজিটর আনতে পারবেন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে কীওয়ার্ড রিসার্চ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটর লিখা পৌঁছে যাবে। অর্থাৎ মানুষ যখন কোন নির্দিষ্ট তথ্য জানার জন্য গুগলে সার্চ করবে তখন তারা খুব সহজেই আপনার লিখা খুঁজে পাবে। এর জন্যে কিছু টুলস আছে যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন এই মুহূর্তে মানুষ কোন শব্দটি সবচেয়ে বেশি সার্চ করছে দেখার জন্যে। এছাড়া বিগত বছরও মানুষ কোন শব্দ সবচেয়ে বেশি সার্চ করেছে তাও জানতে পারবেন। যা কিনা আপনার লিখার মূলমন্ত্র। এই যে জানার প্রক্রিয়া তাই হলো, কীওয়ার্ড রিসার্চ।

কিভাবে নির্বাচন করবেন সঠিক কীওয়ার্ড?

মনে করুন, আপনি এখন করোনা ভাইরাস বা ডেংগু নিয়ে লিখতে চাচ্ছেন। তাহলে আপনি বিভিন্ন টুলস যেমনঃ Google Treads, ব্যবহার করে দেখলেন যে এখন মানুষ কোন টপিকে বেশি সার্চ করছে। যেহেতু ডেংগু ভাইরাস নতুন না, পুরানো তাহলে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই নতুন ভাইরাস করোনা নিয়ে সার্চ দিবে। এখন আপনি ঠিক করলেন যে, করোনা নিয়ে লিখবেন তখন আপনি খুঁজে দেখলেন যে, করোনা কোন টপিকে মানুষ সবচেয়ে বেশি সার্চ করে দেখে, হতে পারে "করোনার লক্ষণ" তখন আপনি এই কীওয়ার্ড আপনার লিখার জন্যে বাছায় করলেন। তার মানে কীওয়ার্ড তিন বা চার শব্দের লিখার।

এখন প্রশ্ন আসে কীওয়ার্ড রিসার্চ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আপনার লিখাকে এসইও ফ্রেন্ডলি করার জন্যে, মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছে দেওয়ার জন্যে কীওয়ার্ড রিসার্চ খুবিই গুরুত্বপূর্ণ। একটা জিনিস ভালো করে ভেবে দেখুন আপনার মূল সম্পদই হচ্ছে ট্রাফিক বা ভিজিটর। তাই আপনার ব্লগ কিংবা কনটেন্ট রাইটিং এ নির্দিষ্ট সংখ্যক ভিজিটর নিয়ে আসতে কীওয়ার্ড রিসার্চের গুরুত্ব অধিক। একজন লেখক কিংবা পাঠকের লিখা দেখা কিংবা লেখকের লেখা শুরুই হয় keyword দিয়ে। ধরুণ আপনি লিখবেন তাহলে আপনার লিখা শুরুই হবে কীওয়ার্ড দিয়ে, ঠিক একিইভাবে পাঠকও এই একিই কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে আপনার লিখা খুঁজবে। তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনার লিখার জন্যে কীওয়ার্ড কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

এমন অনেক লেখক আছে যাদের লিখা বা আর্টিকেল অনেক সুন্দর, ইনফরমেটিভ কিন্তু সঠিক কীওয়ার্ড ব্যবহার করার অভাবে ওই লিখাতে ভালো ট্রাফিক আনতে পারে না। সুতরাং লিখাতে ভিজিটর আনতে সুন্দর লিখার পাশাপাশি কীওয়ার্ড সম্পর্কে জানাটা খুবিই জরুরি। আপনাকে সময়ের সাথে সাথে টিকে থাকতে হলে স্মার্ট হতে হবে, প্রতি মুহূর্তে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম হতে হবে। তা না হলে ডায়নোসরের মতো আপনার লিখাও বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আপনার ওয়েবসাইটের সাফল্যজনক লাভের জন্যে কীওয়ার্ড কি? এবং এর যথাযথ ব্যবহারের কলা কৌশল জানা খুবিই গুরুত্বপূর্ণ।

কীওয়ার্ড রিসার্চ কত প্রকার ?

কীওয়ার্ড রিসার্চ সাধারণত দুই প্রকার
; ১. শর্ট টেইল কীওয়ার্ড
২. লং টেইল কীওয়ার্ড
শর্ট টেইল কীওয়ার্ড হলো ওই সকল কীওয়ার্ড যা কিনা তিন বা তার কম শব্দ দিয়ে গঠিত। আর লং টেইল কীওয়ার্ড হলো ওই সকল কীওয়ার্ড যেগুলো তিন বা তার অধিক শব্দ দিয়ে গঠিত। এবারে প্রশ্ন আসে আপনি কি টুলস ব্যবহার করে মোস্ট সার্চিং কীওয়ার্ড সম্পর্কে জানতে পারবেন?

কীওয়ার্ড সম্পর্কে জানার জন্যে যে টুলস ব্যবহার করা হয় তাকেই কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস বলা হয়। তবে কিছু টুলস আছে যেগুলো পেইড অর্থাৎ যেগুলো ব্যবহারের জন্যে আপনাকে মান্থলি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে টাকা দিতে হবে। তবে কিছু কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস আছে ফ্রী। আমি এখানে কিছু টুলস এর নাম দিচ্ছি যেগুলো ব্যবহারের জন্যে আপনাকে টাকা দিতে হবে না। নিচে কিছু কীওয়ার্ড টুলসের নাম দেওয়া হলো;
বিভিন্ন ধরণের কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস
● Google Trends (ফ্রি)
● Google Keyword Planner
● Keyword Tool.oi
● Soovle
● Smeshup
● Keywords Everywhere
এগুলোর মধ্যে একটির ব্যবহার সম্পর্কে নিম্নে দেওয়া হলো; Google Trends: এই টুলস ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি এই বছরের কোন কীওয়ার্ডটি কত শতাংশ মানুষ সার্চ করছে তা আপনি দেখতে পাবেন। শুধু তাই নয় কোন বিভাগের মানুষ কি পরিমাণে সার্চ করছে তাও দেখতে পাবেন।

এছাড়াও বিগত বছরেও কোন শব্দ বা কোন মানুষ গুগল ট্রেন্ডে ছিলো তাও দেখা যাবে। আপনি চাইলে কমপেয়ার করেও দেখতে পাবেন কোন শব্দ বেশি মানুষ সার্চ করে দেখছে। যা কিনা আপনার লিখার জন্যে সুবিধা হবে কোন টপিকের উপর ভিত্তি করে আপনি লিখবেন।

পরিশেষে…

ভালো করে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে, তথ্যবহুল লিখা লিখলে এবং লিখা যদি ইউজার ফ্রেন্ডলি হয় মানে আপনার লিখা পড়ে খুব সহজেই একটা মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত চাওয়া বুঝে নিতে পারে, তাহলে আপনার লিখা গুগলের সার্চ লিস্টে প্রথম দশে চলে আসবে। আর যদি আপনার লিখার তথ্য পুওর হয় এবং কীওয়ার্ড বেইজ না হয় তাহলে তা গুগুলে থার্ড কিংবা ফোর্থ পেইজে রেফার করে, তাহলে আপনি লিখবেন কিন্তু এই লিখাতে ট্রাফিক বা ভিজিটর খুঁজে পাবেন না।

যেহেতু আপনার লিখার মূল উদ্দেশ্যই লভাংশ পাওয়া, তাই যদি না হয় তাহলে আপনার লেখালিখি ভিত্তিহীন। প্রতি মাসে অন্তত ১০০ জন ভিজিটর যদি আনতে পারেন আপনার লিখাতে তাহলে সেই লিখা অর্থবহ হয়, আর বেশি আনতে পারলে তো আরও ভালো হয়। গতিহীন মানুষ কিংবা যানবাহন কখনোই তার গন্তব্য খুঁজে পায় না। তাই আপনি তাদের দলে না গিয়ে নিজেকে যুগের সাথে আপ টু ডেইট করুন।
Offer Source: Plz, click here to show
Offer Id: 914
Company Name: Selltoearn.com and Urnisha Jaman Mohona
Contact No.: 01823660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: Electrical and Electronic/Mechanical Engineering
Location: Anywhere in Bangladesh
Offer Title: যে কোন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ কেনার পূর্বে কি করবো ?

Offer Details:

যে কোন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ কেনার পূর্বে কি করবো ?

যে কোন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ কেনার পূর্বে কি করবো ?

যেকোন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ কিংবা মোবাইল অথবা অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস কেনার পূর্বেই আমাদের মনে যে প্রশ্নটি আসে তা হল উক্ত ডিভাইসটি কেমন হবে অর্থাৎ কতটা কোয়ালিটি সম্পন্ন এবং দীর্ঘস্থায়ী হবে।হতে পারে এটি ব্র্যান্ড নিউ অথবা পুরাতন।আমাদের মনে সঙ্কা থাকে যে ডিভাইসটিতে কোন সমস্যা আছে কিনা। ডিভাইটি অফিসিয়াল, আনঅফিসিয়াল অথবা চোরাই পদ্ধতিতে মার্কেটিং করা হচ্ছে কিনা। উক্ত ডিভাইসটি কোথা থেকে ক্রয় করবো। অনলাইন হতে ক্রয় করলে প্রতারিত হব কিনা। সুতরাং এই সকল প্রকারের আসঙ্কাজনিত সমস্যার জন্য নিচে সমধানের বর্ণনার আলোকপাত করা হল।

বিশ্বের প্রতিটি দেশ এখন টেকনোলোজির সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষের তৈরি টেকনোলোজি আজকের সময়ে এতটাই দ্রুত কাজ করে যার সাহায্যে যেকোনো অফিসিয়াল কাজ খুব দ্রুত করা সম্ভব কোনো রকম খাতা কলম ছাড়াই। যেকোনো প্রয়োজনীয় তথ্য নিমিষেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব টেকনোলোজির সাহায্যে। যেমন: বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল, টেব, ডিজিটাল ল্যাপটপ কম্পিউটার, ডেস্কটপ, আধুনিক চিকিৎসার বিভিন্ন সরন্জাম ইত্যাদি এসব টেকনোলোজি কাজে লাগিয়ে মানুষেরা তাদের কাজ উন্নত করছে এবং জীবনে সফলতা অর্জন করছে। এমনকি পরবর্তী জেনারেশনে এটি আরও উন্নত হবে বলে জানা যায়। তবে টেকনোলোজি ব্যবহার করতে হলে এর প্রতি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন খুবই গুরুত্বপূর্ণ । যেমন: আমাদের জন্য মোবাইল, টেব নিত্যদিনের সঙ্গী একে অন্যের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম। এর ব্যবহার আমরা কম বেশি সবাই জানি। তবে ল্যাপটপ কম্পিউটার, ডেস্কটপ এসবের ব্যবহার কিছুটা ভিন্ন। খুব সহজেই এটি আয়ত্তে নিয়ে আসা কিছুটা জটিল। তবে এই দুটির মধ্যে যেকোন একটির ব্যবহার সম্পর্কে জানলে দুটি ডিভাইসি আয়ত্তে নিয়ে আসা সম্ভব। তাই আজ আমরা ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার সম্পর্কে জানবো, এর কাজ, গঠন, ভালো-মন্দ, সুবিধা-অসুবিধা ইত্যাদি নিয়ে কথা বলবো।

ল্যাপটপ কি... এটি কিভাবে কাজ করে ??

LAPTOP এর পূর্ণরুপ হলো Lightweight Analytical Platform Total Optimized Power. ল্যাপটপকে নোটবুক কম্পিউটারও বলা হয়। এটি যে কোনো স্থানে বহনযোগ্য ব্যক্তিগত কম্পিউটার (পিসি) যার একটি পর্দা এবং বর্ণানুক্রমিক কীবোর্ড রয়েছে। এটি বেশি বড় নয় তাই যেকোনো কাজের জন্য যেকোনো স্থানে নেওয়া সহজ। এটি পরিবহনের জন্য ভাঁজ করা যায়। যেকোনো অবস্থানে থেকে আপনি ল্যাপটপে কাজ করতে পারেন, শুয়ে থাকা অবস্থায়, বসে থাকা অবস্থায়, যেকোনো অবস্থায় থাকাকালীন এটি ব্যবহার যোগ্য। এটি পেশাদাররা অফিসিয়াল কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে থাকে । যেকোনো কর্পোরেট সাইট এ ল্যাপটপ ছারা কোনো কাজ করা অসম্ভব।

কোন ল্যাপটপগুলো সবচেয়ে ভালো সার্ভিস প্রোভাইড করে ??

ল্যাপটপের ভালো মন্দ নির্ভর করে মানের উপর। আর ভালো মান নির্ভর করে মূল্যের উপর। যে ল্যাপটপের মূল্য যত বেশি সেই ল্যাপটপের মান ততো বেশি ভালো সার্ভিস প্রোভাইড করবে। লাস্টিং ও করবে অনেকদিন। আমরা যখন কোনো পন্য ক্রয় করি তখন সচরাচর দেখতে পাই যে কমদামি পন্য দেখতে সুন্দর হলেও টেকশই নয়। এটি আসলে সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এমনকি ল্যাপটপের ক্ষেত্রেও। ল্যাপটপের মূল্য যত বেশি হবে তার প্রতিটি অংশগুলো তেমনি ভালো ও উন্নত হবে। যেমন: RAM, PROCESSOR, HARD DISK, DISPLAY, GRAPHIC CARD etc.

ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে কি কি জেনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ ??

আমরা যখনই কোনো ল্যাপটপ ক্রয় করবো তখনই ল্যাপটপ সম্পর্কে কিছু ধারনা রাখা আমাদের জন্য জরুরি। কারণ ল্যাপটপ আমাদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় ডিভাইস যার সাহায্যে আমরা অফিসিয়াল অনেক কাজ করি এবং কাজ সংক্রান্ত সকল তথ্য এখানে সংরক্ষণ করি। ফলে ডিভাইসে যাতে ইন্টারনাল কোনো সমস্যা না থাকে বা ডিভাইসটি ক্রয় করার পর যাতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয় সেজন্য আমাদের সচেতন থাকতে হবে। ল্যাপটপ সম্পর্কে সবরকম তথ্য জেনে ক্রয় করতে হবে।

ল্যাপটপ সম্পর্কে যে তথ্য আমাদের জানতে হবে:

❏ Laptop Processor.
❏ Laptop RAM.
❏ Laptop Hard Disk.
❏ OS - Operating System.
❏ Laptop Display.
❏ Laptop Graphic Card.
❏ Web Camera.
❏ Parts In Laptop.
▪ Laptop Processor :
আমরা যখন কোনো ল্যাপটপ অপারেট করি তখন ভেতরের অংশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো Laptop processor যা একপ্রকার Space তৈরি করে তথ্য অন্তর্ভুক্তর জন্য। মার্কেটে মূলত দুটি কোম্পানীর Laptop processor রয়েছে। যেমন: AMD ও INTEL. AMD : ল্যাপটপ ক্রয়ের বাজেটের উপর নির্ভর করে processor ক্রয় করা হয়। সেক্ষেত্রে 20,000 এর নীচে বাজেট থাকলে সেই ল্যাপটপ এর জন্য AMD processor সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। INTEL : এর মূল্য AMD এর তুলনায় কিছুটা বেশি। Laptop এর বাজেট যদি খুব বেশি হয় তবে INTEL Processor সেই ল্যাপটপ এর জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। এটি স্পেসভিত্তিক কয়েক রকমের মধ্যে পাওয়া যায়। যেমন: CORE i3 = আপনি যখন ল্যাপটপ এ সাধারন কিছু কাজ করবেন বিভিন্ন ভিডিও বা মুভি দেখা, অনলাইন ক্লাস, পড়াশুনা
সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে লাইভ করা ইত্যাদি এসবের জন্য CORE i3 অনায়াসে ব্যবহার করা যায়।এর মধ্যে Available Space হচ্ছে 2 CORE. CORE i5 = এটি ব্যবহৃত হয় ল্যাপটপ এ বিভিন্ন Game খেলার জন্য, Video Editing এর জন্য, Photoshop এর জন্য, কিছু সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য। এর মধ্যে Available Space হচ্ছে 4 CORE. CORE i7 = এটি অফিসিয়াল বিভিন্ন বড় বড় সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে Available Space হচ্ছে 4-8 CORE. যেকোনো processor ক্রয়ের পূর্বে সবচেয়ে latest generation এর processor ক্রয় করা ভালো ।

▪ Laptop RAM :

একটি ল্যাপটপ এর RAM [ Random Access Memory ] এর উপর নির্ভর করে এখানে কতটুকু তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। এটি ল্যাপটপ এর জন্য একটি প্রাথমিক মেমোরি কার্ড। এখানে বিভিন্ন সফটওয়্যারের তথ্য স্টোর করে রাখা হয়। অর্থাৎ, বিভিন্ন সফটওয়্যার চালানোর জন্য যে তথ্য গুলো প্রয়োজন সেগুলো এই মেমোরিতে থাকে। RAM যত বেশি থাকবে ততো বেশি সফটওয়্যার একসাথে ব্যবহার করা যাবে। এখানে শুধুমাত্র সফটওয়্যার গুলোকে চালানোর জন্য যে তথ্য প্রয়োজন সে তথ্য গুলোই থাকে। তাই RAM ক্রয় করতে হবে processor দেখে। Processor কম হলে RAM বেশি ক্রয় করে কোনো কাজে আসবে না।
ল্যাপটপ এর জন্য কম ক্ষমতা সম্পন্ন processor ও RAM এর জন্য CORE i3 - 4gb RAM যথেষ্ঠ এবং বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন processor ও RAM এর জন্য CORE i5 ও i7 - 8gb RAM সর্বনিম্ন এবং সর্বচ্চো যত নেওয়া যায়। RAM এর বর্তমান জেনারেশন হল [DDR, DDR2, DDR3, DDR4] এর মধ্যে সবচেয়ে উন্নত হচ্ছে DDR4.

▪ Laptop Hard Disk:

এখানে বিভিন্ন ফাইল সংরক্ষন করা যায়। এই হার্ড ডিস্ক বা হার্ড ড্রাইভ দু'রকমের হয়। যেমন: 1. HDD- Hard disk drive. 2. SSD- Solid State drive. HDD এর Available size মূলত 512gb, 1tb [ terabyte ] 2tb [ terabyte ] SSD এর Available size 128gb. SSD এর তুলনায় HDD এর মূল্য কম। তবে দুটি যদি একসাথে ল্যাপটপ এ সেট করা যায় তাহলে ল্যাপটপ খুব দ্রুত কাজ করবে। কারন SSD এর মেমোরি অনেক দ্রুত কাজ করে HDD এর তুলনায়।

▪ OS - Operating System :

ল্যাপটপ এর জন্য অপারেটিং সিস্টেম বেশির ভাগ ব্যবহৃত হয় Microsoft Windows. এটির মূল্য একটু বেশি। তাছারা রয়েছে DOS [ Disk opening system ], Linux, Windows 10 সবচেয়ে ভালো অপারেটিং সিস্টেম।

▪ Laptop Display :

আমরা ল্যাপটপ এ যাই করি তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ডিসপ্লে। Laptop Display বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে অবশ্যই কাজ বুঝে সেটা ক্রয় করতে হবে। যদি সেটা সবসময় কাজের জন্য নিজের সাথে রাখার জন্য ক্রয় করা হয় তাহলে 13-14inch এর ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ ক্রয় করাটা সবচেয়ে ভালো হবে। আর যদি সেটা কোনো একস্থানে সেটআপের জন্য ক্রয় করা হয় তাহলে 15.6-17.3inch ক্রয় করা যেতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এর রেজুলেশন যাতে Full HD হয়। ফুল এইচ রেজুলেশন এবং ভাল গ্রাফিক্স কার্ডের অভাবে ডিসপ্লের মেধ্যে থাকা বারকোড স্ক্যান করার সময় তা সম্পাদন করা সম্ভব হয় না । এছাড়াও অনলাইনে অনেক ভেরিফিকেশনের কাজ সম্ভব হয় না এই রেজুলেশন যদি ভাল না হয়।

▪ Laptop Graphic Card:

ল্যাপটপ এর জন্য যত ভালো graphic card ক্রয় করা যায় ততো ভালো ও নিখুঁত ভাবে দেখা যায়। বিভিন্ন আর্ট জাতীয় জিনিসের জন্য এটি খুব প্রয়োজনীয়।

▪ Web Camera :

এটি ল্যাপটপ এর মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশেষ করে Video Calling এর ক্ষেত্রে।অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে এটি যাতে HD RECORDING প্রক্রিয়ার হয়।

▪ Parts In Laptop:

প্রতিটা ল্যাপটপ এর জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ যা ল্যাপটপ এর বিভিন্ন ইন্টারনাল কাজ পরিচালনা করতে সাহায্য করে। যেমন : USB port, Type C port, HDMI port, 3.5MM Audio port. অবশেষে, জানতে হবে ল্যাপটপ টির WiFi এবং Bluetooth 5th জেনারেশনের কিনা।

ল্যাপটপ কোথা থেকে ক্রয় করলে সবচেয়ে ভালো হবে, অনলাইনে নাকি কোনো শোরুম বা দোকান থেকে ??

যেকোনো পন্য কোথা থেকে ক্রয় করছি সেটা মূল বিষয় নয়। কিন্ত কেমন পন্য ক্রয় করছি সেটাই মূল বিষয় সেটা হতে পারে অনলাইনে বা কোনো ভালো শোরুম বা দোকান থেকে। শোরুম বা দোকান থেকে ক্রয়ের ক্ষেত্রে: যদি মনে হয় যে আপনি আপনার ল্যাপটপ কোনো ভালো এবং বড় মানের শোরুম থেকে নিজে গিয়ে পছন্দ করে ক্রয় করতে চান তাহলে আপনি শোরুমে গিয়েই ক্রয় করতে পারেন। ল্যাপটপ ক্রয়ের পূর্বে ল্যাপটপ সম্পর্কে ধারনা নিয়ে তারপর ক্রয় করা ভালো হবে।
অনলাইন থেকে ক্রয়ের ক্ষেত্রে: আপনার কাছে যদি কোনো শোরুমে বা দোকানে যাওয়ার মতো সময় বিদ্যমান না থাকে এবং আপনি ঘরে বসেই আপনার ল্যাপটপ ক্রয় করতে চাচ্ছেন তাহলে আপনি বিনা দ্বিধায় অনলাইনে ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে ভালো কোনো পেইজ বা ওয়েবসাইট থেকে সেটা ক্রয় করা সবচেয়ে ভালো হবে। অবশ্যই সেই পেইজ সম্পর্কে ধারনা নিয়ে যাচাই-বাছাই করে পন্য ক্রয় করা যেতে পারে । কারন অনেকের ধারনা অনলাইনে পন্য ক্রয় করলে সেটা মন্দ হয় বা টেকশই হয় না। কিন্তু সব অনলাইন প্রতিষ্ঠান একরকম হয় না। অনেকই অনলাইন প্লটফর্ম থেকে সবচেয়ে ভালো পন্য ক্রয় করে থাকেন।

ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহার করার সুবিধা-অসুবিধাগুলো কি কি ??

যেকোনো টেকনোলোজিকাল পন্য ব্যবহারেই কিছু সুবিধা-অসুবিধা থাকে। যেহেতু এসব ইঞ্জিন বিদ্যুৎ, ব্যাটারী, আইপিএস ইত্যাদি জাতীয় জিনিসের মাধ্যমে কাজ করা হয়।
ল্যাপটপ ব্যবহারে সুবিধা নিম্নরুপ :

❏ যেকোনো স্থানে বহনযোগ্য।
❏ আকারে ছোঁট, হালকা ও চেপ্টা প্রকৃতির অনেকটা বইয়ের ম
ত। ❏ যেকোনো অবস্থানে ব্যবহার যোগ্য।
❏ পরিবহনাধীন ভাঁজ করে নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
❏ কোনো বৈদ্যুতিক ঝামেলা ছারাই যেকোনো স্থানে থেকে ল্যাপটপ দিয়ে অফিসিয়াল কাজ করা সম্ভভ। ল্যাপটপ ব্যবহারে অসুবিধাগুলো নিম্নরুপ:
❏ যেকোনো স্থানে পারমানেন্টলি সেটআপ করার মত কোনো ব্যবস্থা নেই।
❏ ল্যাপটপের মূল্য ডেস্কটপের তুলনায় বেশি।
❏ এটির ব্যাটারী বেকআপ ভালো সার্ভিস তখনই দিবে যখন ল্যাপটপের প্রতিটা অংশ উন্নতমানের হবে।
❏ পানীয় জিনিস থেকে দূরে রাখতে হবে।
❏ ল্যাপটপ পরিষ্কার করার সময় সচেতন থাকতে হবে।

বিশ্বের শীর্ষ ১০ টি ল্যাপটপ ব্র্যান্ডের নাম কি ??

1. Apple.
2. Hp - Hewlett-Packard
3. Lenovo.
4. Dell.
5. Acer.
6. Asus.
7. MSI.
8. Microsoft Surface.
9. Razer. 10.Samsung.

এছাড়াও বিশ্বের আরও কিছু শীর্ষস্থানীয় Brand এর নাম নিচে উল্লেখ করা হল:

All Computer Brands

1. Dell ** United States 2. HP *** United States 3. Asus Taiwan 4. Samsung South Korea 5. Sony United States 6. Apple United States 7. Lenovo *** China 8. Acer Taiwan 9. AXIOO International Indonesia 10. Clevo Taiwan

11. Digital Storm United States 12. Doel Bangladesh 13. Elitegroup Computer Systems Taiwan 14. Eurocom Corporation Canada 15. EVE Devices Hong Kong 16. EVGA Corporation United States 17. Falcon Northwest – DRX, TLX United States 18. Google - Chromebook Pixel United States 19. Founder China 20. Getac (zh) Taiwan

21. Gigabyte Technology Taiwan 22. Gradiente Brazil 23. Grundig Germany 24. Hasee China 25. Huawei – Matebook China 26. Hyundai South Korea 27. iball India 28. Končar – Končar Elektronics and Informatics Inc. Croatia 29. Lanix – Lanix Portatiles, Neuron Mexico 30. Lava India

31. Lemote China 32. LG – Gram South Korea 33. Maguay (ro) - My Way Romania 34. Maingear United States 35. Medion – Akoya Germany 36. Meebox – Meebox, Slate Mexico 37. Micro–Star International (MSi) – Megabook, Wind Taiwan 38. Micromax Informatics India 39. Microsoft – Microsoft Surface United States 40. Myria (ro) Romania

41. NEC – VERSA, LaVie Japan 42. nJoy (ro) - Aerial Romania 43. Onkyo – SOTEC Japan 44. Origin PC United States 45. feed me[disambiguation needed] Malaysia 46. Panasonic – Toughbook, Let's Note Japan 47. Positivo Informática – Positivo, Platinum, Aureum, Unique, Premium Brazil 48. Pravetz – 64M Bulgaria 49. Purism – Librem United States 50. Razer – Blade Singapore

51. Samsung Electronics – Samsung Sens, Galaxy Book South Korea 52. Sharp – Mebius Japan 53. Siragon, C.A. Venezuela 54. Starmobile Philippines 55. System76 United States 56. Toshiba - Portege , Tecra , Satellite , Qosmio Japan 57. Tongfang China 58. VAIO Japan 59. Velocity Micro United States 60. Vestel Turkey

61. VIA – NanoBook, pc–1 Initiative United States 62. Vizio United States 63. Walton Bangladesh 64. Wortmann – Terra Mobile Germany 65. Xiaomi - Mi NoteBook China 66. XMG Germany

All Mobile Brands

1. -Samsung ** India/ South Corea 2. - Xiaomi ***** China 3. - Realme ** China 4. - Vivo *** China 5. - Oppo **** China 6. - Huawei China 7. - Apple China 8. - Nokia Finland 9. - Symphony ** China/ Indian 10. - Tecno China

11. - Walton * Bangladesh 12. - itel *** China 13. - Lava India 14. - One Plus ** China 15. - Infinix China 16. - Honor China 17. - Motorola India/USA/ China 18. - Google United States 19. - Lenovo China/Hong Kong 20. - Asus Taiwan

21. - Sony Japan 22. - HTC Taiwan 23. - LG South Corea 24. - BlackBerry Canada/China/ India 25. - Alcatel France/China 26. - TCL China/France 27. - ZTE China 28. - Meizu China 29. - Umidigi China 30. - Maximus/Simens BD BD/China

31. - Helio Taiwan 32. - WE China 33. - Mycell China 34. - Okapia China 35. - Micromax India 36. - Konka China 37. - Fujitsu Japan 38. - Hitachi Japan 39. - Toshiba Japan 40. - BenQ Taiwan 41. Gigabyte Technology Taiwan

বি.দ্র: যেকোন নতুন অথবা পুরাতন মোবাইল, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার কেনার সাথে সাথে এর ওয়ারেন্টি এবং গেরান্টি কার্ড সহ উক্ত প্রোডাক্টটির মেমো বা রসিদ, দোকানের ঠিকানা, এর নিকটবর্তী কাস্টমার কেয়ার, কাস্টমার সার্ভিস এবং উক্ত ব্র্যান্ডের এজেন্ট কোম্পানির স্থায়ীত্বতা, সরকারি অনুমোদন আছে কিনা এবং বর্তমান বিজনেস মার্কেটে এই কোম্পানি, ব্র্যান্ড এবং এজেন্টদের সুনাম কেমন ইত্যাদি।

উপরের ব্র্যান্ডগুলো থেকে আপনার ইচ্ছে মত যে কোন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ বা মোবাইল ডিভাইস আপনি ক্রয়ের পূর্বে এই সম্পর্কে আপনার কিছু ধারনা নেওয়া উচিত। ল্যাপটপ সম্পর্কে ভালো-মন্দ অনেকেই রিভিউ দিয়ে থাকে প্রয়োজনীয় হলে অবশ্যই সেই রিভিউগুলো দেখে ধারনা নিতে পারেন।

পরিশেষে....

যেকোনো টেকনোলোজির জিনিস ক্রয় করা হলে তার ভালো মন্দ সব কিছু জেনে ক্রয় করা উচিত এবং আগে থেকে সেই ডিভাইস সম্পর্কে ধারনা নেওয়া জরুরি।যেটা যত বেশি দামি হবে সেটা ততোবেশি টেকশই হবে এই কথাটা যেমন সত্য ঠিক তেমনি যে ডিভাইটি আপনি যত বেশি ভালভাবে যাচাই করে নিতে পারবেন তত বেশি আপনার প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। আর শুধু মাত্র লেপটপ, মোবাইল কিংবা ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস নয় যেকোন পণ্য ক্রয়ের পূর্বে যদি আমরা ভালভাবে দেখে শুনে যাচাই করে ক্রয় করতে পারি তাহলে ভবিষ্যতের ব্যবহারের ক্ষেত্রে তা আমাদের জন্য অনেক উপকারি হবে।
Offer Source: Plz, click here to show
Offer Id: 913
Company Name: Selltoearn.com and Urnisha Jaman Mohona
Contact No.: 01823660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: Economics/Accounting/Finance
Location: Anywhere in Bangladesh
Offer Title: বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতি কিরুপ (১৯ আগষ্ট, ২০২১ ইং) ? অর্থনীতির চাকা কিভাবে তরান্বিত করা যায় ? এই পরিস্থিতিতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশাজীবী মানুষের বাস্তব চিত্র:

Offer Details:

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতি কিরুপ (১৯ আগষ্ট, ২০২১ ইং) ? অর্থনীতির চাকা কিভাবে তরান্বিত করা যায় ? এই পরিস্থিতিতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশাজীবী মানুষের বাস্তব চিত্র:

অর্থনীতি কী ?

অর্থনীতি শব্দটির ইংরেজী অর্থ হল Economics।Economics শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ ‘Oikonomia’ থেকে যার অর্থ হল গৃহস্থালী পরিচালনা।আর একটি গৃহস্থালী পরিচালনা করার জন্য যথেষ্ট ও পর্যাপ্ত পরিমান অর্থের প্রয়োজন। তাই একটি পরিবার ও এর গৃহস্থালী পরিচালনা থেকে শুরু করে মানুষের সামগ্রীক চাহিদা, অভাব, উপযোগীতা ও যোগানের লক্ষ্যে অর্থ বা সম্পদ ব্যবহারের মূল নীতিকেই অর্থনীতি বলা হয়।

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতি কিরুপ ?

বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই হতাশাব্যাঞ্জন। বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত হল প্রবাসী আয়, তৈরী পোশাক শিল্প, পাট ও চামড়া দ্রব্য, আইসিটি খাত এবং এছাড়াও আরও কিছু কৃষিজ পণ্য।বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের কারণে সকল প্রকার রপ্তানি আয়ের খাত বন্ধ। স্কুল, কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ প্রায় দের বছর যাবৎ। শিক্ষক শিক্ষিকাগণ বেকার। বিকল্প আয়ের নেই কোন সু-ব্যবস্থা। পুরো ব্যবসা জগৎ এখন পতনের মুখে। গাড়ির চাকা না ঘুরলে যেমন পরিবহন খাত পঙ্গু তেমনি অর্থনীতির চাকা না ঘুরলে ব্যবসা-বাণিজ্যের খাত অচল।অর্থনীতির আর একটি গোপনীয় সূত্র হল: ‘আপনি যদি কোন পণ্যের সঠিক উপযোগ সৃষ্টি করতে পারেন তবে ঐ ব্যবসা বা পেশায় আপনার সাফল্য নিশ্চিত’। এমন আরও গোপন টিপস্ পেতে আমাদের এই পেজটিতে ভিজিট করুন:
 https://selltoearn.com/article/whatisbusiness.php

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতেকে আরও চাঙ্গা করতে যা প্রয়োজন:

 প্রথমত সকল প্রকার শিল্প-কারখানা, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান সহ সরকারি ও বেসকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে হবে অবিরামভাবে।
 করোনা পরিস্থিতিতে দূরত্ব বজায় ও স্বাস্থ্যবিধী মেনে যেকোন কাজে নিয়োজিত হতে হবে।
 বাংলাদেশের প্রতিটি খাতে সরকারের অর্থ বরাদ্দ করতে হবে আরও বেশি আর্থনৈতিক প্রবিদ্ধি বাড়ানোর জন্য।
 কর ফাঁকি, কালো টাকা পাচার, অবৈধ ব্যবসার আমদানী ইত্যাদি বন্ধের লক্ষ্যে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।
 এছাড়াও বাঙ্গালীকে উন্নত দেশসমূহের ন্যায় আরও বেশি পরিশ্রমী হতে হবে। প্রয়োজনে কর্ম ঘন্টা বাড়িয়ে দিয়ে বেশি বেশি অর্থ উপার্জন করতে হবে। বেশি বেশি অর্থ উপার্জন করলেই অর্থে সুষ্ঠু নীতি বহাল ও বাস্তবায়িত হবে। যতদূর সম্ভব দেশীয় উৎপাদিত পণ্যদ্রব্যে ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়ে বিদেশী পণ্যের ব্যবহার কমাতে হবে। তাহলেই একমাত্র সম্ভব দেশের অর্থনীতির দৃষ্টিনন্দন সমৃদ্ধি।

আমরা লক্ষ্য করলে দেখতে পাব যে, বিশ্বের নেতৃত্বস্থানীয় দেশসমূহ তাদের অর্থনীতিকে বলিষ্ট রাখতে কতটা ব্যস্ত ও সতর্ক হয়ে পড়েছিল। কারণ তারা জানেন দেশের অর্থনীতিতে ভঙ্গুর অবস্থা হলে বিশ্বের শীর্ষ দেশের নামের তালিকা থেকে তাদের দেশের নাম কাটা পরবে। এবং তারা দিনে দিনে আরও বেশি গরিব হয়ে পরবে।আমরা জানি ‘Money begets money’ অর্থাৎ টাকায় টাকা আনে। ঠিক তেমনি পুঁজিবাদীরা আরও পুঁজি বা অর্থ উপার্জন করে কিন্তু যারা গরিব ও নিম্ববিত্ত তারা দিনে দিনে আরও বেশি শোষিত হয়।

কর্মস্থলে কর্মীদের বৈষম্যের একটি অর্থনৈনিক প্রতিচ্ছবি:

একটি কর্মস্থলে বা কোন অফিস কিংবা কোম্পানিতে আমরা দেখতে পাই যে সেখানে তিন শ্রেণীর কর্মী বিদ্যমান। যেমন:
1. উর্ধ্বতন কর্মকর্তা

2. মধ্যস্তরের কর্মকর্তা

3. এবং অধঃস্তন কর্মকর্তা

উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক এবং মালিক পক্ষের ব্যক্তিদের নিকট সবসময় নিদেজ সাফল্য এবং কৃতিত্ব প্রদর্শনে ব্যস্ত থাকেন। এবং তারা মধ্যস্তরের কর্মীদের শাসন-প্রেরণা কিংবা বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ আদায় করে নেন।ঠিক তেমনে মধ্যস্তরের কর্মীগণ একই উপায়ে অধঃস্তন কর্মীদের নিকট থেকে কার্য আদায় করে নেন। কিন্তু প্রশ্ন হল এই অধঃস্তন ও মধ্যস্তরের কর্মীর অভিযোগ কিংবা পরামর্শ কি মালিক শ্রেণী অথবা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শ্রেণীর নিকট উর্ধ্বতন কর্মকর্তা পৌঁছাতে দেন। এই প্রশ্নটির উত্তর আমার জানা নেই। তাহলে পরোক্ষভাবে আমরা এটিও লক্ষ্য করতে পারি যে সকল ক্ষেত্রে একটি বৈষম্য প্রতিনিয়ত বিরাজমান।

এবার আসা যাক সমাজে বসবাসরত মানুষের মধ্যে শ্রেণীবৈষম্যেল প্রভাব কিরুপ এবং এর প্রতিকারের ব্যবস্থা:

মানুষকে বলা হয় সৃষ্টির সেরা জীব।সৃষ্টিকর্তা মানুষদের এমন ভাবেই সৃষ্টি করেছেন যার মোকাবেলা অন্য কোনো প্রানী করতে পারবে সেটা তাদের সাধ্যের বাহিরে। কিন্তু মানুষেরাই আজ মানুষদের মাঝে বিভিন্নভাবে দ্বন্দের সৃষ্টি করছে।একজনের সাথে আরেকজনের মধ্যে চলছে অর্থের লড়াই, হচ্ছে বিভন্ন শ্রণীর মোকাবেলা। আর সেটা করছে আমাদেরই তৈরি করা সমাজব্যবস্থা। সমাজে তথাকথিত জ্ঞানী ব্যক্তির অভাব নেই বললেই চলে। তাদের কাছে জ্ঞানের ভান্ডার অঢেল। ওনারা বিভিন্নভাবে জ্ঞান সঞ্চয় করেন এবং জ্ঞানগুলো সমাজে বিলিয়ে দেন। আর সেই জ্ঞানগুলোকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠে বিভিন্ন নিয়ম-নীতি। আর এসব নিয়ম-নীতির মধ্যে রয়েছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যা মানুষদের মাঝে ভেদাভেদ নামক একটা দেয়াল তৈরি করেছে। সেখানে মানুষদের মাঝে রয়েছে উচু ও নিচু শ্রেণী।

সমাজে মানুষদের বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগ:

আমরা যে সমাজে বাস করি সেখানে জ্ঞানী ব্যক্তিদের কিছু বানী শুনতে পারি আমরা যে, মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ হয়না, আমরা সবাই মানুষ সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড়পরিচয়।কিন্তু সেই ব্যক্তিরাই আবার সমাজে মানুষদের তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করেছেন।যেমন :

❏উচ্চবিত্ত

❏মধ্যবিত্ত

❏নিম্নবিত্ত

এই প্রতিটি শ্রেণীতে ভাগকরা মানুষরা কোনো না কোনো শ্রেণীর মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত আছে।আশ্চর্যের বিষয় হলো মানুষদের তিন শ্রেণীতে ভাগ করলেও এদের গঠন একই কিন্তু আসল ভেদাভেদ হচ্ছে অর্থে, নিমিত্তে, উচ্চবিলাসিতায়, গাড়ী আর বড় বাড়ি নিয়ে।

এখন আমরা জানবো কিসের ভিত্তিতে মানুষদের শ্রেণীবিন্যাস করা হয়??

যার যার উপার্জনের উপর নির্ভর করে মানুষদের তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
❏যারা লাখ-কোটি টাকা উপার্জন করেন তাদের উচ্চবিত্ত বলা হয়।
❏যারা হাজার-লাখের কম বা লাখে পৌঁছানো যায়না এমন উপার্জন করেন তাদের মধ্যবিত্ত বলে।
❏ এবং অবশেষে যারা একশত- হাজারে পৌঁছানো অব্দি সামর্থ্য অর্জন করে তাদের নিম্নবিত্ত বলে।হয়তো বছরে তিন-চার বার এই নিম্ন বিত্ত শ্রেণীর মানুষদের হাজার টাকা দেখার সৌভাগ্য হয় বা ওনারা উপার্জন করতে সক্ষম হন। আর এসব শ্রেণীতে ভাগ হওয়ার ফলেই হয়তো সবচেয়ে অবহেলিত হচ্ছে নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্যরা।যাদের সম্মান আমাদের সমাজের কাছে কিঞ্চিত পরিমান।

নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্যরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী কিভাবে তাদের জীবন অতিবাহিত করছেন ??

উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা তাদের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হলেও নিম্নবিত্ত পরিবারের চাহিদা তুলনামূলক কম তথাপি নেই বললেই চলে।তিন বেলা খাবার খেয়ে, পরিধান করার মতো বস্র পেলেই ওনারা আনন্দে ভাসে।হয়তো এটাই নিম্নবিত্তদের জন্য সর্বচ্চো সুখ, কিন্তু এটুকু চাহিদা মেটানোর সাধ্য ওনাদের থাকেনা। এমনকি সবসময় এই চাহিদা মেটানোর সুযোগ হয়ে ওঠেনা নিম্নবিত্তদের। তারপরও কোনো অভিযোগ ছারাই দিব্যি জীবন যাপন করছে।কঠোর পরিশ্রম দিয়ে যতটুকু আয় করাযায় তিনবেলা নাহলেও দুবেলা অন্নগ্রহণ করে দেহটাকে সুস্থ রাখতে।

কথায় আছে “পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি”

যদিও এইকথাটা কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সঠিক কিন্তু সবারক্ষেত্রে নয়। সেটা নিম্নবিত্তদের পরিস্থিতি উপলব্ধি করে বোঝাযায়।তাদের কাছে এই কথার মর্ম ঠিক কতটুকু একমাত্র তারাই ব্যক্ত করতে পারবে।

নিম্নবিত্তদের এই করোনা পরিস্থিতিতে কিরুপ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে ??

নিম্নবিত্তদের আয় খুবই সীমিত। তারা যতটুকুই পরিশ্রম করে সারাদিনে তার তুলনায় অর্থ উপার্জন হয় খুবই কম তারপরও দিনশেষে সেটা নিয়েই ঘরে ফিরতে হয় তাদের। কিন্তু এই করোনা পরিস্থিতির জন্য নিম্নবিত্তদের কাজ পাওয়াটাই যেন দুঃসাধ্য হয়ে পরেছে। কোথাও কাজের কোনো গতি নেই। যারা রিকশা, অটো, ভ্যান চালায় তারা কিছু আয় করতে পারলেও।যারা দিন মজুর, কৃষক, শ্রমিক তাদের কাছে এই লকডাউন সময়ে কাজ নেই বললেই চলে। কোনো রকম এক বেলা অন্নগ্রহণ করলেও অনেক দিন এমনও যায় খালিপেটে কাজের জন্য হণ্য হয়ে ঘোরে কিন্তু কাজের নাগাল পাওনা যায়না। কাজ পেলেও ততটুকু অর্থ উপার্জন হয় না যা দিয়ে দুবেলা নিজের পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিতে পারবে। এমনকি গুরুতর অসুস্থ হলেও চিকিৎসা করার কোনো উপায় নেই। যেখানে অন্নগ্রহণ করার ক্ষমতা নেই সেখানে ডাক্তার দেখিয়ে ঔষধ কিভাবে খাবে। এমন অনেক পরিবার আছে যারা এই করোনা কালীন আপনজনদের হারিয়েছে, পরিবারের একমাত্র উপার্জন ক্ষম সদস্যকে হারিয়েছে।আর্তনাদ, শোনার মত কেউ নেই অবহেলায় দিন শেষে সব অভিযোগ যেন চোখের জল হয়ে গড়িয়ে পড়ে।

কিভাবে আমরা এই করোনা পরিস্থিতিতে নিম্নবিত্তদের সাহায্য করতে পারি ??

❏ কোনো রকম লকডাউনের পূর্বে নিম্নবিত্তের কাজের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
❏ নিম্নবিত্তদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমান খাবার পৌঁছে দেওয়া যাতে লকডাউনে খাবার নিয়ে তাদের কোনো ভোগান্তি না হয়।
❏ গুরুতর অবস্থায় তৎক্ষনাৎ চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
❏ থানা বিত্তিক কয়েকজন উচ্চবিত্তদের সাহায্যে নিম্নবিত্তদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধ বিনামূল্যে সরবরাহ করার ব্যবস্থা করা।
❏ শীতকালে প্রয়োজনীয় বস্র বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
❏ সকল নিম্ন বিত্তদের মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগের আওতায় নিয়ে আসা।
❏ সাপ্তাহিক বা মাসিকভাবে তাদের ভালো-মন্দের খবরাখবর নেওয়ার পদ্ধতিতে অবলম্বন করা।

এসব উদ্যোগ নেওয়ার মাধ্যমে নিম্নবিত্তদের কিছুটা সাহায্য করা যেতে পারে।

পরিশেষে...

বাংলাদেশ দরিদ্র দেশ হলেও অনেক উচ্চবিত্ত পরিবার আছে এদেশে। উচ্চবিত্তদের অপ্রয়োজনীয় কিছু চাহিদা হ্রাস করে এবং উচ্চ বিলাসিতায় তাদের যে অর্থ ব্যয় হয় সেই অর্থ যদি নিম্নবিত্তদের জন্য ব্যয় করে কাজে লাগানো হয় তাহলে হয়তো এই অর্থগুলো প্রকৃত মূল্যে মূল্যায়িত হতো। উচ্চবিত্তরা চাইলেই নিজ নিজ এলাকা, গ্রামে, ইউনিয়নে, থানা ও জেলা-উপজেলায় কিছু অর্থ দিয়ে নিম্নবিত্তদের সাহায্য করতে পারে লকডাউন সময়ে। এবং বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে তাদের সহায়তা করার কৌশল অবলম্বন করতে পারে। তাতে দেশে নিম্নবিত্তরা পরিশ্রম করে তাদের পরিবারকে নিয়ে তিনবেলা খাবার খেয়ে ভালো ভাবে জীবনযাপন করতে পারবে ফলে দারিদ্রতা হ্রাস পাবে।


Offer Source: Plz, click here to show
Offer Id: 912
Company Name: Selltoearn.com
Contact No.: 01823660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: Career
Location: GAZIPUR
Offer Title: সিভি কি ? কোথায় কিভাবে সিভি প্রেরণ করবো ?

Offer Details:

সিভি কি ? কোথায় কিভাবে সিভি প্রেরণ করবো ?

ইংরেজী শব্দ সিভি CV এর ফুল ফর্ম হলো; Curriculum Vitae যা আভিধানিক অর্থ হল জীবন বৃত্তান্ত। আবার Resume শব্দটির অর্থও জীবন বৃত্তান্ত।কিন্তু দুটির মধ্যে সামান্য পার্থক্য হল সিভিতে জীবন বৃত্তান্তের বিস্তারিত বর্ণনা থাকে আর রেজিউম এর মধ্যে জীবন বৃত্তান্তের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া থাকে। Resume ও Curriculum Vitae শব্দদুটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ resume ও Curriculum Vitae থেকে। Curriculum Vitae শব্দের আর একটি নাম হল Bio-data অর্থাৎ জীবন বৃত্তান্ত।

চাকরীর বাজারে প্রাথমিকভাবে একজন প্রার্থী তার সকল পড়াশুনার যোগ্যতা সুন্দরভাবে একটা প্যাটার্নে লিখে, তাই সিভি। এই সিভিতে সাধারণত একজন প্রার্থীর পড়াশুনার পাশাপাশি তার পড়াশুনার বাহিরে কোন কাজের অভিজ্ঞতা আছে কিনা তা যুক্ত থাকে এবং সাথে সাথে তার অন্য কোন দক্ষতা আছে কিনা তাও যুক্ত থাকে।
কিন্তু এই সিভি তৈরী সঠিকভাবে না হওয়ার কারণে অনেক প্রার্থীই ইন্টাভিউ বোর্ডে ডাক পান না তার কাঙ্ক্ষিত চাকরীতে। এমন অনেক চাকরী প্রার্থীই আমরা বর্তমানে দেখতে পাই যারা কিনা একই প্রতিষ্ঠানে বার বার তাদের সিভি দিয়েও ডাক পান না। কারণ এই সিভি তৈরীতে আপনি কৌশলী ছিলেন না। ধরেন, আপনার একজন গাড়ীর ড্রাইভার লাগবে, তো সেই জন্যে আপনি একটা সার্কোলার দিলেন যে আপনার একজন অভিজ্ঞ ড্রাইভার লাগবে। দেখা গেলো অনেকই অ্যাপ্লাই করলো কিন্তু কেউই ড্রাইভিং-এ অভিজ্ঞতা আছে এমন অ্যাপ্লাই করে নি।
তাহলে আপনি কি করবেন? নিশ্চয় কাউকে ডাকবেন না? তাই না? চাকরীর বাজারও ঠিক এমন, আপনি যে ধরনের চাকরি চাইছেন, সিভি হয়তো তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় অথবা আপনার কাঙ্ক্ষিত সিভিতে তথ্যাদি উপস্থাপনে কোথাও ত্রুটি রয়ে গেছে কিংবা সিভিতে সব ধরনের তথ্যই উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও উপস্থাপন কৌশলে কোথাও হয়ত ভুল রয়ে গেছে। আবার এমনও হতে পারে, আপনার যোগ্যতা প্রমাণে সবচেয়ে উপযুক্ত তথ্যটিই অন্য সব তথ্যের আড়ালে পড়ে গেছে এবং নিয়োগদাতার দৃষ্টি তাই এড়িয়ে গেছে। সিভিতে এমন অজস্র কৌশলগত ভুল থেকে যেতে পারে, যা একান্তই কাম্য নয়।

কেন সিভি তৈরি করবো?

ধরেন আপনি একটা দোকানে গেলেন কাপড় কেনার জন্যে, তাহলে প্রথমেই কি দেখবেন? দোকানের সাজসজ্জা, অ্যারেঞ্জমেন্ট ঠিকঠাক মতো আছে কিনা? যদি অগোছালো হয় তাহলে আপনার ভালো লাগবে? নিশ্চয়ই না?
ঠিক তেমনি চাকরী প্রার্থী চাকরী পাওয়ার জন্যে তার সিভিকে ঠিক মতো যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা দিয়ে সাজিয়ে তৈরী করবে। এটা দেখার পর তাকে চাকরীর জন্যে ডাকা হয়। সিভি হচ্ছে প্রার্থীকে দেখার পূর্বের প্রথম এপিয়ারেন্স।
অনেকেই ভুল করে ব্যক্তিগত পরিচয়টাই সিভিতে বেশি উপস্থাপন করেন। কিন্তু সিভি আসলে শিক্ষাগত যোগ্যতা, গুণ এবং দক্ষতার একটি পরিপূর্ণ প্যাকেজ হওয়া উচিত যা দেখা মাত্রই একজন প্রার্থীর ভাইভা নেওয়ার জন্যে নিয়োগকর্তা উৎসুক হয়ে থাকবেন।

একটি স্ট্যান্ডার্ড সিভিতে কী কী থাকা প্রয়োজন? প্রথমেই বলে নিচ্ছি একটি সিভি হল চাকুরী প্রার্থীর জন্য রিমুট ডিসপ্লে অর্থাৎ সিভিতেই আপনার অস্তিত্বের সার্বিক প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠবে।

বর্তমান সময়ে এত বেশি চাকরীপ্রার্থী যে, তাদের মধ্য থেকে সবচেয়ে ভালোজনকে খুঁজে বের করতে আধুনিক নিয়োগকর্তারা প্রার্থীর প্রায়োগিক গুণ ও দক্ষতাকেই বেশি গুরুত্ব দেন। তারা জানতে চান প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সাফল্য সম্পর্কে। তাই বর্তমান সময়ের সিভিতে এর প্রতিটি বিষয়ই উপস্থাপন জরুরি। প্রত্যেকেরই নিজের সিভি নিজেকেই তৈরি করা উচিত। সিভিতে কি কি থাকা দরকার তার আগে প্রথমেই আলোচনা করা যাক-

সিভি সাধারণত কত প্রকার?

প্রকৃতপক্ষে সিভি তৈরির ফরমেট ৩টি :
১) ক্রনোলজিক্যাল (Chronological)
২) ফাংশনাল (Functional) এবং
৩) কম্বাইন্ড (Combined)।

১.ক্রনোলজিক্যাল (Chronological)সিভিঃ ক্রনোলজিক্যাল ফরমেটটি সিভির সবচেয়ে জনপ্রিয় যে ফরমেট । চাকরির পদবি, চাকরির স্থান এবং চাকরির কার্যকালকে এতে হাইলাইট করা হয়।
ক্রনোলজিক্যাল ফরমেট উপযোগী হবে যখন আপনি একই ধরনের পেশায় বহুদিন কর্মরত ছিলেন এবং ক্রমোন্নতি হল আপনার কাজের ধারা। পেশাগত অবস্থান, প্রতিষ্ঠান, দায়িত্ব এবং দায়িত্বকাল ও অভিজ্ঞতার অংশ এর পরের পর্যায়ে। নিয়োগদাতাগণ সাধারণত এ ধরনের ক্রনোলজি ফরমেটটি পছন্দ করেন। সিভিটি দেখার সাথে সাথে তারা প্রার্থীর সর্বশেষ পেশাগত অবস্থা খুব সহজেই জানতে পারেন।
২.ফাংশনাল (Functional) সিভিঃ দক্ষতাভিত্তিক হেডিং ব্যবহৃত হয় এই Functional ফরমেটটিতে। এ ক্ষেত্রে সর্বোত্তম দক্ষতা এবং সাফল্য দেখানো হয় তা প্রথমে বর্ণনা করা থাকে। আপনার অর্জনগুলো কর্মধারাক্রম (work flow) তে সংক্ষিপ্তভাবে সতর্কতার সাথে প্রদর্শন করতে হবে। ফাংশনাল ফরমেটটি সাধারনত তারাই ব্যবহার করে থাকেন যারা ক্যারিয়ার পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন বা গ্যাপ দিয়ে পুনরায় জব মার্কেটে ঢুকতে চাচ্ছেন।
৩.কম্বাইন্ড (Combined)।সিভিঃ উপরে উল্লেখিত ক্রনোলজিক্যাল এবং ফাংশনাল দুই ধরণের ফরমেট একত্র করে কম্বাইন্ড সিভি তৈরী করা হয়। এটি সাধারণত দুই ভাবে তৈরী করা হয়। প্রথমে দক্ষতা ও সফলতার বিবরণ এবং তারপর অভিজ্ঞতার বিবরণ দিতে হবে। কম্বাইন্ড ফরমেটটি আমরা ব্যবহার করতে পারি সেই ক্ষেত্রে যখন আমাদের অতীতের ক্যারিয়ার জীবন খুবই ফলপ্রসূ ছিল এবং অভিজ্ঞতার আলোকে দক্ষতা ছিল খুবই দৃষ্টিনন্দন ও সমৃদ্ধশালী।

এই পর্যায়ে আলোচনা করবো একটি আদর্শ সিভিতে কী কী থাকা জরুরী?

সিভির সর্ব প্রথমে যে বিষয়টি থাকে তা হচ্ছে হেডিং। এ অংশে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, ই-মেইল এড্রেস, এনআইডি কার্ডের নম্বর (যদি প্রয়োজন হয়) এমনকি যদি আপনার ওয়েব এড্রেস কিংবা ব্লগ সাইট থাকে তাহলে সেটিও উল্লেখ করতে পারেন। সিভির শুরুতে এ অংশটুকু পৃষ্ঠার ওপরের মধ্য অংশে বা বাম পাশে লিখতে হবে। আর ডান পাশে থাকবে

আপনার সম্প্রতিক তোল পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ফরমাল ছবি (কোন সানগ্লাস পড়া না হলে ভাল)।

এরপর আসবে জব অবজেক্টিভ অর্থাৎ আপনি জবটা করার উদ্দেশ্য কি? কোন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনে আপনি সক্ষম হবেন এবং সিভির যাবতীয় তথ্য কোন দৃষ্টিকোণ থেকে পড়তে হবে সেটা জব অবজেক্টভ নিয়োগ দাতাকে বলে দেবে। কিন্তু এই জব অবজেক্টিভ হবে সংক্ষিপ্ত কিন্তু সেটা যেন যুক্তিযুক্ত হয়। এরপর পরের ধাপ হল অভিজ্ঞতার সারসংক্ষেপ যা কিনা খুবিই গুরুত্বপূর্ণ। যে পেশা ও পদের নাম আপনি জব অবজেক্টিভ অংশে উল্লেখ করেছেন সে পেশার জন্য আপনি কেন একজন আদর্শ প্রার্থী এখানে সে কথাই লেখা থাকবে।
এখানে ধারাবাহিকভাবে আপনি আপনার অভিজ্ঞতা, পদবি, আপনার সম্পর্কে এক্সপার্ট মূল্যায়ন, বিশেষ জ্ঞান ও দক্ষতা, ব্যক্তিগত মূল্যবোধ, কর্ম নৈতিকতা, এথিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড দিবেন, যা কিনা আপনার কাঙ্খিত পেশার অনুকূলে বিবেচিত হবে। তারপর হল, শিক্ষাগত যোগ্যতা যা এডুকেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড শিরোনামেও দেওয়া যায়। গ্রাজুয়েট অথবা আপনার পেশা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কোনো প্রশিক্ষণ বা ডিগ্রি থাকলে অবজেকটিভ এর নিচে শিক্ষাগত যোগ্যতাটি প্রদর্শন করবেন। তবে অনেক সময় দেখা যায় দরখাস্তের সঙ্গে একাডেমিক তথ্যাদিসহ সিভি চাওয়া হয়। তখনও আপনি এটি করতে পারেন।
সিভিতে ব্যক্তিগত কিছু তথ্য এবং শিক্ষাগত তথ্যের পর সবশেষে আপনার সম্পর্কে ভালো জানে এবং সমাজে যাদের পদবি উচ্চ যেমনঃ হত আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা চেয়ারম্যান এমন ২ জন ব্যক্তির রেফারেন্স সংগ্রহ করে সিভিতে সংযুক্ত করুন।
তবে যার রেফারেন্স আপনি ব্যবহার করবেন তার নাম, চাকরীর পদবি, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল এড্রেস এবং বাসার ঠিকানা সেই সাথে লিখে দিতে হবে ঐ রেফারেন্সধারীর নিকট হতে অনুমোতিক্রমে। কারণ চাকরী কনফার্ম করার আগে নিয়োগদাতা তাদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার সম্পর্কে জানতে চাইবে। এই হচ্ছে সিভি তৈরীর সম্পূর্ণ ধারণা যা কিনা selltoearn.com কিংবা অন্য যেকোন প্রতিষ্ঠানে আপনার সিভি দেওয়ার জন্যে জানা অপরিহার্য।

কিছু স্যাম্পল সিভি এর নমুনা ও তথ্যের উদাহরণ হিসেবে নিচে কিছু লিংক দেয়া হল:

এখানে উভয় অভিজ্ঞ ও ফেশ্রার বা মাঝারি অভিজ্ঞতা পর্যায়ের সিভি দেখানো হল:
1. https://www.selltoearn.com/displaybio2.php
2. https://www.selltoearn.com/CV%20Bank/CV%20Bank%201.html
3. http://www.selltoearn.com/CV%20Bank/CV%20Bank%202/CV%20Bank%201.html
4. http://www.selltoearn.com/CV%20Bank/CV%20Bank%203/CV%20Bank%201.html
এছাড়ও কিছু কোম্পানির নাম দেওয়া হল নিচের লিংকে যা থেকে দেশীয় কোম্পানির একটি ধারণা আপনি পাবেন ?
1. https://selltoearn.com/facetube/business/page1.html
2. https://www.selltoearn.com/career/career4.php
3. https://www.selltoearn.com/career/career5.php
4. https://www.selltoearn.com/career/career11.php
5. https://www.selltoearn.com/career/career12.php
6. https://www.selltoearn.com/career/career3.php
7. http://www.selltoearn.com/facetube/business/page2.html
8. https://selltoearn.com/facetube/special/page1.html

কেন আপনি চাকুরি পাচ্ছেন না ? যেভাবে চাকুরি পেতে পারেন: শিরোনামে আমাদের একটি লিংক নিচে দেওয়া হল: লিংকটি ভালভাবে পাড়বেন।

• https://selltoearn.com/facetube/Link/l2.html
এর পাশাপাশি যারা বিদেশে চাকুরী করতে চান তার জন্য একটি লিংক নিচে শেয়ার করা হল: 1. https://www.selltoearn.com/career/career2.php
2. https://selltoearn.com/article/bdjobs.php

বাংলাদেশের কিছু স্বনামধন্য কোম্পানির তালিকা নিচে দেয়া হল যেখানে আপনি তাদের সার্কুলার মোতাবেক শর্ত স্বাপেক্ষে আবেদন করতে পারেন তারে নির্ধারিত আবেদন প্রক্রিয়া অনুসারে:

1. A Plus Industries Ltd. 2. AT Computer 3. Ace Autoes ltd 4. AJI Group 5. Automation Engineering
6. Al Muslim Group
7. Ananta Group
8. Aparajeyo-Bangladesh 9. Apex Husain Ltd
10. Ascott The Bangladesh Ltd.
11. Asrotex
12. Assurance Development Limited
13. Azad knit Composite Textile Mills Ltd.
14. B & F Company Limited 15. Bandhu Social Welfare society
16. Bangladesh Foundry & Engineering Works Limited - BFEW
17. Bangladesh University 18. Bashundhara Group
19. BRAC University 20. Business Network Institute
21. CACO Chemical Industries Limited
22. Central women’s University 23. Chartered Life Insurance Company
24. Comprehensive Holding Ltd.
25. Community Development Centre- CODEC
26. Concern Worldwide
27. Creative Interior
28. Centre for the Rehabilitation of the Paralysed (CRP)
29. Ctmrs Group
30. Datasoft Systems Bangladesh 31. Dnet
32. East west university
33. ENA Group 34. Escape Bangladesh Ltd. 35. ESDO
36. Eskayef Bangladesh
37. Excelsior Trading Corporation Ltd.
38. Fashion Xpress Ltd.
39. Fly Dubai
40. GACO Pharmaceuticals Ltd.
41. Genuity System Ltd.
42. Globex Marketing Company Ltd.
43. Hatim Group
44. HIKARI
45. Heed International Bangladesh
46. HMBR Group
47. Hurdco international School
48. Insight Institute of Learning
49. Intraco Group
50. Intramex Group
51. Islami Bank Hospital
52. KDS Accessories Ltd
53. KMN Consulting (CV Bank) 54. KSRM 55. Kyoto Engineering & Automation
56. LAMB
57. Libra Group 58. Lion mukhlesur Rahman Foundation
59. Living Stone Limited
60. Marie Stopes Bangladesh
61. Mir Akther Hossain Ltd.
62. Muslim Aid
63. Mutual Trust Bank
64. Mycell Mobile
65. Nassa Group
66. Nielsen Company Bangladesh
67. North-South University 68. Northern University Bangladesh 69. Opex and sinha textile group 70. Oriental Group 71. Pran RFL 72. Prostar apparels Ltd
73. Q and Q Trading
74. Regent group
75. Resource International Centre
76. REVE system 77. Roshawa Group 78. Ross Limited
79. S.A. Trading
80. Sadakalo
81. Sahara Corporation
82. Samadsons Group 83. Seasons Hospitality(A New 5 Star Boutique Hotel in Dhaka)
84. Shinest Group
85. Shurwid industries
86. Solar Intercontinental (SOLARIC) Ltd.
87. Sonargaon University 88. Square Group
89. Sundarban Courier Service
90. Swan International
91. T.K. Group
92. The Aristocrat 93. The Millennium University 94. TIB 95. Tradevision
96. United International University 97. United Group 98. Univet Limited 99. VERC 100. Wave Foundation
101. Windmill 102. Ashiyan Group
103. Mir Group 104. GIZ 105. Action Aid 106. D16 Pharma & Biotec Ltd.
107. Pasific a1
108. BSB-Cambrian Education Group
109. BSB Global Network 110. BSB Foundation 111. Practical Action, Bangladesh 112. Shushilan 113. Grassroot Communication 114. Windmill Advertising Limited 115. First Security Islami Bank 116. Granton 117. Peace International School (Uttara Campus) 118. Max Sweater (BD) Ltd. 119. Hotel Victory Limited 120. Pacific Group 121. A reputed telecommunication company 122. DCS Organization 123. Shaptorshi Group 124. Transcom Consumer Products Ltd. 125. Sharif Technology & Trait (PVT) Ltd 126. Aircon & Elevator Technology 127. SINOTEC Bangladesh Ltd 128. Starlit school of English 129. Nippon Express Bangladesh Ltd. 130. Bright Group 131. Smart Technology (BD) Ltd. 132. Dhuumcatu social organization
133. Hussain Pulp & Paper Mills ltd 134. Blassing School Dhaka 135. nexus 136. Buildtrade Group 137. Hoque Solutions 138. wooribank
139. Marie Stopes DFID Project 140. The Straight Light Studio 141. pacificsolar
142. Pinaki Group 143. Room to Read Bangladesh 144. Windmill Infotech Limited 145. Silco Pharmaceuticals Ltd 146. Ingenious Group 147. Quantam Builders & Engineering Ltd.
148. CMEP Advising 149. Southtech Limited 150. Antaralay 151. NURUL FARUK HASAN & CO. 152. Selltoearn.com
153. Square Apparels Ltd. 154. Media STN 155. Hamid Fabrics Ltd 156. Oasis Transformation Limited 157. GSK
158. NARRI 159. Newcastle University College 160. Dhaka Ahsania Mission (DAM) 161. Infobase Ltd 162. Sysnova Information Systems
163. Sentry Security Service Ltd. 164. Power Grid Company of Bangladesh Ltd (PGCB) 165. The Daily prothom-alo 166. ATR FOOD PROCESSING LTD. 167. Prothoma Prokashon
168. mars sysdicate 169. ETB Group 170. Servier Bangladesh Operations 171. INTERSTOFF APPARELS LTD
172. Bangladesh Air Force 173. imanob entertainment 174. international Beverages Private Limited 175. TRUSTCO
176. Prime(BD) Inspection Services Ltd
177. Grow Partners 178. Mono Group 179. The Christian Co-operative Credit Union Limited, Dhaka 180. Coastal Development Partnership 181. BetaOne Investments Limited 182. CavinKare (Bangladesh) Private Limited 183. Prominent Fabrics 184. Trading House International
185. Smart Care Corporation 186. Standard Bank Limited 187. anontex Group
188. Swan group 189. Index Accessories Ltd
190. Faith Consultency 191. Padma Diagnostic Centre Ltd 192. Aquamatch Water Treatment company 193. M/S Nazrul and Brothers 194. SHAH MARINE RESORT
195. Shamsul Alamin Real Estate Ltd. 196. Hybrid Marketing
197. Changzhou Xichen Diao Textile Co.,ltd
198. Selcom Group 199. OCULIN TECH BD LTD.
200. Eptisa Servicio de ingineria L.T 201. Contraco W.L.L 202. Bitopi Group
203. Banglafire Solution Ltd
204. Milestone College 205. The Christian Co-operative Credit Union Limited, Dhaka 206. Al- Arafah Islami Bank Limited 207. ডিমলা পলিটেকনিক অ্যান্ড টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট 208. Alltech Bangladesh 209. shahjalal islami bank 210. Bangladesh Freight Forwarders Association (BAFFA) 211. Asia Composite Mills Ltd 212. Brac 213. SINHA Printers Ltd. 214. The Entrance Restaurant 215. Arabian Gulf Associates Co. Ltd.
216. amaridhaka
217. Concord Group of Companies 218. Osiris Fund (BD) Pvt. Limited
219. Shell Corporation Bangladesh Ltd.
220. Liban Beverage Factory (LBF) 221. EcoDE Lighting (Pvt) Ltd. 222. R P Trading Co . Export Import Company 223. The University Campus 224. Grameen shakti shamajik bapsya 225. New Grameen Motors Ltd. 226. VSO Bangladesh 227. SPARK TEX INTERNATIONAL 228. Success Accessories Ltd
229. Fashion Globe 230. Fully Furnished Ltd.
231. Starlit School of English 232. Aurobindo Child Hospital Dinajpur 233. Texmart Trading Company Ltd
234. Giant Group
235. ZWM Bros Limited 236. Nakshikatha Communications 237. radiantiptv(A US Based Media House) 238. Saudi German Hospitals Group 239. S.S. Priniting & Packaging
240. Apex Footwear Limited
241. Computer Point
242. JAS Tours and Travel
243. Canadian University of Bangladesh 244. Paedihope Hospital 245. TUWA GROUP 246. Academy of Learning Ltd. 247. Fastcom Information Services Ltd
248. A Reputed Bank(thecitybank)
249. Prothom Alo, North America 250. Youngone Hi-Tech Sportswear Industries Ltd 251. National Asset Management Ltd. 252. Kazi IT Center Limited.
253. ADD International, Bangladesh 254. Al Jesour Resort Ltd 255. SHARIB TRADE SANGSTHA PVT. LTD. 256. Rahul Group 257. Ascenders 258. Institute of Social Business (ISB) 259. Energypac Confidence Power Venture Limited & ECPV Chittagong Limited 260. TAT Travel & Tourism
261. Kloud21 262. A Non-Profit Organization-PBDF
263. Light House 264. Group Myth
265. Nahian Builders & Suppliers Pvt. Ltd.
266. Union Development & Technologies Ltd 267. Enroute International Limited 268. International Beverages Private Limited 269. সৈয়দা আঞ্জুমান আরা বালিকা বিদ্যালয় 270. Sayeda Hossain Resort 271. Bangladesh Textile Mills Association (BTMA) 272. Concern Worldwide 273. Mayami Resort
274. ACI 275. Banglalink
276. Executive Motors Ltd. 277. ALOHA Bangladesh 278. Dhaka Bank Limited 279. Regency Packaging Ltd.
280. Room to read 281. Asian University for Women (AUW) 282. Ezzy Automation Limited 283. GIZ 284. Images 285. Independent University, Bangladesh (IUB) 286. Grameen Uniqlo 287. আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানি লি.
288. Marie Curie School 289. Telebrands BD Ltd.
290. Healthcare Pharmaceuticals Limited 291. BBS Cables Ltd.
292. Plan International Bangladesh
293. Save the Children 294. ReliSource Technologies Ltd. 295. General Pharmaceuticals Ltd.
296. GETCO Limited 297. Matador Ballpen Industries 298. SSL Wireless
299. American International University-Bangladesh (AIUB)
300. WaterAid Bangladesh
301. Manarat Dhaka International School & College

বিদেশী কিছু কোম্পানি:

1. Scholars Bangladesh 2. Emirates Airways 3. Inspiring Interns 4. InternShala 5. Boeing 6. Avflight Corporation 7. Tecnimont Pvt. Ltd. 8. Maersk Group 9. Rtim University

10. University Of Western Australia 11. Leeds University 12. Hedgeford College Of Arts 13. University Of Queensland 14. Massey University 15. Edith Cowan University 16. University Of Melbourne 17. Macquarie University 18. A Trobe University 19. Fiji National University

20. Flinders University 21. Central Queensland University 22. Bond University 23. University College Dublin 24. University Of Greenwich 25. Nanyang Technological University 26. University Of Newcastle 27. Anden University 28. Austratian University 29. Green Dot Limited

30. Richmond The American University In London 31. Cardiff Metropolitan University 32. University Of Dundee 33. James Cook University 34. Jonkoping University 35. Cathay Pacific Airways 36. Amazon Jobs 37. University Of Chichester 38. Royal Central University 39. United Airlines

40. The London School Of Hygiene & Tropical Medicine 41. British Airways 42. Etihadairways 43. Coca Cola 44. Apple 45. Us - Bangla Airlines 46. Arden University 47. Norwich University Of The Arts 48. Qatar University 49. New York University Abu Dhabi

50. The Alan Turing Institute 51. Pepsico 52. University Of Roehampton 53. King Abdulaziz University 54. The University Of Nottingham Ningbo China 55. Berkshire Farm Center 56. Decision Toolbox 57. University College Birmingham 58. Cleveland College Of Art And Design 59. Universitiesuk

60. Rmit Vietnam 61. Richmond, The American International University In London 62. International Baccalaureate 63. University Of New England 64. University Of Warwick 65. Keele University 66. Architectural Association School Of Architecture 67. University Of Chichester 68. Gsmlondon 69. University College Dublin (Ucd)

70. Aston University 71. Bournemouth University 72. University Of St Andrews 73. University Of Cyprus 74. Canterbury Christ Church University 75. Northumbria University 76. St Marys University, Twickenham 77. Harvard University 78. Staffordshire University 79. The Global Alliance For Improved Nutrition

80. University Of Derby 81. The Scottish Courts And Tribunals 82. Botswana International University Of Science And Technology 83. Masaryk University 84. Family Reflexology 85. Advantage Solutions 86. Instant Exhibitions Sdn Bhd 87. Cvs Health 88. University Of Konstanz 89. The University Of Edinburgh

90. Project Renewal 91. Bradman Carbon & Energy 92. Gca Services 93. Ss&C Technologies 94. Wyndham Vacation Resort 95. Freedom Financial Network 96. Redpath Partners Pty Ltd 97. The University Of Exeter 98. Okinawa Institute Of Science And Technology Graduate University Oist 99. Power And Water Corporation

100. Australian Government Department Of Defence 101. Nutrition & Education International (Nei) 102. Liverpool City Council 103. Maynooth University 104. Sultan Qaboos University 105. Technischen Universität Dresden 106. Kingston University 107. Beilby Consulting 108. Australian Taxation Office 109. Sos Recruitment

110. Alpine Shire Council 111. Gough Property & Real Estate Recruiters 112. Jv Recruitment Pty Ltd 113. Awc Software 114. Mahindra Logistics Limited 115. Desai Construction Pvt. Ltd. 116. Ksb Pumps Ltd 117. Charterhouse 118. Proximity Legal 119. Gatehouse Legal Recruitment

120. Department Of Health And Human Services 121. Denovo Consulting Group Pty Ltd 122. Austcorp Executive 123. Ralph's Farm Market 124. Hunt International 125. International Sos (Australasia) P/L 126. Face2face Recruitment 127. Hudson 128. Soas University Of London 129. Fourquarters Recruitment

130. Ajilon 131. The University Of Hong Kong 132. Parramatta Justice Precinct 133. University Of Bristol 134. York St John University 135. Norwegian University Of Science & Technology -Ntnu 136. Cern 137. The Chinese University Of Hong Kong. 138. Zhejiang University 139. He University Of Technology Sydney (Uts)

140. Duke Kunshan University 141. Tawhidur Rahman (Worldwide Test) 142. Transport For Nsw 143. Taylor's University 144. Overseas Advisers 145. Meteorsimmigration 146. Asiapower Advantage 147. Next World Immigration Services Associates 148. 3d Plm Software Solutions Ltd. 149. Valuelabs

150. Ibm 151. Alex Kaar 152. Acthealth 153. Bridge Associates Apac Pty Ltd 154. Aspire World Immigration Consultancy Services Llp 155. Iquest Management Consultants Pvt. Ltd Hiring For 156. Radvision World Consultancy 157. Cogent Data Solutions Llc 158. Thodeti Management Consultants 159. Durham University

160. S.A. Health 161. Prince Mohammad Bin Fahd University 162. Voltech Engineers Private Limited 163. Abc International Placement Services 164. Liverpool John Moores University 165. Ulster University 166. Technische Universitat Dresden (Tu Dresden) 167. Princess Nourah Bint Abdulrahman University 168. Public Transport Victoria 169. Ghd Pty Ltd

170. Naiman Clarke 171. Attribute Consulting 172. Six Degrees Executive Pty Ltd 173. Pulse Recruitment 174. Shella Consultants 175. Brunel University 176. University Of Kurdistan 177. R.K. International 178. Vishanz 179. Queen's University

180. Engage People 181. Sofomation Energy Consultants Pvt. Ltd 182. Corporate Destination 183. Voltech Hr Services Pvt Ltd 184. Teamlease Services Ltd. 185. Lakkho Hr Consultants Pvt. Ltd. 186. Cross Boundary Consultant 187. Anz 188. Hays Manufacturing & Operations 189. United Petroleum Pty Ltd.

190. Western Downs Regional Council 191. Cgc Recruitment 192. Seagull International 193. Tecside Group 194. Asiapower Human Resources Pvt Ltd 195. Manik Travels 196. Belhopat Global Services Pvt Ltd. 197. Wvp Services Pvt. Ltd 198. Indihire Hr Consultants Private Limited 199. Careernetwork

200. Sms Consultants 201. Tfg Vacations India Pvt Ltd 202. Fetch Recruitment 203. Embassy Of Denmark 204. Soundlinesinc 205. Karmaa Solutions 206. Ap Immigration Pvt Ltd 207. Techs To Suit Inc 208. Travel Craft 209. United Hr Solutions Pvt Ltd

210. Oasis Resource Management Pvt. Ltd. 211. Good Fellow Foreign Services Agency 212. Veeyu Hr Solutions Pvt. Ltd. 213. Coca-Cola Bangladesh 214. Ace Group 215. Dgplegal 216. Century 21 217. Tafe Nsw 218. Fcs Software Solutions Limited 219. A.D.S. Enterprises Inc.

220. Electrolux Thailand Co. Ltd. 221. Manpower Inc. 222. All 4 People 223. Nonstop Recruitment 224. Corecruitment 225. Coventry University 226. Australiapost 227. Achieve Career Consultant Pte Ltd 228. Thomson Reuters 229. Vodafone

230. Peninsula Health 231. Ruth Moran 232. Class People 233. Phd-Jobs.Net 234. Headhuntersinc Consultancy Private Limited 235. The Trusts 236. Synechron Technologies Pvt Ltd

সিভিতে কি কি তথ্য আমরা দিবো না:

সিভিতে অনাবশ্যক তথ্যঃ সিভিতে কী ধরনের তথ্য উল্লেখ করবো সে ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। বেশি বেশি ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে সিভি অযথা ভর্তি করবো না যা দেখে নিয়োগ কর্তা সাথে সাথেই তা বাতিল করে দিবে বা উনার এক ধরণের বিরক্তি তৈরী হবে। এ ধরনের অপ্রাসঙ্গিক সিভিকে গার্বেজ সিভি বলে।
সিভি বা সিভির ওপরে CV, Resume, Biodata এমন শব্দ, বেতন সংক্রান্ত তথ্য, পূরাতন চাকরিদাতা বা প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ ঠিকানা, ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান যা কিনা বিশেষ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় না হলে, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ, ধর্মগত পরিচয়, শখ, বৈবাহিক অবস্থা, জন্মস্থান এসব তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
এসব তথ্য প্রয়োজন হলে সাক্ষাৎকারে সময় জানিয়ে দেওয়া যেতে পারে। আরও কিছু বিষয়ঃ সিভি লেখার সময় যে কোনো প্যারা বা অনুচ্ছেদে অনূর্ধ্ব ৫ লাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাই হচ্ছে আদর্শ নিয়ম।

সিভির বাহ্যিক কিছু বিষয়ে কিসের প্রতি লক্ষ্য রাখা উচিত?

সিভিটি লেখা যেন ২ পৃষ্ঠার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। নতুন গ্রাজুয়েটদের ক্ষেত্রে সিভিটি ১ পৃষ্ঠার বেশি হওয়া উচিত নয়। সিভি তৈরিতে স্ট্যান্ডার্ড A4 অথবা লেটার সাইজের অফসেট কাগজ ব্যবহার করুন। সিভি এবং কভার লেটারের জন্য কেবল সাদা এবং আইভরি রংয়ের কাগজই গ্রহণযোগ্য। সিভি ফটোকপি মেশিনে কপি না করে কম্পিউটারের মাধ্যমে প্রিন্ট করতে হবে কারণ ফটোকপিতে লিখা অস্পষ্ট ও ঝাপসা দেখায় যা কিনা আপনার শুরুতেই বাতিল হওয়ার কারণ হতে পারে।

আর সিভি তৈরীতে অবশ্যই বানান ভুল না হওয়ার এবং গ্রামারের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। কারণ এই সামান্য ভুলের কারণেই আপনি বাতিল হয়ে যেতে পারেন। তাই সিভি তৈরী করে সেটা বার বার চেক করুন।

সিভি তৈরীর সময় বিশেষ বিষয়গুলো বোল্ড করে দিন। যেমন আপনি কোন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বা আপনার রেজাল্টই সর্বোচ্চ। এই সব ব্যাপারগুলো যেন নিয়োগকর্তার দৃষ্টিতে সহজেই পরে সেই জন্যে বোল্ড করে দিবেন। টাইপিংয়ে সাধারণত ১২ বা ১৪ সাইজের ফন্ট ব্যবহার করুন এবং হেডিং এর ক্ষেত্রে অবশ্যই ১৬ সাইজের ফন্ট ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন সঠিক নিয়মে সিভি তৈরী করার উপর অনেক ক্ষেত্রে আপনার চাকরী নির্ভর করে। সুতরাং এই বিষয়ে অধিক মনোযোগী হোন।

পরিশেষে…

সিভি দেখে যদি নিয়োগকর্তা হতাশ হোন তাহলে আপনার চাকরী পরীক্ষা দেওয়ার আগেই চাকরী পাওয়ার সম্ভাবনা জিরো হয়ে যায়। বর্তমানে চাকরীর বাজার খুবিই কম্পেটিটিভ, তাই আপনাকেও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কৌশলি হতে হবে । আপনি যেমন বাজারে মাছ কিনতে গেলে সেরাটা খুঁজেন ঠিক তেমনি নিয়োগকর্তাও সেরা ক্যান্ডিডেট খুঁজে বেড়ান যে তার প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চটা দিতে পারবে তার যোগ্যতা দিয়ে। তাই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনাকে কৌশলি হতে হবে।
Offer Source: Plz, click here to show
Offer Id: 911
Company Name: Selltoearn.com
Contact No.: 01823660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: Career
Location: GAZIPUR
Offer Title: অনালাইন হতে কিভাবে অর্থ উপার্জন করবো ?

Offer Details:

অনালাইন হতে কিভাবে অর্থ উপার্জন করবো ?

আমরা আমাদের পূর্ব আর্টিকেলের মধ্যে উল্লেখ করেছিলাম যে দুটি উপায়ে একজন মানুষ অর্থ উপার্জন করতে পারে আর তা হল- কোন প্রোডাক্ট সেল করে এবং 2. কোন সেবা বা সার্বিস প্রদান করে। ঠিক তেমনি অনলাইনে অর্থাৎ একটি মোবাইল, লেপটপ অথবা কম্পিউটার ব্যবহার করে এর মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগ করে কোন বায়ার বা বিক্রেতার নির্দিষ্ট কাজটি তার (মালিকের) হয়ে আপনি সম্পাদন করে দিবেন। আর এর পারিশ্রমিক হিসেবে তিনি আপনাকে টাকা (অর্থ) প্রদান করবেন। এখানে উল্লেখ্য যে ঐ মালিক বা বায়ার অনলাইনে আপনাকে কাজ দিবেন এবং মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে অর্থ প্রেরণ করবেন।

ব্যাপক অর্থে- ইন্টারনেট ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানের কিংবা এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির সাথে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে সংযোগ থাকাকে অনলাইন বলে এবং এই ডিভাইসগুলোর সাথে সংযুক্ত থেকে ঘরে বসেই যেকোন কাজ করতে পারবেন অনলাইনে। অনলাইনে কাজ বলতে আমরা ইন্টারনেট কে ব্যবহার করে বিভিন্ন পন্থায় আয় করার মাধ্যমকে বুঝি।

যদি আপনি চান বাহিরে না গিয়ে ঘরে বসেই কাজ করতে তাহলে ফ্রিল্যান্সিংকে আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে পারেন। তাছাড়া অনেকেই স্টুডেন্ট অবস্থায় পরিবারে বোঝা না হয়ে বা যাদের যব চলে গেছে করোনার এই পরিস্থিতে জব পাচ্ছেন না, তারা এই মাধ্যম থেকে আপনি যেই বিষয়ে দক্ষ যেমনঃ লিখালিখি, ছবি তোলা, অনুবাদক এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

বায়ার/বিক্রেতা কারা ? তাদের কোথায় কোথায় পাব ?

 বিশ্বের বর্তমান সর্ব শ্রেষ্ঠ বায়ার বা অর্থ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হল গুগোল । গুগোলে কাজ করার অনেক অপশন রয়েছে। গুগোল প্রাথমিকভাবে তিনটি ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সারদের অর্থ প্রদান করে থাকে। আর তা হল -
1. যারা ইউটিউবে একটি চ্যানেল তৈরী করে সেখানে ভিডিউ আপলোড করে।
2. যারা গুগোলের ব্লগ সাইটে একটি একাউন্ট করে সেখানে লেখালেখি করে।
3. এছারাও যদি কেউ নিজে ওয়েব সাইট তৈরী করে সেখানে কনটেন্ট বা লেখা দেয় সেই লেখার ভিউ ও এড এর উপর ভিত্তি করে গুগোল অর্থ প্রদান করে।

আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভাল সাবস্ক্রাইব হলে গুগোলের নিকট মনাটাইজেশনের জন্য আবেদন করবেন। তারা যদি তা গ্রহণ করে তবে তারা আপনার ভিডিওটিতে এড পাঠাবে এবং এই এডে ক্লিক করলেই আপনার একাউন্টে ডলার যোগ হবে। এছাড়াও এক হাজার ভিউ প্রতি এক ডালার করে পেতে পারেন। তাই বর্তমানে ইউটিউব হতে পারে টাকা উপার্জনের অন্যতম ভাল মাধ্যম।এখানে কাজ করা খুব বেশি কঠিন নয় তবে আপনাকে অবশ্যই কৌশলি হতে হবে। আপনাকে নতুন নতুন আইডিয়া খুজে সেগুলো ইউটিউব ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করতে হবে। তারপর আপনার ভিডিওতে ভিও এর উপর নির্ভর করে ভিডিওতে এডভার্টাইজিং করার সুবিধা পাবেন। ভালো সাবস্ক্রিপশন এবং শেয়ার এর উপর ভিত্তি করে আপনি ইউটিউব থেকে ডিরেক্টলি ইনকাম করতে পারেবেন। তবে কোন প্রকার কপিরাইট ক্লেইম বা নকল হলে ভিডিওটি বা পুরো চ্যানেলটি ইউটিউব বাতিল বা ব্লক করে দিতে পারে সেদিকে অবশ্যেই সতর্ক থাকবেন।


 সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ করা গিয়েছে যে, ফেসবুকও ভিডিও আপলোডের জন্য অর্থ প্রদান করে থাকে কোন পেজ এর ফলোয়ার ১০০০০ এবং একটি ভিডিও চার মিটিটের হতে হবে এবং ভিডিওটি ৩০০ মানুয়ের পুরো সময় ধরে দেখতে হবে। এছাড়াও,
1. ফেসবুক পেজ বিক্রয় করে এবং অন্যে ফেসবুক পেজে আপনি কাজ করে দিয়ি অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
2. ফেসবুক গ্রুপ তৈরী করে এবং এটি বিক্রয় করে অর্থ উপার্জন করা যায়।
3. ফেসবুক সম্পতি ই-কমার্স ও অনলাইন জব প্লাফর্ম তৈরী করেছে যেখানে আপনি চাইলে আপনার কাছে থাকা কোন প্রোডাক্ট এর বিনা খরচে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন এবং এটির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
4. অনেক বিক্রেতা রয়েছেন যারা ফেসবুকে বুস্টিং দিতে পারে না। এই কাজটি তার হয়ে আপনি করে দিতে পারেন এবং এটি থেকে আপনি ইনকাম করতে পারেন।
5. এছাড়াও ফেসবুক লাইভে এসে স্ট্রিমিং এর মাধ্যমেও আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

 বিশ্বের আরও কিছু শীর্ষ ওয়েব সাইট রয়েছে যে ওয়েব সাইটগুলোতে গিয়ে আপনি একাউন্ট করতে পারেন এবং সেখানে বিশ্ব ব্যাপী অনেক বায়ার বা বিক্রেতা কাজের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে ঐ বায়ার বরাবর আবেদন করুন এবং আপনার কাজের দক্ষতা সম্পর্কে তাকে অবহিতকরুন। তাহলে তিনি হয়ত আপনাকে কাজ দিবেন এবং এভাবে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। এই ওয়েব সাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে:
1. https://www.fiverr.com
2. https://www.upwork.com
3. https://www.behance.net
4. https://www.selltoearn.com
5. https://www.freelancer.com
6. https://www.guru.com
7. https://www.linkedin.com
8. https://99designs.com
9. https://www.freelancewriting.com
10. https://www.peopleperhour.com
এছাড়াও বাংলাদেশের দুটি শীর্ষ ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি কাজ বা চাকুরী পেতে পারেন অনলাইন বা অফলাইনের জন্য পার্ট টাইম অথবা ফুল টাইম। যেমন: বিডিজবস.কম এবং বিক্রয়.কম।

 আপনি যদি ইমেইল এড্রেসকালেক্ট করতে পারেন তবে প্রতিদিন ২000 থেকে 5000 ইমেইল এড্রেসে আপনার প্রোডাক্ট এর এড পাঠিয়ে কাস্টমারদের নিকট আপনার প্রোডাক্ট বা কাজের অফার করতে পারেন। অনলাইনে একট সার্চ করলে অনেক ইমেইল এড্রেস পাওয়া যায়। যেমন: লিংক্ড ইন, ফেসবুক, টুইটার। এখানে একটি লিংক দিচ্ছি এর মাধ্যমে কিছু ই-মেইল এড্রেস আপনি পাবেন যা দিয়ে আপাতত ইমেইল মার্কেটিং এর ব্যবসাটি শুরু করুন:
 https://selltoearn.com/email/pagebuyer2.php
এবার নিচের ওয়েবসাইটে যান:
• https://mailchimp.com
এখানে একাউন্ট করে আপনি প্রতিদিন ২ থেকে ৩ হাজার ইমেইল আপনার ক্লাইয়েন্টকে প্রেরণ করুন আপনার প্রোডাক্টস্ এর ব্যাপারে।

 বর্তমানে ভিডিও গেম্স খেলেও অনেকেই অর্থ উপার্জন করছে সরাসরি এবং আইডি বিক্রয় করে।
 selltoearn.com নামক ওয়েবসাইটটিতে লেখা প্রেরণ করতে পারেন এখানে লেখা পাঠানোর নিয়ম, লেখা প্রতি পেমেন্ট প্রক্রিয়া, লেখার ক্যাটাগরি নিম্নরুপ:
চাকুরী জন্য আবেদনপ্রার্থী,
পদের নাম: কন্টেন/আর্টিকেল রাইটার (বাংলা ও ইংরেজি)
বিষয়: কন্টেন/আর্টিকেল রাইটার পদের চাকুরীর জন্য আবেদন পত্র। জনাব,
অত্যন্ত আনন্দের সহিত আপনার অবগতির জন্য জানানো জাচ্ছে যে, আমি আপনার প্রতিষ্ঠান Selltoearn.com এ একজন কন্টেন/আর্টিকেল রাইটার (বাংলা ও ইংরেজি) হিসেবে কাজ করতে খুবই আগ্রহি তাই উল্লেখ্য আপনাদের ইমেইল বরাবর আমার সিভিটি প্রেরণ করলাম। অতএব,
প্রসঙ্গ বিষয়ে আপনার সু-দৃষ্টি কামনা করছি।
নিবেদক
আপনার নাম
ঠিকান ও মোবাইল নাম্বার

পরীক্ষা পদ্ধতি: নিম্নে উল্লেখিত ক্যাটাগরি অনুসারে কনটেন্ট/আর্টিকেল লিখতে হবে।

৫০টি ক্যাটাগরির উপর লেখতে হবে। যেকোন লেখা যেন কোন মতেই কপি পেস্ট অর্থাৎ নকল না হয়।

১. সংবাদ/নিউজ (বাংলা/ইংরেজি/ফেইক/জোক্স)
২. সিনেমা/মুভি/শর্ট ফিল্ম
৩. নাটক/টেলিফিল্ম/কমন/হাসিরনাটক
৪. সংগীতানুষ্ঠান (ক্লাসিক/আধুনিক)
৫. নৃত্যানুষ্ঠান (ক্লাসিক/আধুনিক)
৬. টক শো
৭. ম্যাজিক/প্রাকটিস শো
৮. মঞ্চনাটক/যাত্রা
৯. ম্যাগাজিনঅনুষ্ঠান
১০. কুরআন/হাদিস শিক্ষার আসর
১১. গণিত/ইংরেজি শিক্ষার আসর
১২. কারিগরি/অন্যান্য শিক্ষার আসর
১৩. ডকুমেন্টারিফিল্ম/প্রামান্য চিত্র
১৪. রেসিপি/ রান্নারঅনুষ্ঠান
১৫. কনসার্ট/ আইটেমসং/ লাইভ/ ব্রডকাস্ট
১৬. কার্টুন/ ছোটদেরঅনুষ্ঠান
১৭. কৌতুক/ হাসিরঅনুষ্ঠান
১৮. কুইজ কুইজ প্রতিযোগীতা/বিতর্ক প্রতিযোগীতা
১৯. কবিতা-আবৃত্তিরঅনুষ্ঠান
২০. ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট/পরীক্ষারটিপস্
২১. বক্তৃতা/উপস্থাপনার টিপস্
২২. পাঠক/দর্শক প্রশ্নোত্তর বিষয়ক অনুষ্ঠান
২৩. ছোটনাটিকা/ প্রহসন
২৪. ধাঁধার অনুষ্ঠান
২৫. জীবনের পথে/সাধারন জীবন চিত্রানুষ্ঠান
২৬. বিজনেস/ব্যবসায় প্রতিদিন
২৭. সরকার/রাজনীতি/আইনবিষয়কঅনুষ্ঠান
২৮. সু-স্বাস্থের টিপস্ বিষয়ক অনুষ্ঠান
২৯. ফ্যাশন ট্রেন্ডস্ এন্ড লাইফস্টাইল
৩০. ছোট গল্পের অনুষ্ঠান
৩১. ভ্রমণ ও পর্যটনবিষয়কঅনুষ্ঠান
৩২. খেলাধুলা বিষয়ক অনুষ্ঠান
৩৩. চলমানশীর্ষ সংবাদ (দেশ ও বিদেশ)
৩৪. গজল/কাউলি/পুঁথি/ধর্মীয়/ইসলামিক অনুষ্ঠান
৩৫. ক্যারাতি/কুস্তির অনুষ্ঠান
৩৬. রিয়ালিটি শো
৩৭. ফ্যাশান শো
৩৮. বিভিন্ন ক্রিড়া প্রতিযোগীতা মূলক অনুষ্ঠান
৩৯. বিচিত্র ও অজানাচিত্র
৪০. সোশালমিডিয়া/বিনোদন
৪১. কাল্পনিক/পৌরণীক/ রহস্যবিষয়ক অনুষ্ঠান
৪২. ট্রাজিকট্রু স্টরি অব লাইফ(লাইভ/কাস্টিং)
৪৩. আনকমন স্কীল ও অসামপারফর্মেন্স
৪৪. বর্তমান ও আগামীরবিশ্ব
৪৫. সাম্প্রতিকবিশ্ব ও বাংলাদেশ
৪৬. যেমনখুশি তেমননাচ/সাজ
৪৭. প্লেব্যাকটু দ্যা বেস্ট সং (আর্কাইভ)
৪৮. সার্চ দ্যা ট্যালেন্ট
৪৯. প্লেব্যাকটু দ্যা বেস্ট একটিং (আর্কাইভ)
৫০. প্লেব্যাকটু দ্যা বেস্ট ডান্স (আর্কাইভ)

আপনার লেখালেখি এবং সিভি পাঠিয়ে দিন এই ইমেইল ঠিকানায়: selltoearn.com@gmail.com
নিচের এই লিংকে ক্লিক করুন:
https://www.selltoearn.com/shadhinkotha2.php

এর পর সকল তথ্য ফিলআপ করুন। এবং সোর্স লিংক বক্সে আপনার লেখার কোন লিংক/ অভিজ্ঞতা/ ফেসবুক শেয়ারের একটি লিংক দিন। একটি ছবি এড করতে পারেন।
অবশেষে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।
অনারিয়াম: আপনার পারিশ্রমিক বাবদ প্রতি এক পেজ (ফন্টসাইজ-11, মার্জিন-উভয়প্বার্শে-.5`) কনটেন্ট এর জন্য লেখার কোয়ালিটির উপর নির্ভর করে সর্বোনিম্ন ৫০/- এবং সর্বোচ্চ: ৩০০/- টাকা বিকাশ/নগদ/রকেট ইত্যাদি মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হবে।
বি.দ্র.: কোন লেখা/আর্টিকেল/কন্টেন্ট নকল করা যাবে না/ অন্যের লেখা হুবহু কপি পেস্ট করা যাবে না।এই কাজের জন্য চাই প্রচুর পরিশ্রম ও ধৈর্য। দক্ষতা সব ক্ষেত্রেই প্রয়োজন এই ক্ষেত্রেও লেখার মান ভালো হলে, আপনি এই কাজের মাধ্যমে ঘরে বসে বা প্রত্যন্ত এলাকায় থেকেই পর্যাপ্ত আয় করতে পারবেন।

 বর্তমান ইন্টারনেট প্রযুক্তির দুনিয়ায় এসইও, ওয়েব ডিজাইন এবং গ্রাফিক ডিজাইনের খুব চাহিদা রয়েছে। এক কাজগুলো ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে শিখে নিবেন এবং তার পর দেখবেন এই কাজগুলো অনলাইনে অনেক পাওয়া যায়।এই কাজগুলোর অনেক চাহিদা রয়েছে।

 ইমেইলের মত করতে পারেন এসএমএস মার্কেটিং ইমেইল কালেকশনের পাশাপাশি যদি কোন এলাকা/ইউনিয়ন বা অঞ্চলের সকল মোবাইল নাম্বার যদি আপনার কালেকশনে থাকে তবে দেখবেন অনেক বিক্রেতা আপনাকে খুঁজছে তার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য।

 সম্প্রতি বিভিন্ন এ্যাপস্ বের হয়েছে যার মাধ্যমে একাউন্ট খোললে ও এদের বিজ্ঞাপনগুলেঅ দেখলে এবং অন্য একজনে একাউন্ট খোলে দিলেই ডলার অনুপাতে অর্থ পাওয়া যায় এমন এ্যাপস্ গুলোর মধ্যে যেমন: টিকটক, Inboxdollars.com, Neobux.com, Swagbucks.com ইত্যাদি।

 শর্ট লিংক এর শেয়ার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
ফেসবুকে ভিবিন্ন ওয়েব সাইটের শর্ট লিংক যা ছোট একটি লিংক শেয়ার করে আয় করতে পারবেন। মনে করুন আপনি একটি ডাউনলোড লিংক শেয়ার করবেন, এখন আপনি ঐ লিংকটা শর্ট লিংক করার ওয়েব সাইটের মাধ্যমে শর্ট করে আপনি আপানার ফেসবুকে আইডিতে প্রচার করলেন । এতে করে আপনার লিংকে ক্লিক করে যদি কেউ ডাউনলোড করে তবে আপনি নির্দিষ্ট কিছু এমাউন্ট পাবেন । যেমন: shorte.st, bitly.com, adf.ly, ouo.IO, shrinkme.io, shortzon.com

 যেসব সাইটে আপনি আপনার ডিজাইন রেখে বিক্রি করতে পারবেন
১। stocksnap.io ২। pexels.com ৩। landingstock.com ৪।Shutterstock, 500px, Envato ইত্যাদি

পরিশেষে...

ঘরে বসে কাজ করার মানে এই নয় যে, আপনি শুধু ঘরেই বসে থাকবেন সাড়াক্ষণ। এখানে কাজটি করতে পারেন একটি পিসির সামনে বসে যা রয়েছে আপনার ঘরে।ঘরে বাহিরে যেখানেই হোক মোট কথা হল আপনার একটি সফ্ট স্কিল প্রয়োজন যা অর্জন করতে হবে আপনার তীব্র আগ্রহ, পরিশ্রম আর একাগ্রতা দিয়ে।তাহলেই আসবে সফলতা আর সফলতার জন্য চাই সঠিক রোড ম্যাপ, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, দক্ষতা, কঠোর পরিশ্রম, সততা ও অধ্যবসায়। উপরোক্ত আলোচনায় যদি আপনি যদি একটুকু উপকৃত হন তবে আমাদের লেখালেখি স্বার্থক। আর আমাদের এই লেখালেখি পড়ে যেন আপনার মত অন্য একজন উপকৃত হতে পারে তার জন্য লেখাটি শেয়ার করে দিলে আমরাও উপকৃত হব। প্রচারে: www.selltoearn.com


Offer Source: Plz, click here to show
Offer Id: 910
Company Name: Selltoearn.com and Urnisha Jaman Mohona
Contact No.: 01823660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: Career
Location: GAZIPUR
Offer Title: চাকুরী কি ? খুব সহজে কিভাবে চাকুরী পাওয়া যায় ? সেশনজট কি ? চাকুরী পাওয়ার ক্ষেত্রে সেশনজন কিভাবে ক্ষতিসাধন করে ??

Offer Details:

চাকুরী কি ? খুব সহজে কিভাবে চাকুরী পাওয়া যায় ?

সেশনজট কি ? চাকুরী পাওয়ার ক্ষেত্রে সেশনজন কিভাবে ক্ষতিসাধন করে ??

এই সমস্যা থেকে প্ররিত্রানের উপায় কি ?

চাকুরী কি ? খুব সহজে কিভাবে চাকুরী পাওয়া যায় ?

চাকুরী শব্দের ইংরেজী হল ‘Job’ আর যিনি চাকুরী করেন তার ইংরেজী হল ‘Jobber’ বা চাকুরীজীবী। ‘Job’ শব্দটি একই সাথে Noun ও Verb যার অর্থ হল চাকুরী (Noun) এবং ঠিকা কাজ করা বা কেনাবেচার দালালি করা (Verb) আর যিনি এই চাকুরী নামক কাজটি করেন তিনি হলেন একজন নিয়োগপ্রাপ্ত একজন ‘Agent’ বা ‘প্রতিনিধি’ অথবা ‘Broker’ বা দালাল। চাকুরী শব্দটি এসেছে তুর্কী শব্দ চাকর থেকে যার অর্থ দাসত্ব।ইংরেজ শাসনামলে ইংরেজরা যখন এদেশে ব্যবসা করার জন্যে এসেছিল তখন তারা তাদের সুবিধার্থে এদেশের মানুষদের দিয়ে চাকর বা দাস হিসেবে কাজ করাত। কিছু কিছু দেশে প্রাচীন যুগের ন্যায় কৃতদাস প্রথাও ছিল যার মানে হল একজন চাকর বা দাসকে আজিবনের জন্য খরিদ বা ক্রয় করে ফেলা হত এককালিন একটি নির্দিষ্ট অর্খের বিনিময়ে। মালিকশ্রেণী কাজের নামে তাদের নানা ভাবে অত্যাচার ও উৎপিরণ করত।দৈনিক ৮ ঘন্টার বদলে ১২ থেকে ১৫ ঘন্টা কাজ করাত। কিন্তু বর্তমানে কাজের ধরণ, শিক্ষাগত যোগতার উপর ভিত্তি করে চাকুরীজীবী পেশাতেও যুক্ত হয়েছে নানা সুযোগ সুবিধা। সরকারি চাকুরীর ক্ষেত্রে এককালিন বা কিস্তি মাফিক বড় অংকের অর্থ দিচ্ছে সরকার। এছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের ইনসেনটিভ (বাড়তি সম্মানি) দিয়ে থাকে।আর সমগ্র পৃথিবীতে আইনগতভাবে বর্তমানে দৈনিক কাজের সময় হল ৮ ঘন্টা। এই সময়ের অধিক কাজ করতে বলা হলে কর্মচারীদের কাজের সময়কে ওভারটাইম বা অতিরিক্ত সময় কাজের আওতায় এনে ঘন্টা হিসেবে অতিরিক্ত পারিশ্রমিক দিতে হবে। শাব্দিকভাবে চাকুরী করার অর্থটি হল অন্যের অধীনে একজন কর্মচারী বা কার্য সম্পাদনকারীর চুক্তিভিত্তিক পেশা।

খুব সহজে কিভাবে চাকুরী পাব ?

চাকুরী নির্ভর করে একজন কর্মীর কর্ম দক্ষতা ও জ্ঞানের উপর। কোন কাজে যে যত বেশি দক্ষ সে তত দ্রুত সেই কাজটি পেতে সক্ষম। তাই ক্যারিয়ারের শুরুতেই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে যে ক্যারিয়ার হিসেবে নিজেকে কোন কর্মস্থলে প্রতিষ্ঠিত করবো এবং তদ মোতাবেক পড়াশোনার পাশাপাশি উক্ত কাজের উপর দক্ষতা বৃদ্ধি করে যেতে হবে। বর্তমান যুগ প্রতিযোগীতার যুগ। বাংলাদেশ এবং ভারতে কর্মসংস্থানের অনুপাতে কর্মীর সংখ্যা অনেক বেশি। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাগণ বা বিসিএস ক্যাডারগণ সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগীতার সম্মুখিন হন। ধারণা করা হয়। ২০০০ পোস্টের জন্য এই প্রতিযোগীতায় প্রায় দুই থেকে তিন লক্ষ চাকুরী প্রার্থী বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাই বলা যায় যার দক্ষতা যত বেশি সে খুব সহজেই চাকুরী পেয়ে যায়। ঠিক এরুপ, অন্যান্য প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলোতেও দক্ষ এবং এক্সপার্ট কর্মী নিয়োগ দিওয়া হয়।

চাকুরী/কাজ কোথায় পাব ?

কাজ খুঁজে পেতে পারেন অনলাইনে, সাপ্তাহিক চাকুরীর পত্রিকা, বাংলাদেশের শীর্ষ পত্রিকা, সরাসরি লিফলেট, বেনার, সাইনবোর্ড, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, রেডিও, টিভি, এনাউন্টমেন্ট কিংবা কোন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন এবং পরিচিত ব্যাক্তি, বন্ধু, আত্মীয়ের মাধ্যমে। বাংলাদেশের এবং বিশ্বের প্রধান প্রধান চাকুরীর পোর্টালগুলোর লিংক নিচে দেওয়া হলা। এখানে ক্লিক করে আপনার কাঙ্খিত চাকুরীটি পেতে পারেন এবং যোগ্যতা অনুযায়ী আপনি আবেদন করবেন:
1. https://www.selltoearn.com/career/career2.php
2. https://selltoearn.com/article/bdjobs.php
3. https://www.selltoearn.com/facetube/bdnewslink/page1.html
4. https://selltoearn.com/facetube/Link/l2.html
এছাড়াও কোন কোন সেক্টরে আপনি কাজ করবেন তার কিছু লিংক নিচে দেয়া হল:
1. https://www.selltoearn.com/facetube/latest/lat.html
2. https://www.selltoearn.com/career/career3.php
চাকুরি পাওয়ার জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ার চাকুরী
প্রার্থীদের আবেদনপত্র ও অন্যান্য কাগজ প্রত্র গ্রহণ করে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান তাদের মেইল নাম্বারে সিভি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চায় নিয়োগ দেয়ার জন্য। আবার সরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে ব্যাংক ড্রাফ্ট/ট্রেজারি অথবা আবেদনের চার্জ হিসেবে ৫০, ১০০ কিংবা ৫০০-৭০০ টাকা আবেদনপত্রের পাশাপাশি প্রেরণ করতে বলে। এছাড়াও অধিকাংশ ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব তৈরীকৃত সার্ভারের মাধ্যমে অনলাইনে ফর্ম পূরণের মাধ্যমে চাকুরীপ্রার্থীদের নিকট হতে আবেদনপত্র চেয়ে থাকে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল একটি মানসম্মত এবং দক্ষতা উল্লেখপূর্বক আপডেটেড সিভি। চাকুরী পাওয়ার ক্ষেত্রে সিভি হল প্রথম ধাপ আর এই প্রথম ধাপে যদি কেউ ব্যর্থ হয় তাহলে তার কাছে চাকুরী পাওয়াটাই অসম্ভব। কোম্পানির নিয়োগকৃত কর্মকর্তা বা মালিক নিজেও অনেক সময় সিভি বাছাই ও যাচাই করে থাকেন।

সিভিতে মালিক বা মালিকপক্ষ যে বিষয়গুলো ভালভাবে দেখেন তা নিম্নরুপ:

1. চাকুরীপ্রার্থীর ফেসিয়াল স্মার্টনেস, ফর্মালিটি, ক্লিয়ারেন্স, ফটোটি আপডেটেড কিনা।
2. চাকুরীপ্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, কোথায় পড়াশোনা করেছেন, রেজাল্ট কেমন।
3. কাজের অভিজ্ঞতা এবং কোন কোন প্রতিষ্ঠানে কতদিন কাজ করেছেন।
4. অতিরিক্ত কোন কাজ বা বিশেষ কোন কোয়ালিটি বা দক্ষতা আছে কিনা।
5. এর পর দেখা হয় তার স্থায়ী, বর্তমান ঠিকানা।
6. চাকুরীর ধরনের উপর ভিত্তি করে অনেকসময় দেখা হয় যে, তিনি যে পোস্টে চাকুরী করবেন এই কাজের উপর তার কেমন স্পেশালিটি অর্থাৎ বিদেশী কোন প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেট, তার কোন আবিষ্কার কিংবা কোন রেফারেন্স আছে কিনা।
7. এছাড়াও কাজের পজিশন অনুযায়ী দেখা হয় তার বয়স, বৈবাহিক অবস্থা, সামাজিক মর্যাদা ইত্যাদি।
8. সিভিতে অনেক সময় কোন কোন ব্যক্তির রেফারেন্স দেয়া হলে সেই ব্যক্তি বরাবর যোগাযোগ করা হয় সত্যতা যাচাইয়ের জন্য।
9. বাংলা ও ইরেজীতে তার কেমন পারদর্শিতা রয়েছে তার জন্য স্বহস্তে লিখিত আবেদনপত্র বা কভারলেটার প্রেরণ করতে বলা হয়।
10.সর্বোপরি, ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রক্রিয়ায় চাকুরীপ্রার্থীর এবিলিটি বা সামর্থ যাচাই করা হয়। যেমন: লিখিত, মৌখিক, অবজেকটিভ, মেডিকেল, ফিজিক্যাল এবিলিটি, এপেয়ারেন্স সহ অনেক বিষয় টেস্ট করে দেখা হয়।
মূল বিষয়টি হল সভ্যতার পরিবর্তনর সাথে সাথে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায়ও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। উপরোক্ত বিষয়সমূহ এর সবগুলো একজন চাকুরীপ্রার্থীর ঠিকঠাক মত হওয়া সত্ত্বেও একজন প্রার্থী চাকুরী নাও পেতে পারেনি যদি চাকুরী দেয়ার ক্ষেত্রে পার্শিয়ালিটি বা পক্ষপাতিত্ব করা হয়। আমাদের দেশে অনেক সময় আত্মিয়তা ও বিভিন্ন কোটা থাকার কারণেও অনেক সময় অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীও চাকুরী থেকে বঞ্চিত হন। এই বিষয়টা একান্তই নির্ভর করে্ ঐ প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের উপর। একমাত্র তিনিই ভাল জানেন তার প্রতিষ্ঠানের সঠিক উন্নয়নে জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া কেমন হওয়া উচিৎ।

চাকুরী এখন ঘরে বসে করারও সময় চলে এসেছে বর্তমান যুগে:

বাংলাদেশের এক সমীক্ষায় বলা হয় আইসিটি সেক্টরে আয়ের প্রবৃদ্ধি দিন দিন বেড়েই চলছে। প্রবাসী ও পোষাক খাতের পাশাপাশি আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং করেও বাংলাদেশের অনেই ভাল অর্থ উপার্জন করছে একটি লেপটপ বা কম্পিউটারের সামনে বসে। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের শীর্ষ খাত হবে আইসিটি খাত। আইসিটি খাত এবং ফ্রিল্যান্সিং কাজের গতিকে আরও তরান্বিত করতে সরকার এই খাতে উন্নয়নের মাত্র আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।তাই সে সকল চাকুরীপ্রার্থীগণ চাকুরী পাচ্ছেন না তারা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন নিচের সাইটগুলোতে গিয়ে:
1. upwork.com
2. selltoearn.com
3. facebook.com
4. bikroy.com
5. youtube.com
6. blogger.com
7. fiverr.com
8. guru.com
9. freelancer.com
10.freelancewriting.com
11.behance.net
12.linkedin.com
13.flexjobs.com
14.solidgigs.com
15.indeed.com
16.collegerecruiter.com
17.99designs.com
18.designcrowd.com
19.pesigncrowd.com
20.dribbble.com
21.artwanted.com
22.studio.envato.com
এছাড়াও আরও বেশি ফ্রিল্যান্সিং কাজের সাইট নিচের লিংকটিতে দেখুন:
 https://www.ryrob.com/freelance-jobs

ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের সাধারণ পরিচিতি: নিচের লিংকগলোতে ক্লিক করে চাকুরীর জন্য আপনার কাঙ্খিত প্রতিষ্ঠানটি বেছে নিতে পারেন:

1. https://www.selltoearn.com/career/career11.php
2. https://www.selltoearn.com/career/career10.php
3. https://www.selltoearn.com/career/career12.php
4. https://www.selltoearn.com/career/career9.php
5. https://www.selltoearn.com/career/career8.php
6. https://www.selltoearn.com/career/career7.php
7. https://www.selltoearn.com/career/career5.php
8. https://www.selltoearn.com/career/career4.php
9. https://www.selltoearn.com/career/career2.php
10. https://www.selltoearn.com/facetube/bdnewslink/page1.html
11. https://selltoearn.com/article/jobs-in-bangladesh.php

এবার কথা বলা যাক সেশনজট সম্পর্কে। সেশনজট কি ? শিক্ষার্থীদের উপর সেশনজটের প্রভাব কিরুপ:

শিক্ষা আমাদের মৌলিক অধিকারের মধ্যে একটি । আমাদের প্রত্যেকের স্ব-শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার অধিকার রয়েছে । শিক্ষা আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করে তোলে । যদি না আমরা শিক্ষাকে ভুল কাজে ব্যবহার করি । তবে প্রাপ্ত শিক্ষাকে আমরা কিভাবে আমাদের জীবনে প্রয়োগ করবো সেটা একান্তই আমাদের উপর নির্ভর করে। শিক্ষা মানুষকে উন্নত মন-মানসিকতা, মার্জিত ব্যবহার, ভালো-মন্দের মধ্যে পার্থক্য বুঝার ক্ষমতা প্রদান করে । কিন্তু বর্তমানে শিক্ষা গ্রহন এবং সময়মতো এর প্রয়োগ যেন ক্ষীণ হয়ে আসছে কারন এই সুযোগ গুলো শিক্ষার্থীরা চাইলেও প্রাপ্ত করতে পারছে না । আর তার প্রধান কারন হচ্ছে সেশনজট ।

সেশনজট কী এবং এর বিরুপ প্রভাব:

আমরা অনেকেই হয়তো সেশনজট সম্পর্কে জ্ঞাত নই বা যারা এখনো শিক্ষা জীবনে সেশনজটের সম্মুখীন হয়নি তাদের জন্য এই সেশনজট শব্দটি হয়তো খুবই সাধারন ও সামান্য । তবে যারা শিক্ষা জীবনে সেশনজটের সম্মুখীন হয়েছে তাদের জন্য এটি কিছুটা অভিশাপের মতো।
সেশনজট হলো একই শ্রেণীতে কয়েক বছর অতিবাহিতকরা । বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত কলেজগলোতে এই সেশনজটের চিত্র লক্ষ্য করা যায়। কোন শ্রেণীতে/ইয়ারে আপনার এক বছর অধ্যয়ন এবং এর মধ্যে কোর্স সম্পূর্ণ করার কথা। সেখানে আপনার একের অধিক বছর [ দুই – তিন বছর বা এরও বেশি ] অধ্যয়নরত থাকতে হয়। এমনকি পরিক্ষায় কোনো রকম ব্যর্থতা[ failure ]ছারাই । সেশনজটের উপর ভিত্তি করে কর্তৃপক্ষ কোনো জবাবদিহিতা বা আশ্বস্ত করে না শিক্ষার্থীদের। ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় তাদের শিক্ষা বছর গুলো অতিক্রম করে।
এটি মূলত বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে [ University level ] হয়ে থাকে। কোনোরকম স্পষ্ট কারন ছারাই শিক্ষার্থীদের সেশনজটে রাখা হয়। যার প্রকৃত ভুক্তভোগী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজসমূহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত থাকা সাত কলেজ [ Dhaka university affiliated 7 College ].

সেশনজটের কারণ কি ?? সেশনজট বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন :-

1. শিক্ষার্থীদের প্রতি কর্তৃপক্ষের অবহেলা।
2. পরিক্ষার রুটিন সময়মতো দাখিল না করা।
3. পরিক্ষা সময়মতো না নেওয়া।
4. পরিক্ষার তারিখ ঘন ঘন পরিবর্তন করা।
5. পরিক্ষার খাতা মূল্যায়নে অবহেলা।
6. পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশে অনীহা।
7. কর্তৃপক্ষের মধ্যে দায়িত্ব বোধের অভাব।
8. পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ করলেও সেখানে বিভিন্ন রকমের অবান্ঞ্চিত সমস্যা।
9. ইম্প্রুভমেন্ট পরিক্ষা সময়মতো অনুষ্ঠীত না হওয়া।
10. ইম্প্রুভমেন্ট পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশে অবহেলা।
11. ইম্প্রুভমেন্ট পরিক্ষার ফলাফলে বিভিন্ন সমস্যা।
ফলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই সমস্যার সমাধানকল্প আরো কয়েক মাস অতিবাহিত হয়। মূলত এসব কারনেই শিক্ষার্থীদের সেশনজট হয়ে থাকে। যার ফলে তাদের বছরের পর বছর একই শ্রণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় থাকতে হয়।

সেশনজটের ফলে শিক্ষার্থীদের কিরুপ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় ??

যেকোনো দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষিত জাতি । সেখানে শিক্ষাই যদি শিক্ষার্থীদের জন্য অভিশাপ হয়ে দারায় তাহলে শিক্ষা বা শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে কতটুকুই বা সম্মান করবে শিক্ষার্থীরা । যেখানে তাদের লক্ষ্য স্থির সেখানে লক্ষ্যে পৌঁছনোর রাস্তা নির্মানেই শত শত বাধা । রাস্তা নির্মানের আগেই যদি তাদেরকে হতাশায় ঠেলে দেওয়া হয়। তাহলে তারা কিভাবে ভবিষ্যৎ লক্ষ্যে স্থির থাকবে । কিভাবে গড়ে উঠবে শিক্ষিত জাতি ।

সেশনজটের ফলে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো নিম্নরুপ :-

❏ সময়মতো কোর্স সম্পূর্ণ না করতে পারা।
❏ বয়স বৃদ্ধির ফলে চাকুরীতে আবেদন করতে ব্যর্থ হওয়া।
❏ প্রতিনিয়ত পরিবারে সঙ্গে মনোমালিণ্যের সৃষ্টি। সেশনজটের ফলে শিক্ষার্থীদের হীনমণ্যতায় ভোগা ।
❏ সেশনজট বিহীন স্থান থেকে অন্যান্য সমবয়সী শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ হওয়া দেখে সেশনজটে পরা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস নিম্ন স্তরে অবস্থান করা।
❏ সময়মতো সনদপত্র রপ্ত করতে না পারায় বিভিন্ন কর্মস্থলে চাকুরীর সুযোগ থেকে বন্ঞ্চিত হওয়া।
❏ পরিবারকে অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্য করার যোগ্যতা নিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া।
এমন অনেক কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির স্বীকার। অনেক শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাসের অভাবে আত্মহত্যার পথও বেছে নেয়। কেননা এই সময়ে দেখা যায় পরিবার ও তাদের বোঝা ভাবছে তুচ্ছ – তাচ্ছিল্য করছে। এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছে লড়াই করার মতো একটাই পথ থাকে আর তা হল প্রাপ্য দাবির জন্য আন্দোলন। তাদের কাছে তখন সবচেয়ে বড় শক্তি ও হাতিয়ার হচ্ছে একজোট হয়ে সম্মিলিত ভাবে আন্দোলন করা ।

বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে সেশনজট নিরষণে কি করণীয়??

বিশ্ববিদ্যালয় স্তরটি যেকোনো শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এই স্তর থেকেই শিক্ষার্থীরা কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠানিক ভাবে পদার্পন করে এবং বিভিন্ন সেক্টরে নিজেকে প্রমান করার তাগিদে এগিয়ে যায়।
কিন্তু সেশনজটের ফলে এসব সুযোগ থেকে বরাবরের মতো বন্ঞ্চিত থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের। অনেক পরিবারই আছে যারা এসময় অর্থনৈতিক ভাবে তাদের সন্তানদের যেকোনো রকম সাহায্য করা থেকে অক্ষম। সেই পরিস্থিতিতে নিজের খরচ ও পড়ালেখার খরচ বহন করার মতো কোনো চাকুরি যদি না করতে পারে তাহলে সামর্থ্যের অভাবে তাকে শিক্ষা জীবন ত্যাগ করতে হয় বাধ্য হয়ে। তাই সেশনজট নিরসন অতীব জরুরি।

সেশনজট নিরসনে করণীয় :

❏ কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব বোধ নিশ্চিত করা।
❏ পরিক্ষা যথাযথ সময়ে সম্পন্ন করা।
❏ পরিক্ষার খাতা মূল্যায়ণের সময় সচেতনতার সহিত মূল্যায়ন করা।
❏ পরিক্ষার ফলাফল যথাসময়ে প্রকাশ করা।
❏ পরিক্ষার ফলাফলে অবান্ঞ্চিত সমস্যা রোধ করা।
❏ কোর্স যথাসময়ে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা।
এভাবেই যত দ্রুত সম্ভব সেশনজট নিরসনে কাজ সম্পাদন করা উচিত যাতে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাপ্য মর্যাদা থেকে বন্ঞ্চিত না হতে পারে।

সেশনজট নিরসন হলে শিক্ষার্থীদের কি কি উপকার হতে পারে ??

শিক্ষা জীবনে সেশনজট একটি অপ্রাসঙ্গিক সময়। যে সময়টি শিক্ষার্থীদের একটা সময়ের মধ্যে আটকে রাখে। সময় নিজের মতো ঠিকই অতিবাহিত হয় কিন্তু শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সেশনজট সময়টিকে থমকে রাখে একই শ্রেণীতে। সে সময়টি তাদের জন্য অচল যা ব্যবহারে অযোগ্য। শিক্ষার্থীরা চাইলেও সেই সময় বা পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই সেশনজট নিরসন করা হলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন উপকৃত হতে পারবে।

সুবিধাগুলো হলো :-

❏ শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের নির্দিষ্ট একটা গতি নির্ধারণ করতে পারবে।
❏ যাদের লক্ষ্য পূর্ব নির্ধারিত তারা সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে।
❏ আর্থিকভাবে পরিবারের পাশে দাড়াতে পারবে।
❏ নিজের সম্পূর্ণ খরচ বহন করতে সক্ষম হবে।
❏ নির্দিষ্ট প্লাটফর্মে নিজের যোগ্যতা ও নিজেকে প্রমান করার একটা সুযোগ পাবে।
❏ অনেকে নিজের কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারবে।
❏ সরকারি বা বেসরকারি বিভিন্ন সেক্টরে চাকুরি করার সুযোগ পাবে।
❏ সময়মতো শিক্ষা সনদপত্র প্রাপ্ত হলে যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন কোম্পানীতে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুবিধা লাভ করবে।

পরিশেষে...

শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা, প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা, আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রম তাদের সফলতার উচ্চ স্তরে পৌছাতে সাহায্য করে। সেক্ষেত্রে যদি তাদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায় তখন তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাশক্তিও নিম্ন স্তরে চলে যায়। তাই শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসকে নষ্ট হওয়া থেকে বিরত রাখতে হলে সেশনজট অবশ্যই নিরসন করতে হবে। একটি সুস্থ-সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। যা তাদের নিজের জীবনের পাশাপাশি জাতি ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখে ।


Offer Source: Plz, click here to show
Offer Id: 909
Company Name: Selltoearn.com and Urnisha Jaman Mohona
Contact No.: 01823660266
E-mail: selltoearn.com@gmail.com
Business Type: Marketing/Sales
Location: GAZIPUR
Offer Title: ব্যবসা কি ?
কম খরচে ব্যবসা করে কিভাবে সফল হব ?
বর্তমান করোনা পরিস্থিতি কিংবা যেকোন প্রতিকূল অবস্থায় কিভাবে ব্যবসায়ের মন্দা অবস্থার সামাল দেব ?

Offer Details:

ব্যবসা কি ?
বর্তমান করোনা পরিস্থিতি কিংবা যেকোন প্রতিকূল অবস্থায় কিভাবে ব্যবসায়ের মন্দা অবস্থার সামাল দেব ?

কম খরচে ব্যবসা করে কিভাবে সফল হব ?
>

ব্যবসা কি?

ব্যবসায়ের সংজ্ঞা. ইংরেজি শব্দ ‘Business’ এর অর্থ হল ব্যবসা। Business শব্দটি এসেছে Busy শব্দটি থেকে।Busy শব্দটি একই সাথে adjective এবং verb যার অর্থ হল ব্যস্ত (adjective) এবং কোন কাজে ব্যস্ত থাকা (verb) ।আর Busy শব্দটির Noun হল Business যার অর্থ হল ব্যস্ততা।
সংজ্ঞা: মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে ক্ষতি সাধনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কোন কাজে ব্যস্ত থাকাকে ব্যবসায় বলা হয়। ব্যাপক অর্থে বলা যায় সকল কাজে ব্যস্ত থাকার মানে ব্যবসা হতে পারে না। একজন শিক্ষক, একজন ব্যাংকারও অনেক ব্যস্ত থাকে। এর মানে এই নয় যে উনারা ব্যবসায়ের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট বেতন বা মজুরি ভিত্তিক পেশাটি একটি চাকুরিজীবীর পেশা। কিন্তু একজন ব্যবসায়ির কাজের সময় নির্দিষ্টি নয় এবং তার মুনাফার পরিমানও নির্দিষ্ট নয়। চাকুরির চেয়ে ব্যবসা অনেকটা বেশি চ্যালেন্জিং কেননা চাকুরিতে ক্ষতি সাধন হওয়ার ঝুঁকি ব্যবসার চেয়ে কিছুটা কমই রয়েছে বলা যায়।

মুনাফা অর্জন ও ব্যবসায়িক বিশ্লেষণ:

একজন ব্যক্তি দুইভাবে মুনাফা অজর্ন করতে পারে-
1. কোন সার্ভিস বা সেবা প্রদান করে
2. কোন প্রোডাক্ট বা পন্য বিক্রয় করে
ব্যপক অর্থে Sell to earn (selltoearn.com) যার মানে হল মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে কোন কিছু সেল করতে হবে। আপনি যদি অর্থ বিনিয়োগ না করে অর্থ উপার্জন করতে চান তবে বিক্রয় বা সেল করতে হবে আপনার সার্ভিস বা সেবা আর এটা হবে অন্যের অধিনে যাকে চাকুরিজীবী প্রফেশন বলে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে। অন্যদিকে অন্তত কিছু হলেও অর্থ বিনিয়োগ করে কোন পন্য বা প্রোডাক্ট বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে চান এটা হবে একটি ব্যবসা। ব্যবসা একাও করা যায় আবার ব্যবসায়ির অধিনে কর্মরত অন্য (কর্মী) ব্যক্তিদের সাথে নিয়েও করা যায়।
প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা করলে দুটি পদ্ধতিতে ব্যবসা করা যায় আর তা হল:
1. ম্যানুফ্যাকচারিং বিজনেস বা উৎপাদনমূখী ব্যবসা
2. রেডিমেড বিজনেস বা প্রস্তুতকৃত পন্যর ব্যবসা
একটা দেশের অর্থনীতি টিকে থাকে বিভিন্ন ব্যবসায়, শিল্প এবং কোম্পানির উপর নির্ভর করে । সেক্ষেত্রে ব্যবসায় বা ব্যবসায়ীরা যদি ঝুঁকির সম্মুখীন হয়, আর সেটার মোকাবেলা করা যদি কঠিন হয়ে যায় তখন ধীরে ধীরে ব্যবসায় হ্রাস পাবে। যে শিল্প বা পন্য নিয়ে ব্যবসায়ীরা কাজ করেন সেগুলোর সংরক্ষন, সংযোজন কমে যাবে। ফলে শিল্প বা পন্যউৎপাদনকারী স্থান গুলোতে চাহিদা, যোগান ও উৎপাদন হ্রাস পাবে, জনগনের মধ্যে অভাববোধ সৃষ্টি হবে । তখন দেশের অর্থনীতিও চরম ঝুঁকির সম্মুখীন হবে । ফলে ব্যবসায়ের মন্দা পরিস্থিতি দেশ এবং দেশের জনবলের জন্য নানা রকম হুমকির কারন হয়ে দারাবে । যেহেতু বাংলাদেশের জনসংখ্যা তুলনামূলক বেশি সেহেতু চাহিদাও বেশি তাই এই পরিস্থিতি থেকে যত দ্রুত সম্ভব উত্তরনের চেষ্টা এবং এর মোকাবেলা করার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া অতীব জরুরি ।

ব্যবসায় সংগঠন মূলত কয় ধরনের হয় ??
ব্যবসায়িক সংগঠনের মূলত চারটি প্রধান ধরন রয়েছে যেমন :

❏ একক মালিকানা ব্যবসায় সংগঠন।
❏ অংশীদারিত্ব ব্যবসায় সংগঠন ।
❏ কর্পোরেশন এবং
❏ সীমিত দায় কোম্পানি, বা এলএলসি।
এই চারটি ব্যবসায় ধরনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ব্যবসায় পরিচালিত হয় । এই চারটি ব্যবসায়ের নিজস্য কিছু আইন, বাধা-নিষেধ, প্রক্রিয়া, পদ্ধতি, রয়েছে যেগুলো ব্যবসায় গুলোকে সঠিক ও সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে ।

বাংলাদেশে কি ধরনের শিল্পঅন্তর্ভুক্তআছে ?

বাংলাদেশের শিল্পগুলো খুবই জনপ্রিয় । এমনকি এর মধ্যে কিছু কিছু শিল্প বিভিন্ন দেশে রপ্তানিও করা হয়। বাংলাদেশের প্রধান শিল্প গুলো নিম্নরুপ:. তুলা, হস্তালিকা বস্ত্র, পাট, পোশাক, চা চাষ, নতুন কাগজ মুদ্রণ, সিমেন্ট, রাসায়নিক সার, চিনি এবং হালকা প্রকৌশল । বাংলাদেশে ব্যবসার পরিচালনায় কি কোনো সমস্যা রয়েছে ?? যেকোনো কাজে সমস্যা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক সেক্ষেত্রে ব্যবসায় পরিচালনার মধ্যেও কিছু সমস্যা বিদ্যমান। যার ফলে ব্যবসায়ে নানা রকম জটিলতা আসে ।

ব্যবসায় পরিচালনার প্রধান কিছু সমস্যাগুলি হলো:

❏ মালিকের ব্যবসায় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় জ্ঞানের অভাব।
❏ ব্যবস্থাপনার জন্য দক্ষতার অভাব।
❏ বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত মূলধনের অভাব।
❏ সঠিক পরিকল্পনা ব্যতিত সিদ্ধান্ত গ্রহন ও অব্যবস্থাপনা।
❏ ছোট ছোট ব্যবসায়কে প্রাধান্য না দেওয়া এবং অবহেলা করা ।
❏ বড় সংস্থার সাথে পাল্লা দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারা।
❏ সঠিক সময়ে সঠিক পরামর্শের অভাব এবং চাহিদা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অন্যান্য ধরণের সহায়তা ইত্যাদি ।

করোনার প্রভাবে বাংলাদেশের ব্যবসায়ের বর্তমান পরিস্থিতি ??

কোভিড এখন সবার জন্য এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করেছে যে কারনে ব্যবসা বানিজ্যে প্রচুর ক্ষতি হচ্ছে তা আমাদের কারোরই অজানা নয় । কোভিড মহামারি আসার পূর্বেই নানা রকম ভোগান্তিতে ছিলেন ব্যবসায়ীরা এখন সেই ভোগান্তি ক্রমশই বৃদ্ধিপাচ্ছে । এমনকি শুধু বাংলাদেশেই নয় বরং বিশ্ব জুড়ে এখন ব্যবসায়ে মন্দার পদধ্বনি আঁচ করা যাচ্ছে। করোনার প্রভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরায় কবে স্থিতীশীল হবে, কতদিন লাগবে বা আদও স্থিতীশীল হবে কি না তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেক ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীরা ধরে নিয়েছেন যে মহামন্দায় ঢুকে যাওয়া ব্যবসায় আর তারই মধ্যে বিপর্যস্ত অর্থনীতি সৃষ্ট অস্থিরতা, হতাশা দীর্ঘমেয়াদী রূপ নিতে যাচ্ছে। তবুও অনুকূল পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ নেই। বরং কোভিড পরিস্থিতিতে স্থবির হয়ে পড়া ব্যবসা-বাণিজ্য আগামী দিনগুলোতে আরো অনিশ্চয়তায় কাটবে বলেই মনে করছেন।
এ পরিস্থিতিতে লকডাউনের জন্য কলকারখানা না চললে, ব্যবসা-বাণিজ্য পুনরায় সচল করার চেষ্টা না করা হলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে কীভাবে ?? এই প্রশ্নটা থেকেই যায়। কতদিনই বা এভাবে কাটবে, অনিশ্চয়তার জীবন উচ্চবিত্তদের ওপর কোনো প্রভাব না ফেললেও মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের ওপর খুব জটিল ভাবে প্রভাব ফেলছে । এই মন্দা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আমাদের তরুণ সমাজে কিরুপ প্রভাব ফেলছে ?? দেশ যেমন উন্নত হচ্ছে ঠিক তেমনি অপরদিকে বেকারত্বও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কাজের প্রত্যাশায় যোগ্যতাতো অর্জন হয়েছে তবে সামর্থ্যের সামনে যোগ্যতা যেন হার মেনে নিয়েছে । তাহলে এ কেমন যোগ্যতা অর্জন যা অর্থের কাছে হার মানে।তবে কি যোগ্যতার পেছনে না ছুঁটে অর্থের পিছুনেওয়াই কাম্য
। অর্থের তারনায় গরিব, দরিদ্র, নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানরা ভুল পথে চালিত হচ্ছে। নানা রকম বেআইনি কাজে লিপ্ত করছে নিজেদের । বলা হয়“ আজকের সন্তানরাই নাকি আগামী দিনের ভবিষ্যত “ যদি সন্তানরা তাদের বর্তমানকেই নষ্ট করে ফেলে অর্থের অভাবে , তাহলে ভবিষ্যত কিভাবে গড়বে । ভবিষ্যত গড়ার মতো সুস্থ দেহ, ইচ্ছা শক্তি, ভালো মন-মানসিকতা, তখন তাদের মধ্যে বিরাজ করবেতো নাকি অকালে ঝরে যাবে তাদের সুন্দর ভবিষ্যত
। করোনা মহামারীর ফলে কৃষি পন্যের যোগান, চাহিদা ও অবস্থান ??
বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ হওয়া সত্বেও কৃষি খাতে দেখা দিচ্ছে নানা রকম জটিলতায়।কৃষকেরা ফসল উৎপাদনে যে পরিমান বিনিয়োগ করছে, বিক্রয়ের সময় বিনিয়োগকৃত সমপরিমান অর্থের পাঁচ ভাগের তিন ভাগও তারা পাচ্ছে না । দিন শেষে তাদের হতাশা ভরা দেহ তাদের বাধা দিচ্ছে ফসল উৎপাদনে । ধান থেকে শুরু করে শাক-সবজির ফলন ও যোগান পর্যাপ্ত পরিমানে না থাকায় মূল্য বেশি হওয়ার কারনে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ক্রেতারা নির্ধারিত মূল্য নিয়ে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করছেন । ফলে বিক্রেতারা কিছু দ্রব্যের মূল্য হ্রাস করলেও তাদের পক্ষে সব রকম দ্রব্যের মূল্য হ্রাস করা সম্ভব হয়নিকারন তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থের তুলনায় মুনাফা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে । এমনকি কিছু কিছু দ্রব্যের মূল্য এতটাই কম ছিল যে সেই তুলনায় মুনাফা পাঁচ ভাগের দুই ভাগ ও রপ্তানি করা যায়নি বলে জানা যায়। কিভাবে তারা এসব ক্ষতি পুষিয়ে নতুন করে কিছু করবে সেই ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে হীনমন্যতায় । ফলে বাংলাদেশের কৃষিখাতও চরম বিপর্যয়ের মুখে বিরাজ করছে। এরুপ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব ব্যবসায়ীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত না হলে বছর শেষে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধির আশাও যেন দিন দিন ক্ষীণ হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশের এই অবস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পরিস্থিতি তৈরি হতেওসময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশের এই করুণ করোনা পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ের প্রধাণ বিপত্তিসমূহ: 1. দেশের আমদানি ও রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে ।
2. বিভিন্ন পন্যের যোগান কমে যাবে এবং অভাববোধ সৃষ্টি হচ্ছে।
3. ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে এবং মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
4. অনেকের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি পুষোনোর জন্য দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম হচ্ছে।
5. দেশের মাথাপিছু আয়ের অবনতি ঘটছে।
6. শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহন না করে কাজকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে ফলে শিক্ষার হার কমে যাচ্ছে।
7. শিক্ষিত সমাজ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হচ্ছে।
8. অসাধু উপায়ে নানা রকম কর্মকান্ডের সৃষ্টি হচ্ছে।
9. সমাজের বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ অবৈধ কাজে লিপ্ত হচ্ছে।
10. অর্থ উপার্জনের তারনায় একজন আরেকজনের ক্ষতি করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বেআইনি
পদক্ষেপ গ্রহন হচ্ছে।
11. দেশের আইন – শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে।
12. দেশের দুর্নীতি ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

ব্যবসা-বানিজ্যে ক্ষতিসাধন ও ব্যর্থতার কারণগুলো কী কী ?

ব্যবসায় যখন কেউ শুরু করে তখনই কিছু কিছু নিয়ম-নীতি প্রনয়ণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা ব্যবসায়ের নিয়ম-নীতি একসময় সফলতা ও ব্যর্থতার কারন হতে পারে । তবে নিয়ম-নীতি প্রনয়নেওযথেষ্ঠ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে । কারন সফলতা খুব সহজে পাওয়া না গেলেও ব্যর্থতা খুব সহজেই মানুষকে ঘিরে ধরে নিম্নে ব্যবসায়ের ব্যর্থতার কারন গুলো উল্লেখ করা হলো :
▪ দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসায়ের মন্দা পরিস্থিতি ।
▪ উচ্চ হারে অথবা নিম্ন হারে পন্যে মূল্য ধার্য করা।
▪ সামর্থ্যকে প্রাধান্য না দিয়ে উচ্চ সুদে ব্যাংক লোন ।
▪ অত্যাধিক অপ্রয়োজনীয় নিয়ম-নীতি ।
▪অদক্ষ ও দুর্বল ব্যবস্থাপনা
। ▪ অপর্যাপ্ত বিপণন (মার্কেটিং) ও ভুল সিদ্
ধান্ত। ▪ এমনকি ব্যবসায়ের বিভিন্ন অফারগুলিতে জনসাধারণের আগ্রহ ও চাহিদার অভাবে ব্যবসায় ব্যর্থতার সম্মুখীন হতে পারে।
কিভাবে ব্যবসায়ের ক্ষতিগুলো কাটিয়ে পুনরায় মুনাফা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা যায় ??
যদি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীন ও বাহ্যিক পরিস্থিতি বিশ্লেষন করে বোঝা যায় যে ব্যবসায় ক্রমশই লোকসানের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সেগুলি এড়াতে কিছু পদ্ধতি অবশ্যই অবলম্বন করতে হবে
। পদ্ধতিগুলো নিম্নরুপ :-
▪ যত বেশি সম্ভব খরচ কমানো।
▪ বিভিন্ন ভাবে ব্যবসায়েরবিক্রয় বৃদ্ধি করা ।
▪ নতুন ও ভালো মানের পন্য নিয়ে কাজ করা ।
▪ ক্রেতা বা ভোক্তার চাহিদার উপর নির্ভর করে পন্য তৈরি করা ।
▪ পূর্ব পরিকল্পনার মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা ।
▪ একজন পেশাদার হিসাবরক্ষক নিয়োগ দেওয়া অর্থনৈতিক কার্যকলাপের সুষ্ঠু বন্টনের জন্য ।
▪ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যবসায়িক উপদেষ্টার কাছে থেকে পরামর্শ নেওয়া । এই বিপর্যস্ত পরিস্থিতি থেকে উত্তরন ও মোকাবেলার জন্য কি করণীয় ??
❏ যেহেতু এখন করোনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন স্থানের অবস্থা খুবই ভয়াবহ এবং এর প্রভাব কবে শীথিল হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
❏ সেক্ষেত্রে যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বনের সহিত দেশের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গুলো চলমান রাখা ।
❏ নতুন পন্য কিভাবে উৎপাদন করা যায় সেদিকে নজর দেওয়া
। ❏ অন্যান্য দেশের চাহিদা অনুযায়ী রপ্তানি করা যায় এমন পন্যেরউৎপাদন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করা।
❏ অপ্রয়োজনীয় বা কিছু বিলাসিতার পন্য আমদানি করা থেকে কিছু সময়ের জন্য বিরত থাকা।
❏ শিক্ষা ক্ষেত্রে সবার সুবিধা-অসুবিধার কথা ভেবে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া যত দ্রুত সম্ভব।
❏ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে সেশনজোট নিরসনে কর্তৃপক্ষের নিকট আদেশ জাড়ি করা যাতে তরুন সমাজ বর্তমান সময়ে নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নতির দিকে এগিয়েনিয়ে যেতে পারে ।

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য কিছু কথা: নিম্নে কয়েকটি ব্যবসায়ের ধরন ও পন্যের তালিকা দেয়া হল । যার মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তগণ অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ব্যবসায় করতে পারেন।
1.মোবাইল এবং এর আনুষাঙ্গিক পণ্য
1. ৪সি/ ৫সি বিটি/বেটারি (ওয়ারেন্টি = ৬ মাস) 2. ডন এন্ড চার্জার 3. বাটনচার্জার/ এনটি (স্মার্ট) (ওয়ারেন্টি = ৬ মাস) 4. টপ এন্ড চার্জার (ওয়ারেন্টি = ৬ মাস) 5. কার্ড রিডার - স্টিল 6. মেমোরিকার্ড (ওয়ারেন্টি = ৬ মাস) ৮জিবি 7. মেমোরিকার্ড (ওয়ারেন্টি = ৬ মাস) ১৬জিবি 8. মেমোরিকার্ড (ওয়ারেন্টি = ৯ মাস) ৩২জিবি 9. কার্ড রিডার - প্লাস্টিক 10. টর্চ লাইট/ চার্জ লাইট /জুমলাইট 11. টর্চ লাইট (নরমাল) 12. এয়ার ফোন এমআই ২০১৯ + ডি ২১ এইচপি 13. এয়ার ফোনস্যাম/অপো/বিভো 14. মোবাইল ডিসপ্লে/ গ্লাস 15. ইউএসবি ডাটা ক্যাবল 16. ইউএসবি নরমাল ক্যাবল 17. রিমেক্স লেসো ক্যাবল 18. ই-৯৫ এন্ড্রয়েড 19. বি৬৭+ সিম্ফনি 20. বি৬৮+ সিম্ফনি 21. সিরাজ নরমাল চার্জার 22. ওইনস্টার ডব্লিও ৮ 23. বিডি স্টার বিডি ৪৫ (মোবাইল) 24. বডি (ছোট - ডাবল পুট) 25. ওটিজি (ছোট) 26. পাতা কট 27. স্পিকার ১/১ কট 28. স্পিকার ১/২ কট 29. ভিআইপি স্ট্যান্ড 30. নিউ স্ট্যান্ড 31. অপ্পো এ১২ অফিসিয়াল 32. সিম্ফোনি আই৬৬ অফিসিয়াল 33. পাওয়ার ব্যাংক (অপ্পো+হোয়াই) 34. অপ্পো/স্যামসাম লাইট চার্জার 35. ক্রিয়েটিভ মাইক হেড ফোন 36. একেজি হেড ফোন 37. এমআই হেড ফোন (লার্জ ফর এন্ড্রয়েড) 38. ব্লুটুথ এয়ার ফোন - মডেল: এইচ-১৫ 39. মিনি ওয়্যারলেস ব্লুটুথ হেড ফোন 40. কভার স্টিকার রিং 41. ইউএসবি হাব ১ ক্যাবল ৪ পোর্ট 42. ওটিজি টি.৫ হাই কোয়ালিটি (লার্জ) 43. ইউএসবি লাইট 44. রিং এন - মোবাইল কভার স্টিকার 45. মেমোরিকার্ড (ওয়ারেন্টি = ৬ মাস) ৬৪জিবি 46. এইচপি ৬৪ জিবি পেনড্রাইভ 47. এইচপি ৩২ জিবি পেনড্রাইভ 48. বুলেট চিকন চার্জার এডাপ্টর 49. ৩১১০ ট্রিপট ফর মোবাইল এন্ড ক্যামেরা 50. চার্জার বডি ফর এন্ড্রয়েড 51. টি.৫ রিম্যক্স লার্জ চার্জার বুলেট এডাপ্টর 52. অটো বাটনচার্জার (ওয়ারেন্টি = ৬ মাস) 53. ইউএসবি ডাটা (৪এ আউটপুট ডাটা ক্যাবল) 54. ব্লুটুথ স্পিকার/ নরমাল/ কম্পিউটার স্পিকার 55. মোবাইল স্ট্যান্ড নরমাল 56. পাওয়ার ব্যাংক (মিনি) 57. পাওয়ার ব্যাংক (২০০০০ এমপেয়ার) 58. পাওয়ার ব্যাংক (শাওমি/এমআই) 59. ব্লুটুথ স্পিকার/ কম্পিউটার স্পিকার (লার্জ-এনবিএস) 60. ফটো পেপার 61. ফটো কপি পেপার 62. রাউটার 63. চার্জেবল মিনি ফ্যান 64. এলইডি বাল্ব ২০ওয়াট 65. এলইডি বাল্ব ৫ওয়াট 66. এলইডি ডিম লাইট 67. ট্রান্সটেক এলইডি লাইট ৫ওয়াট 68. আয়রন সোল্ডার ৬০ওয়াট 69. ওছাকা কসটিপ 70. তার 71. হোল্ডার 72. স্পিকার কেটিএস-১০৯৭ 73. মাল্টি প্লাক 74. সকেট 75. ডেনড্রাইড আঠা 76. এলইডি চোকা লাইট 77. এইইডি ইন্ডিকেটর 78. ডায়ড ও রেজিস্টেন্স 79. রজন 80. রাং 81. সুইচ 82. মটর (বড়) 83. মটর (ছোট) 84. পাখা (বড়) 85. পাখা (ছোট) 86. এলইডি লাইট সার্কিট (এসি) 87. এলইডি লাইট সার্কিট (ডিসি) 88. এলইডি লাইট ড্রাইভার/স্লট (এসি) 89. এলইডি লাইট ড্রাইভার/স্লট (ডিসি) 90. মোবাইল ব্যাক কভার 91. মোবাইল/আইডি কার্ড রিং হোল্ডার 92. মাউস/কিবোর্ড 93. ট্যাব 94. ওয়াচ মোবাইল 95. সেলফি স্টিক 96. মিনি মাউথ পিস এন্ড স্পিকার 97. সাউন্ড রেকর্ডার 98. সফ্টওয়্যার 99. টিভি কার্ড 100. বড় হেড ফোন
3. কম্পিউটার পণ্য
• মাদারবোর্ড • র্যা ম • হার্ড ডিস্ক • প্রসেসর • কুলিং ফ্যান • মাউস • কি বোর্ড • মাউস প্যাড • মনিটর • পাওয়ার/সাটা/অন্যান্ন ক্যাবল • সফ্টওয়্যার • পাওয়ার সাপ্লাই • সিকিওরিটি • কম্পিউটার ক্যাসিং • স্পিকার • টোনার কারট্রিজ • লিকুইড রিফিল ইংক • ফটো কপিয়ার কারট্রিজ • প্রিন্টার মেশিন • ফটো কপিয়ার মেশিন • স্ক্যানার মেশিন • নোট বুক কুলার • ফটো পেপার • ফটো কপি পেপার • ইউএসবি ক্যাবল • এইচডিএমআই ক্যাবল • ইএসবি হাব • রাউটার • ল্যান ক্যাবল • ক্যাট ৫ ওয়াইফাই ক্যাবল • ক্যাট ৬ ওয়াইফাই ক্যাবল • সুইচ • অনু • ল্যাপটপ • স্ট্যাবিলাইজার • ডিভিডি রাইটার • সিমস বেটারি • ভিজিএ ক্যাবল • প্রজেক্টর • সিসি ক্যামেরা • ইউপিএস • আইপিএস
4. ইলেকট্রনিক্স পণ্য
• টিভি • মনিটর • ফ্রিজ • ফ্যান (সিলিং) • টেবিল ফ্যান • চার্জার টেবিল ফ্যান • এসি • মাইক্রো-ওভেন • ব্লেন্ডার • কুকার • ওয়াটার পিউরিফাইয়ার • টিভি কার্ড • রিমোট • রিমোট বেটারি • স্ত্রি মেশিন/ আয়রন মেশিন • হট পট • অটো রিক্সার বেটারি • জেনারেটর • প্রিন্টার • লেমিনেটিং মেশিন • স্পিকার • ডিএসএলআর ক্যামেরা • সিসি ক্যামেরা • হ্যান্ডি ক্যামেরা • ওয়াটার প্রুফ ক্যামেরা • সুপার এইচডি ক্যামেরা • পেন/সিক্রেট ক্যামেরা • ফ্লাইং ড্রোন ক্যামেরা • ক্যামেরা ট্রাই পট • মিনি ফ্লাক্স • লার্জ ফ্লাক্স • ওয়াটার হিটার
5. বৈদ্যুতিক এবং হার্ডওয়্যার পণ্য
• নরমাল এলইডি বাল্ব • চার্জেবল এলইডি বাল্ব • তার (বিআরবি) • তারের পাইপ • সকেট • সকেট বক্স • সুইচ • ফিওজ • প্লাক • হোল্ডার • কসটিপ • এন্টি কাটার • মাল্টি প্লাক • লাইন কানেক্টর • মোটা তার • তারকাটা • স্কু • লকার • দরজার হাতল • কবজা • সিকল • দা • বটি • কাচি • কোদাল • করাত • প্লাস/ সারাশ • তালা • শাবল • টেস্টার • পেরাক • জিআইতার • সুপার গ্লু আঠা • রং (পারটেক্স) • রং করার ব্রাশ • রং এর লিকুইড • সিলিং বোর্ড • হার্ড বোর্ড • প্লাই বোর্ড • ইলেক্ট্রিক্যাল এয়ার ক্রিয়েটর • হাতুরি • ক্লাম • গ্লাস • গ্লাস লকার • দড়ি • রশি • সুতলি • মশা মারার ব্যাট • কুড়াল • প্লাস্টিকের পাইপ • মটরের চিকন পাইপ • মটরের মোটা আরএফএল পাইপ
6. কাপড় এবং গার্মেন্টস পণ্য
• টি শার্ট • শার্ট • জিন্স প্যান্ট • গ্যাবার্ডিন প্যান্ট • লুস প্যান্ট • আন্ডার ওয়্যার • লুঙ্গি • সেন্ডু গেঞ্জি • ফুল হাতা সেন্ডু গেঞ্জি • পায়জামা • পাঞ্জাবী • ফতুয়া • গামছা • তয়েলা • রুমাল • শেরওয়ানী • পাগরী • ধুতি • কাফনের কাপর • থান কাপর • বিছানার কভার • দরজার পর্দা • জানালার পর্দা • ব্লেজার/ কোর্ট • মুজিব কোর্ট • কোর্তা • সেলুয়ার কামিজ • থ্রি পিস • শাড়ি • ব্øাউজ • গজ কাপড় • সুতি কাপড় • চুশ পেন্ট • থ্রি কোয়ার্টার • মোজা • ব্রা • আন্ডার ওয়্যার • ছোটদের ফ্রক/জর্জেট পোশাক • টুপি • হ্যাট • ক্যাপ 7. চামড়া এবং রেক্সিন পণ্য • চামড়ার মানি ব্যাগ • চামড়ার ভেনিটি ব্যাগ • ট্রাভেল ব্যাগ • স্কুল ব্যাগ • ব্রিফ কেস • লাঞ্চ বক্স ব্যাগ • কেটস্ • লুফার • জাম কেস • চটি • সেন্ডেল • বার্মিজ
8. মুদিদোকান ও খাদ্যদ্রব্যের পণ্য
• ইসব গুলের ভুসি • ব্রাশ • পেরাশ্যুট নারকেল তেল • ষড়িষার তেল • সয়াবিন তেল (ফ্রেশ) • কয়েল (পাতা বাহার) • কয়েল (সিটি) • কয়েল (ঈগল) • কয়েল (তুলসী পাতা) • পাটা গুর • ঝুলা গুর • কিসমিস • চিরা • মোমবাতি • আগরবাতি • বডি স্প্রে • লুশন • তালমিশ্রি • ঘামাছি পাউডার/ নরমাল পাওডার • লিপজেল • ভ্যাজলিন • আরসি • কোকা কোলা • আইস ক্রিম • অলিভ অয়েল • হারপিক/ সোডা • সিলেক্ট প্লাস শ্যাম্পু • ব্লেড • সুতা/সুই • চকলেট • পেপসোডেন্ট • ক্লোজ আপ • সেনসোডাইন • মেডিপ্লাস • কোলগেট • লাইফবয় সাবান • স্যাবলন সাবান • স্যান্ডিলিনা সাবান • ডেটল সাবান • লাক্স সাবান • হুইল সাবান • চাকা সাবান • হুইল পাওডার • রিন পাওডার • সার্ফ এক্সেল • ফেয়ার এন্ড লাভলি • পন্ডস্ ক্রিম • লিভিয়া সফ্ট • পাতা সানসিল্ক শ্যাম্পু (৭এমজি) • লেক্সাস বিস্কুট • পাইনএপেল বিস্কুট • টুস্ট বিস্কুট • বোম্বে চানাচুর • চাউল (মিনিকেট) • চাউল (নাজির) • চাউল (২৯) • চাউল (পাইজন) • চাউল (আতাশাইল) • চাউল (চিনিগুরা ) • লবন (মোটা - মোল্লা সল্ট) • লবন চিকন - ফ্রেশ • চিনি • হলুদের ফাকি • মরিচের ফাকি • জিরার ফাকি • শজের ফাকি • এলাচি • খাল • আদা • জিরা • আলু • পেয়াজ • রশুন • মুরি • চিরা • ডাউল • আদা • ময়দা • সুজি • সাগু • ছাতু • ছোলা • সেরেলাক্স নেসলে) • নুডুলস্ • সয়াবিন তেল (বসুন্ধরা) • সয়াবিন তেল (তীর) • সয়াবিন তেল (রুপচাঁদা) • লেক্টোজেন • ডাভ শ্যাম্পু • সানসিল্ক শ্যাম্পু • জনসন শ্যাম্পু • জনসন সাবান • টিস্যু বক্স (মোটা) (ফ্রেশ) • টিস্যু বক্স (পাতলা) (ফ্রেশ) • টিস্যু বক্স (মোটা) (বসুন্ধরা) • টিস্যু বক্স (পাতলা) (বসুন্ধরা) • ট্যাং • ঝিলমিল কাগজ • ফোকাস লাইট/ঝার বাতি • বার্থডে ফোম
9. কাঁচামাল এবং সবজি পণ্য
• বেগুন • শশা • টমেটো • সিম • গাজর • কচুর লতি • কচুর মূখি • পুই শাক • কচু শাক • পালন শাক • পাট শাক • দারা শাক • সাজনা শাক • পুরকল • ধুন্দল • ফুল কপি • পাতা কপি • মিষ্টি আলু • গোল আলু • শাপলা • সাজনা • লাউ/জালি • মিষ্টি কুমড়া • ব্রয়লার মুরগী • কক মুরগী • দেশী মুরগী • দেশী মুরগ • পাকিস্তানি মুরগী • কবুতর • গরুর মাংশ • খাসির মাংশ • দুধ • ডিম • রুই মাছ • ইলিশ মাছ • ঝাটকা ইলিশ মাছ • সিলভার মাছ • তেলাপিয়া মাছ • পুটি মাছ • পাংখাস মাছ • বেম মাছ • চিংরি মাছ • শিং মাছ • কাতল মাছ • আইর মাছ • চিতল মাছ • বোয়াল মাছ • রুপচাদা মাছ • কই মাছ • মাগুর মাছ • টাকি/শিয়ল মাছ • টেংরা মাছ • মলা/ঢেলা মাছ • চ্যাপা শুটকি মাছ • অন্যান্য শুটকি মাছ • পটল • বডবডি • পাতি হাঁস • মহিষ • ভুট্টা • গম
10. মৌসুমী ফলমূল পণ্য
• খেজুর • মাল্টা • সবরি কলা • লেবু • আম (রুপালী) • আম (হাড়ি ভাঙ্গা) • আম (ল্যাংরা) • কাঠাল • লিচু • কমলা • আপেল • তরমুজ • আনারস • ডাব/নারকেল • সাগর কলা • ডালিম • বেদেনা • চাম্পা কলা • জাম • আঙ্গুর • বড়ই • কাল জাম/ব্লাক বেরি • লটকল ফল • আমড়া • কামরাঙ্গা • জাম্বুরা • আতা ফল • চামফল • তেতুল • কদবেল • আখ • বেল • জলপাই • স্ট্রবেরি • করমচা
11. আসবাবপত্র এবং কাঠের পণ্য
• সোফা (ওডেন) • সোফা (ফোম) • ডাইনিং টেবিল • খাট • ড্রেসিং টেবিল • ওয়ার ড্রভ • ওয়াল শোকেজ • আলমারী • চেয়ার • টেবিল • হাইবেঞ্চ • লোবেঞ্চ • কাঠের দরজা • কাঠের জানালা • মন্দির • ডায়াস • টি টেবিল • অফিস টেবিল • বস চেয়ার • হুইল চেয়ার • রকিং চেয়ার • কম্পিউটার টেবিল • আলনা (স্টিল/ওডেন) • চকি
12. প্লাস্টিক, রূপা ও ইস্পাত পণ্য
• বালতি (প্লাস্টিকস্) • মগ (প্লাস্টিকস) • জগ (প্লাস্টিকস) • চেয়ার (হাতল) (প্লাস্টিকস) • চেয়ার (হাতল ছাড়া) (প্লাস্টিকস) • গামলা (প্লাস্টিকস) • ডিশ (প্লাস্টিকস) • কৌটা (প্লাস্টিকস) • গ্লাস (প্লাস্টিকস) • বালতি (সিলভার) • মগ (সিলভার) • জগ (সিলভার) • চেয়ার (হাতল) () • চেয়ার (হাতল ছাড়া) (সিলভার) • গামলা (সিলভার) • ডিশ (সিলভার) • কৌটা (সিলভার) • গ্লাস (সিলভার) • বালতি (স্টিল) • মগ (স্টিল) • জগ (স্টিল) • চেয়ার (হাতল) (স্টিল) • চেয়ার (হাতল ছাড়া) (স্টিল) • গামলা (স্টিল) • ডিশ (স্টিল) • কৌটা (স্টিল) • গ্লাস (স্টিল) • পাতিল (সিলভার) • ডিশ (স্টিল) • থালা (স্টিল) • গ্লাস (স্টিল) • মগ (স্টিল) • চা চামচ (স্টিল) • ভাতের চামচ (স্টিল) • তরকারির চামচ (স্টিল) • বাটি (স্টিল) • প্লাস্টিকের ঝুড়ি • স্টিলের বাক্স • স্টিলের সিন্ধুক • প্লাস্টিকের টুল • প্লাস্টিকের মোড়া/ফিরি • র্যা ক • সেল্ফ • কিচেন বক্স • প্লাস্টিকের কমোট
13. সিরামিক এবং কুকরিজ পণ্য
• পেয়ালা • ছোড ডিশ • চামচ • ডিনার সেট • টি-সেট • কফি-সেট • গ্লাস • বড় ডিশ • বড় জগ • পোলাউ সেট • ফুল দানি • মাটির ব্যাংক • ট্রে • বেসিন • প্লেট
14. হোম অ্যাপ্লায়েন্স এবং অন্যান্য পণ্য
• ঝাড়– • কার্পেট • মাদুর/ম্যাট • লাইটিং ঝার • ওয়াল ডেকোরেটিং ফ্লাওয়ার • ছবির ফ্রেম • কলিং বেল • ভাত মারের স্ট্যান্ড • কুপা • হারিকেন • নুসানি • পাতিল পরিষ্কারের ছোবা • ভিমবার • ভিম সাবান • ভিম পাওডার • জিমের চাকতি • জিমের জন্য টুলস্ • তুষক • জাজিম • বালিশ • বালিশের কভার • কোল বালিশ • মশারি • ওয়াল ক্লথ • টেবিল ক্লথ • জায়নামাজ • রেহেল • শো সেল্ফ
15. হস্তশিল্প এবং নকশা পণ্য
• পাটের ব্যাগ • কুলা • ধামা/ঝাকা • মাছ ধরার পলো • একোরিয়াম • বেতের পাটি • বেতের মোড়া • বেতের ঝুড়ি • বাশের হাজি • তাল পাতার পাটি • শিতল পাটি • হাত পাখা • নকশি কাথা
16. বিল্ডিং, নির্মাণ পণ্য
1. ইট 2. বালু 3. সিমেন্ট 4. রড 5. বাশ 6. কাঠ 7. কয়লা 8. নরমাল টিন 9. কালার টিন 10. মাইটা টিন 11. খাম্বা/খুটি 12. পাইর 13. আঠন 14. সাথির 15. টাইলস্
17. বই এবং স্টেশনারি পণ্য ১.
বিশ্ববিদ্যালয় খাতা ২. লুছ খাতা (হুয়াইট প্রিন্ট) ৩. মার্জিন খাতা (বাংলা, ইংরেজী, গণিত) ৪. কলম/ জেল পেন ৫. পেনসিল ৬. কাটার/ রুলার ৭. কভার/ কার্টুন ৮. রাবার ৯. ডায়ারি ১০. স্কেল (প্লাস্টিক/স্টিল) ১১. স্ট্যাবলার (মিনি/ লার্জ) ১২. স্ট্যাবলার পিন (মিনি/লার্জ) ১৩. পেপার কাটার ১৪. গ্লু/আঠা ১৫. ইনভিলপ (মিনি/লার্জ) ১৬. সিজরস্ ১৭. রেজিস্টার খাতা ১৮. দোকানের হিসাব খাতা ১৯. গ্রাফ পেপার ২০. কার্বন কাগজ ২১. পেনসিল বক্স ২২. ড্রয়িং পেনসিল ২৩. ড্রয়িং পেপার ২৪. হাই লাইটার/ কালার মার্কার ২৫. ফ্লু্ট ২৬. মার্কার পেন (পার্মানেন্ট/ ওয়ান টাইম) ২৭. মার্কার ডাস্টার ২৮. ফটো কপি পেপার (এ৪, লিগাল) ২৯. ডকোমেন্ট প্লাস্টিক ফাইল ৩০. কমপাস সেট/ জ্যামিতি বক্স ৩১. ক্যালকুলেটর ৩২. পেন হোল্ডার ৩৩. এক্সাম হার্ড বোর্ড ৩৪. পেপার জেমস্ ক্লিপ ৩৫. স্টিকি নোট পেপার ৩৬. হুইয়াইট মার্কার বোর্ড ৩৭. চক ৩৮. চক ডাস্টার ৩৯. জেমস্ ক্লিপ ৪০. গাইড বই (তৃতীয়) - পাঞ্জেরী পাবলিকেশন ৪১. গাইড বই (চতুর্থ) - পাঞ্জেরী পাবলিকেশন ৪২. গাইড বই (পঞ্চম) - পাঞ্জেরী পাবলিকেশন ৪৩. গাইড বই (ষষ্ঠ) - পাঞ্জেরী পাবলিকেশন ৪৪. গাইড বই (সপ্তম) - পাঞ্জেরী পাবলিকেশন ৪৫. গাইড বই (অষ্টম) - পাঞ্জেরী পাবলিকেশন ৪৬. গাইড বই (নবম-দশম) - পাঞ্জেরী পাবলিকেশন ৪৭. সম্পূর্ণ সেট সহ - প্লে গ্রুপের বই - গাইড সহ ৪৮. সম্পূর্ণ সেট সহ - নার্সারী গ্রুপের বই - গাইড সহ ৪৯. সম্পূর্ণ সেট সহ - কে.জি. গ্রুপের বই - গাইড সহ ৫০. সম্পূর্ণ সেট সহ - প্রথম শ্রেণীর বই - গাইড সহ ৫১. সম্পূর্ণ সেট সহ - দ্বিতীয় শ্রেণীর বই - গাইড সহ ৫২. ইংরেজী গ্রামার বই - এডভান্স পাবলিকেশন (৬ষ্ঠ) ৫৩. ইংরেজী গ্রামার বই - এডভান্স পাবলিকেশন (৭ম) ৫৪. ইংরেজী গ্রামার বই - এডভান্স পাবলিকেশন (৮ম) ৫৫. ইংরেজী গ্রামার বই - এডভান্স পাবলিকেশন (৯-১০) ৫৬. ইংরেজী গ্রামার বই - এডভান্স পাবলিকেশন (১১-১২) ৫৭. সাধারণ জ্ঞানের বই ৫৮. স্পোকেন ইংলিশ শেখার বই ৫৯. ছোট গল্পের বই ৬০. দক্ষতা বাড়ানোর বই ৬১. আজব ঘটনা জানার বই ৬২. ধর্মীয় বই ৬৩. অনার্স প্রথম বর্ষের বই (একাউন্টিং) ৬৪. অনার্স প্রথম বর্ষের বই ( ) ৬৫. অনার্স প্রথম বর্ষের বই ( ) ৬৬. অনার্স প্রথম বর্ষের বই ( ) ৬৭. অনার্স প্রথম বর্ষের বই ( ) ৬৮. অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের বই (একাউন্টিং) ৬৯. অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের বই ( ) ৭০. অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের বই ( ) ৭১. অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের বই ( ) ৭২. অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের বই ( ) ৭৩. অনার্স তৃতীয় বর্ষের বই (একাউন্টিং ) ৭৪. অনার্স তৃতীয় বর্ষের বই ( ) ৭৫. অনার্স তৃতীয় বর্ষের বই ( ) ৭৬. অনার্স তৃতীয় বর্ষের বই ( ) ৭৭. অনার্স তৃতীয় বর্ষের বই ( ) ৭৮. অনার্স চতুর্থ বর্ষের বই (একাউন্টিং ) ৭৯. অনার্স চতুর্থ বর্ষের বই ( ) ৮০. অনার্স চতুর্থ বর্ষের বই ( ) ৮১. অনার্স চতুর্থ বর্ষের বই ( ) ৮২. অনার্স চতুর্থ বর্ষের বই ( ) ৮৩. মাস্টার্স এর বই (একাউন্টিং) ৮৪. ক্যালেন্ডার ওয়াল ৮৫. টেবিল ক্যালেন্ডার ৮৬. বিডি ম্যাপ ৮৭. ওয়ার্ল্ড ম্যাপ ৮৮. সেলিব্রিটি ফটো ৮৯. ম্যাগাজিন ৯০. কারেন্ট ওয়ার্ল্ড ৯১. জ্যামিতি বক্স ৯২. ক্যালকুলেটর (নরমাল) ৯৩. ক্যালকুলেটর (সাইন্টিফিক) ৯৪. স্ট্যাম্প ৯৫. সিল কালি ৯৬. মার্কাও কালি ৯৭. সাদা কসটিপ ৯৮. এন্টি কাটার ৯৯. রোলার ১০০. কালার পেন্সিল ১০১. ড্রয়িং খাতা ১০২. ড্রয়িং এর বই
18. ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য
• হ্যান্ড স্যানিটাইজার • হেক্সাসল • নাপা • পেরাসিটামল • ওরস্যালাইন • এম কাস্টিং • ইনসুলিন হান্ড্রেড সিরিঞ্জ • হিস্টাসিন • ইমিস্টেট • এড্রিল • ব্রড্রিল • ফিনিক্স • সেকলো • এমুটিল • থার্মোমিটার • সিটিরিজিন • ল্যাকটোব্যাক • রাইস স্যালাইন • সেনসেশন • প্যানথার • ডন-লাভ • ফেমিকন • মলম • ক্লভেট
19. প্রসাধনী এবং সৌন্দর্য পণ্য
• লিপস্টিক • লিপজেল • জেল • বডিস্প্রে • ব্রা • আন্ডার ওয়্যার • ফেসওয়াশ • নাইট ক্রিম • মাস্কারা • কাজল • নরমাল পাওডার • ঘামাছি পাওডার • চুলের ভেন • চুলের ফিতা • চুরি • মার্কি • ব্র্যাসলেট • কপি চুল • নাক ফুল • কানের ফুল • পুতির মালা • পায়েল • নুপুর • এমিটেশন নেখলেস • এমিটেশন বালা • টিপ • পারফিউম • সেন্ট • লুশন • হেয়ার রিমুভার • আই ব্রুু • মেক আপ বক্স • আয়না • চিরুনি • নেইল কাটার • সোবা • হারপিক
20. গহনা পণ্য
• পাথরের নাকফুল • ঝুমকা • বালা • গলার চেইন • নেখলেস • নুপুর • আংটি • মাথার টিকলি • পায়েল • কমরের বিসা • হাতের ব্র্যাসলেট
21. ক্রীড়া এবং খেলনা পণ্য
• ফুটবল • ক্রিকেট • ক্রামবোর্ড • লুডু • বেডমিন্টন বেড • ফ্লাওয়ার/রেদার • ভলিবল • তাস • ভিডিও গেমস্ • ফ্রি-ফায়ার • দাবা • মারবেল • লাটিম • ঘুড়ি • ফানুস • চাকতি • চাকতি () • টেবিল টেনিস • হকি • গল্ফ • মারতি ব্যাট • মারতি বল • স্ট্যাম্প • ফুটবলের নেট • ফুটবলের কেটস্ • জার্সি • গ্লাফস্ • রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি • পুতুল • এরো প্লেন • পিস্তল • শোপিস • ভেকু • স্প্রিং কার • রবট
22. ফুল ও বীজ পণ্য
• গোলাপ (লাল) • গাধা • রজনী গন্ধা • বকুল ফুলের মালা • পাটের বীজ • লাউয়ের বীজ • দারার বীজ • আমের চারা • লিচুর চারা • গোলাপ (সাদা)
23. বাদ্যযন্ত্রের পণ্য
• ড্রামসেট • পিয়ানো • বাশি • গিটার • তবলা • হারমোনিয়াম • ডোল • বীনা • একতার • দোতারা • খঞ্জনি • ভায়োলিন • বেহালা
24. ফ্যাশন ট্রেন্ডস সংগ্রহ এবং গেজেট পণ্য
• সান গ্লাস • ক্যাপ • ব্রাসলেট • রিং • পোর্টেবল গেজেটস্ • কালেকশন প্রোডাক্টস্ ইত্যাদি
25. জিবাষ্ম জ্বালানি এবং অটোমোবাইল পণ্য
• সিলিন্ডার বসুন্ধরা গ্যাস • মবিল • অকটেন • ডিজেল • কেরসিন • পেট্রল • কেমিক্যালস্
26. গাড়ি এবং বাইক পণ্য
• প্রাইভেট কার • টিভিএস মেট্রো ১০০ সিসি বাইক • ডিসকভার ১২৫ সিসি • এপাসি আরটিআর ১৫০ সিসি • আরওয়ান • অটো রিক্সা • অটো ভ্যান • মিনি পিক আপ • হাইয়েস • ট্রাক • বাস • সিএনজি • অটো ৮ সিটা • ম্যানুয়েল রিক্সা • ম্যানুয়েল ভ্যান • সাইকেল
27. মিষ্টান্ন এবং পানীয় পণ্য (কনফেকশনারিজ)
• স্পিড • মজো • সেভন আপ • চিপস্ পাফ • পটেটো (বম্বে প্রোডাক্টস্) • প্রান ম্যাংগো জুস • ফ্রুটু জুস • ললি পপ • সেন্টারফ্রুট • সিগারেট (বেন্সন) • সিগারেট (বেন্সন সুইচ) • সিগারেট (গোল্ড লিফ) • সিগারেট (গোল্ড লিফ সুইচ) • সিগারেট (নেভি) • সিগারেট (স্টার) • সিগারেট (ডার্বি) • সিগারেট (পাইলট) • সিগারেট () • আকিজ বিড়ি • চা পাতি • নেসলে কফি • কেক •
Offer Source: Plz, click here to show

Offer Id: 908
Company Name: Urnisha Jaman Mohona
Contact No.: Hidden
E-mail: Hidden
Business Type: Education/Training
Location: DHAKA
Offer Title: বাংলাদেশের সাম্প্রতিক শিক্ষা ব্যবস্থা ও বর্তমান পরিস্থিতি:

Offer Details: বাংলাদেশের সাম্প্রতিক শিক্ষা ব্যবস্থা ও বর্তমান পরিস্থিতি:

ভূমিকা ...
বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে তিন স্তরের শিক্ষাব্যবস্থা রয়েছে- প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা। প্রতিটি স্তর আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সাম্প্রতিক শিক্ষা ব্যবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে মৌলিক বিষয়গুলো অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রাথমিক পর্যায় থেকে যে মৌলিক বিষয়গুলো শেখা উচিত সেগুলো ক্রমশই বিলুপ্ত হচ্ছে । শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শেখার পদ্ধতি পরিবর্তন হচ্ছে, আমাদের সঠিক পথে জীবনযাত্রার মান কমে এসেছে এমনকি বাস্তবতা সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি হ্রাস পাচ্ছে, যেখানে মুখস্থ করাটাই কেবল প্রাধান্য পেয়েছে। খুব কম শিক্ষার্থী আছে যারা স্বেচ্ছার সহিত স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে পড়াশোনার সাথে জীবনে এগিয়ে যায়।

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কয় ধরণের স্কুল রয়েছে ??
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য তিন ধরণের স্কুল রয়েছে । যেখানে শিক্ষার্থীদের ইচ্ছা, আগ্রহ, যোগ্যতা, দক্ষতা ও মেধা অনুযায়ী প্রতিষ্টান বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে । স্কুল গুলো হলো: ইংরেজি মাধ্যম, বাংলা মাধ্যম এবং ধর্মীয় বিদ্যালয় । এই তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহন করে থাকে।
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় কোনো লিঙ্গ সমতা রয়েছে ?
শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশ লিঙ্গ সমতা অর্জন করেছে ২০১৬ সালে এমনকি নথিভুক্তও করা হয়েছে । যার মধ্যে ৫০.৯ শতাংশই ছিল বালিকা শিক্ষার্থী । বলা যায়বালকদের পাশাপাশি বালিকারাও শিক্ষাক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো যে তারপরও বাংলাদেশের শিক্ষার মান নিম্ন ।

শিক্ষার্থীদের উপর শিক্ষাব্যবস্থার প্রভাব:
প্রাথমিক স্তর ..
বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চাদের জন্য সরকার নানা রকম সুবিধা প্রদান করছে । তার মধ্যে সবচেয়ে উপকারি হচ্ছে উপবৃত্তি প্রদান । প্রাইমারিতে যেসব শিক্ষার্থীরা পড়ে তার মধ্যে ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর পরিবার খেটে খাওয়া মানুষ । দিন আনে দিন খায় । সেই ক্ষেত্রে দেখা যায় শিক্ষার্থীরা পড়াশুনায় সময় খুব কম ব্যয় করে এবং পরিবারের মানুষের সাথে তারাও কর্মস্থলে যোগ দেয়।
মাধ্যমিক স্তর ..
মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা যে সময়টা হাতে পায় সেই সময়টায় তাদেরকে এমন কিছু বিষয়ের ওপর আয়ত্ত ও দক্ষতা অর্জন করা উচিত যাতে ভবিষ্যতে উচ্চতর অধ্যয়ন করতে কোনো রকম সমস্যা না হয় । আর এটা একমাত্র অধ্যয়নরত প্রতিষ্ঠান থেকেই সম্ভব। এখানে নিশ্চিত করতে হবে যে কিভাবে বারতি বই কমিয়ে প্রয়োজনীয় বিষয়ের ওপর মনোনিবেশ করা যায় । উচ্চ স্তরের ...
এই সময় পড়াশুনার পাশাপাশি যদি শিক্ষার্থীরা নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারে তাহলে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটা রয়েছে – বেকারত্ব সেটা ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে । তাই উচিত এই সময় থেকে তাদের বিভিন্ন চাকরি করার সুযোগ দেওয়া । কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থা থেকে বিভিন্ন অফিসিয়াল সেক্টরে ইন্টার্ন হিসেবে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পাঠানো এবং সেটা হতে পারে সরকারি বা বেসরকারি যে কোনো প্রতিষ্টানে ।

বর্তমান [ করোনা ] পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম:
শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস বা পরীক্ষা নিয়ে যে তিনটি প্রধান সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় সেগুলি হল:
1. Android phone [ অ্যান্ড্রোয়েড ফোন ] 2. Mb purchase [ এমবি বা মেগাবাইট ক্রয় ] 3. Internet buffering problem [ ইন্টারনেট বিগ্নতার সমস্যা ]

1. আমাদের মধ্যে এমন অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে যাদের কাছে [Android phone ] নেই। যদিও পরিক্ষার জন্য তারা কোনো না কোনো ভাবে একটা [Android phone ] যোগার করে নিতে পারবে । হয়তো বাবা-মা পরিক্ষা দেওয়ার জন্য শত কষ্টের মাঝেও একটা [ Android phone ] ক্রয় করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন । তবে যে টাকা দিয়ে ক্রয় করবেন সেই টাকাটা হয়তো তাদের এক সপ্তাহের খাবারের খরচ । অনেকের পরিবারের আয় খুবই সীমিত, দিন মজুর, কৃষক, শ্রমিক, দিন আনে দিন খায় এমনও অনেক পরিবার রয়েছে সেটা আমাদের কারোরই অজানা নয় । সেই ক্ষেএে তাদের পরিবারের ধার-কর্জ করে কিছু করাটা তাদের অনেক দিনের ভোগান্তির কারন হতে পারে।বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজের শিক্ষার্থীরা হয়তো কোনো না কোনো ভাবে একটা [ Android phone ] যোগার করে নিতে পারবে । তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিভাবে Android phone পাবে যেখানে তাদের পরিবার দরিদ্র সীমার
2. দ্বিতীয় সমস্যা হলো MB বা মেগাবাইট ক্রয় করা । যাদের দিন আনতে পানতা ফুরোয় তাদের জন্য MB ক্রয় করে পরিক্ষা, নিজের পেটে নিজেই লাথি দেওয়া অবস্থার সম্মুখীন হওয়ার মতো । অনেকের বাসায় ওয়াইফাই [ WIFI – Wireless Fidelity ] সংযোগ রয়েছে তাই বলে সবার সেরকম সামর্থ্য নাও থাকতে পারে । এমনকি এসবের জন্য গ্রামান্চলে সুযোগ-সুবিধা নেই বললেই চলে ।
3. বেশিরভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয় গ্রামে অবস্থিত এমনকি গ্রামে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীও কম নেই । বিশ্ববিদ্যালয়ে যে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করে তাদের মধ্যে ৭০-৮০ ভাগ শিক্ষার্থী গ্রামে থাকেন । সেক্ষেত্রে শহরে ইন্টারনেট সংযোগ খুব ভালো সার্ভিস দিয়ে থাকলেও অপরদিকে গ্রামে ইন্টারনেট সংযোগের অবস্থা খুবই খারাপ । আর যদি কোনো ভাবে ঝড়-তুফানের উপক্রম হয় তাহলে এমনো সময় আসে যেখানে ১-২ দিন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকে । এখন যদি বিদ্যুৎ না থাকে তাহলে ফোন কিভাবে চার্জ করবে আর পরিক্ষাই বা কিভাবে দিবে । যদিও সব সমস্যা সমাধানকল্পে পরিক্ষায় অংশগ্রহন করে তাহলে সময় মতো লিখে জমা দেওয়ারএকটা সমস্যা থেকেই যায় । তাছারা অনলাইনের মাধ্যমে পরিক্ষায় অংশগ্রহন করতে পারেনা এমন শিক্ষার্থী রয়েছে ৩০ ভাগেরও বেশি ।

বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে বড় চ্যালেঞ্জসমূহ:
শিক্ষকদের ক্ষেত্রে:
▪ যোগ্য শিক্ষকের অধীন
▪ শিক্ষক তদারকি ।
▪ নিরীক্ষণ এবং জবাবদিহিতার শক্তির অভাব।
▪ শিক্ষার্থী সম্পর্কে শিক্ষকদের সচেতন থাকা ।
শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে:
▪ অপ্রতুল অবকাঠামো।
▪ শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় মনোযোগী করানো।
▪ ভালোভাবে রিডিং শেখানো ।
▪ ইংরেজী বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানো।
▪ প্রতিটা ক্ষেত্রে নিজেকে উপস্থাপন করার জন্য জড়তা কাটিয়ে তাদের দুর্বলতাকে দমন করার পদ্ধতি প্রনয়ন।
▪প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থা থেকে সব রকম খেলাধুলায় পারদর্শি হতে সুযোগ করে দেওয়া এবং উৎসাহ দেওয়া ।
▪ প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় থেকে আত্মরক্ষা সম্পর্কে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষন নিশ্চিত করা ।যেমন: ক্যারাটে
▪ দুর্বল পুষ্টি এবং খাদ্য সুরক্ষা… এসবই শিক্ষাকে প্রভাবিত করে।
▪ এবং সর্বোপরি লকডাউন চলমান অবস্থায় অন্যান্য ক্ষতিকর দিকে মন না দিয়ে নিজ দায়িত্বে গৃহ শিক্ষক বা সিনিয়রদের নিকট হতে নিজ পাঠ্যবইসমূহ নিজ কক্ষে অবস্থান করে পড়ে মুখস্থ করে ফেলতে হবে। আমরা জানি ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড’ আর ‘সু-শিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’। তাই জাতির মেরুদন্ডকে মজবুত ও বলিষ্ঠ রাখতে আমাদের নিজেদেরকেই নিজেদের মত করে ‍সু-শিক্ষিত হতে হবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের করনীয়:
সমস্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিষয়ভিত্তিক বই পড়ার পাশাপাশি যেগুলো জীবনে ও চাকুরিক্ষেত্রে সাহায্য করবে সেগুলো রাখা উচিত । আগে থেকে চাকুরিক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বইগুলো সর্ম্পকে ধারনা থাকলে পরবর্তিতে কোনো প্রাইভেট বা কোচিং সেন্টারে আলাদা করে পড়তে যেতে হবে না । বাংলাদেশের সকল উচ্চ মাধ্যমিক এবং স্নাতকোত্তর কলেজগুলিতে আইসিটি কোর্স চালু করা এবং কম্পিউটার শিক্ষা প্রেকটিক্যালি করানো যাতে শিক্ষার্থীদের আলাদা কোনো প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কম্পিউটার শিখতে না হয় অর্থ ব্যয় করে । ফলস্বরূপ, অনেক শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত সময় থেকে কম্পিউটারের মাধ্যমে খণ্ডকালীন চাকরি করে বেকারত্ব কমাতে পারে।

মানসম্মত শিক্ষার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
মূলত ছয়টি মৌলিক উপাদান সবসময় শিক্ষার মানকে প্রভাবিত করে।
1) ভালো ও দক্ষ শিক্ষক দ্বারা সুন্দর পাঠদান পদ্ধতি।
2) যেকোনো শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা।
3) উন্নত-শৃঙ্খলা সম্পন্ন পরিবেশ শেখার জন্য।
4) সঠিক পদ্ধতিতে স্কুল পরিচালনা।
5) শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত নিয়ম-নিতী ও পূর্বশর্ত প্রনয়ন ।
6) একটি সুশৃঙ্খল সংস্থা এবং তহবিল ।

উপসংহার..
অবশেষে বলা যায়, শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন বর্তমান সময়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ । বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাপনা এবং অধ্যয়ন কার্যক্রম এভাবে অচল লকডাউন অবস্থার মধ্যে চলমান থাকলে শিক্ষা স্রোতধারার নদীতে শেওলা পতিত হয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হবে। তাই, যার যার পক্ষ থেকে নিজ দায়িত্বে নিজের পড়াশোনা মান ঠিক রাখতে হবে। এজন্য আমাদের শিক্ষা ও ক্যারিয়ার সম্পর্কিত ওয়েব পোর্টাল সেলটুআর্ন ডটকম (selltoearn.com) এ নিয়মিত চোখ রাখতে পারেন। এর পাশাপাশি অন্য আর একটি বিষয়- বেকারত্ব হ্রাস করতে হলে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন । শিক্ষার্থীরা যদি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় থেকেই ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পর্কিত সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পায় তাহলে পরবর্তিতে যে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করলে সেখানে অভিজ্ঞতার জন্য কোনো রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না ।
Offer Source: Plz, click here to show


মিডিয়া এসটিএন**** info@selltoearn.com***

মিডিয়া এসটিএন

Kaliakair, Gazipur, Dhaka, Bangladesh.
https://www.selltoearn.com

প্রধান উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

E-mail:selltoearnmoney@gmail.com

উপদেষ্টা সম্পাদক: Selltoearn.com

কারিগরি সহযোগীতায় :
হেমাস আইটি http://www.selltoearn.com

E-mail: info@selltoearn.com

মিডিয়া এসটিএন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার মিডিয়া এসটিএন